Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধামরাই উপজেলায় মোহাদ্দেছ চেয়ারম্যান নির্বাচিত

ধামরাই উপজেলায় মোহাদ্দেছ চেয়ারম্যান নির্বাচিত
নবনির্বাচিত ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোহাদ্দেছ হোসেন, ছবি: বার্তা২৪.কম
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মোহাদ্দেছ হোসেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চলতি বছরের ৩১ মার্চে চতুর্থ ধাপে ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একটি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে এ উপজেলার ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছিল।

বুধবার ধামরাই উপজেলার স্থগিত থাকা কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়। এ কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পান মো. মোহাদ্দেছ।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে, এই কেন্দ্রের ১ হাজার ৮৯১ ভোটের মধ্যে মোট ৮৫৬ জন ভোটার ভোট দেন। এর মধ্যে আনারস প্রতীক নিয়ে মোহাদ্দেছ পান ৮০৯ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে মিজানুর রহমান পান ৫৩ ভোট। এছাড়াও লাঙ্গল প্রতীকের দেলোয়ার হোসেন পান এক ভোট আর মশাল প্রতীকের আনোয়ার হোসেন পান  দুই ভোট।

ধামরাই উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কালাম বার্তা২৪কে জানান, ৩১ মার্চে চতুর্থ ধাপে ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৩২। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৪৮ টি। এর মধ্যে কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বাতিল করা হয়। বাকী ১৪৭ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয় ওই দিনই।

ধামরাইয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চার জন প্রার্থী। ৩১ মার্চের ১৪৭ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী নৌকা প্রতীকে মিজানুর রহমান পায় ৩৯ হাজার ১ ভোট, আনারস প্রতীক নিয়ে মোহাদ্দেস হোসেন পান ৪০ হাজার ৫৬৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন পায় ৮৩৪ ভোট এবং মশাল প্রতীক নিয়ে আনোয়ার হোসেন মুন্নু পায় ১২১ ভোট।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মানিকগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

মানিকগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার
ছবি: প্রতীকী

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে রুপালী বেগম (৩০) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়। রুপালী বেগম ওই এলাকার প্রবাসী রাজা মিয়ার স্ত্রী।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, স্থানীয়দের দেওয়া খবরের উপর ভিত্তি করে লাশটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে- ওই নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর চাপে বিপাকে অন্যান্য রোগীরা

মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর চাপে বিপাকে অন্যান্য রোগীরা
রোগীদের চাপে দিশেহারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ছবি: সংগৃহীত

কাগজে কলমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতাল। তবে চিকিৎসক রয়েছে মাত্র একশো শয্যার। অন্যান্য জনবলও প্রায় একই রকম। এই জনবল দিয়েই চিকিৎসা সেবা চলছে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে। বহির্বিভাগ আর ভর্তি রোগী মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার রোগীর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে।

এতো রোগী একসঙ্গে চিকিৎসা দিতে যেয়ে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে ডেঙ্গু রোগের কারণে এই চাপ দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডেঙ্গু রোগ নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ৮০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গু রোগের পরীক্ষা করাতে প্রতিদিন শতশত রোগী হাসপাতালে ভিড় করছেন।

ডেঙ্গু রোগীদের স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিত করতে পৃথকভাবে তিনটি ডেঙ্গু কর্নার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ৪ জন চিকিৎসকের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসা সেবা নিয়ে ডেঙ্গু রোগীরা সন্তুষ্ট থাকলেও অভিযোগের শেষ নেই অন্যান্য রোগীদের।

সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নারী ও পুরুষের বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারে দীর্ঘ সারি দেখা যায়। প্রতিটি চিকিৎসকের কক্ষের সামনেও রয়েছে দীর্ঘ সারি। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে কোন সিট না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন অর্ধশত রোগী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566810260683.jpg
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দীর্ঘ সারি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াকান্দি এলাকার মজিবুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম’কে জানান, অসুস্থ স্ত্রী রংমালাকে রোববার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান তিনি। হাসপাতালে সিট না পেয়ে তার ঠাই হয়েছে বারান্দায়। তবে ভর্তির পর থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত কোনো চিকিৎসকের দেখা পাননি তিনি। বরং হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় তার স্ত্রী আরও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা রিপন মিয়া নামের এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘নার্সরা সবসময় চিকিৎসা সেবার খোঁজ খবর নেন। তবে প্রয়োজনে চিকিৎসকদেরও পাওয়া যায় না।' চিকিৎসা সেবার মান মোটামুটি ভাল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মাহবুবুল হাসান জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৭৫ জন। এর মধ্যে ভর্তি রয়েছে ৩০ জন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে একজন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে বলেও জানান তিনি।

মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ জানান, মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৭৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ জন। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে ৬২ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566810318945.jpg
ডেঙ্গু রোগীদের মশারির ভেতর রাখা হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ এরফান জানান, মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও জনবল রয়েছে ১০০ শয্যার। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীদের প্রচুর চাপ রয়েছে হাসপাতালে। তবে এতোকিছুর পরও সাধ্য অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র