Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ধামরাই উপজেলায় মোহাদ্দেছ চেয়ারম্যান নির্বাচিত

ধামরাই উপজেলায় মোহাদ্দেছ চেয়ারম্যান নির্বাচিত
নবনির্বাচিত ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোহাদ্দেছ হোসেন, ছবি: বার্তা২৪.কম
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মোহাদ্দেছ হোসেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চলতি বছরের ৩১ মার্চে চতুর্থ ধাপে ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একটি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে এ উপজেলার ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করা হয়েছিল।

বুধবার ধামরাই উপজেলার স্থগিত থাকা কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়। এ কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পান মো. মোহাদ্দেছ।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে, এই কেন্দ্রের ১ হাজার ৮৯১ ভোটের মধ্যে মোট ৮৫৬ জন ভোটার ভোট দেন। এর মধ্যে আনারস প্রতীক নিয়ে মোহাদ্দেছ পান ৮০৯ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে মিজানুর রহমান পান ৫৩ ভোট। এছাড়াও লাঙ্গল প্রতীকের দেলোয়ার হোসেন পান এক ভোট আর মশাল প্রতীকের আনোয়ার হোসেন পান  দুই ভোট।

ধামরাই উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কালাম বার্তা২৪কে জানান, ৩১ মার্চে চতুর্থ ধাপে ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৩২। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৪৮ টি। এর মধ্যে কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বাতিল করা হয়। বাকী ১৪৭ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয় ওই দিনই।

ধামরাইয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চার জন প্রার্থী। ৩১ মার্চের ১৪৭ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী নৌকা প্রতীকে মিজানুর রহমান পায় ৩৯ হাজার ১ ভোট, আনারস প্রতীক নিয়ে মোহাদ্দেস হোসেন পান ৪০ হাজার ৫৬৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন পায় ৮৩৪ ভোট এবং মশাল প্রতীক নিয়ে আনোয়ার হোসেন মুন্নু পায় ১২১ ভোট।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ধৈঞ্চা চাষে লাভ বেশি

ধৈঞ্চা চাষে লাভ বেশি
ধৈঞ্চা গাছ। ছবি: বার্তা২৪.কম

ধৈঞ্চা চাষ করে সফল হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষিরা। কম খরচে অধিক ফলনের কারণে দিন দিন ধৈঞ্চা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জানা গেছে, মাত্র ১ বিঘা জমিতে চাষের জন্য ৩ কেজি ধৈঞ্চার বীজ প্রয়োজন হয়। প্রতি কেজি বীজের দাম ৪০ টাকা। ধৈঞ্চা চাষে বীজ ছাড়া আর তেমন কোনো খরচ হয় না। মাত্র ৫-৬ মাসের মধ্যে ধৈঞ্চা গাছের খড়ি সংগ্রহ করা যায়। আর ১ বিঘা জমির খড়ি ১৫-১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া কোনো জমি উর্বর না থাকলে গাছগুলো কেটে ওই জমিতে ফেলে পচিয়ে ভালো সার পাওয়া যায়। যা জমির উর্বরতা বাড়ায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জালাল উদ্দীন জানান, তিনি প্রতিবছর আড়াই থেকে ৩ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করেন। ধৈঞ্চার খড়ি দিয়ে সারা বছরের জ্বালানির চাহিদা মেটান। এছাড়া ধৈঞ্চার বীজ বিক্রি করেন। এতে তার ভালোই লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561469439057.jpg

একই উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম মারুফ জানান, তিনি এবার ৩ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করেছেন। ধৈঞ্চা চাষে খরচ কম, লাভ বেশি।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকতা এসএম আমিনুজ্জামান জানান, ১ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করে ৫ থেকে ৬ মণ বীজ পাওয়া যায়। আর প্রায় এক হাজার টাকা মণ দরে সেই বীজ বিক্রি হয়। ফলে ধৈঞ্চা চাষ করে সবুজ সার, খড় ও বীজ পাওয়া যায়। এতে চাষি লাভবান হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হোদা জানান, ধৈঞ্চা চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কাজ করছেন। চলতি বছরে জেলায় প্রায় আড়াইশ হেক্টর জমিতে ধৈঞ্চা চাষ হয়েছে। যা আগামীতে আরও বাড়বে।

মানিকগঞ্জে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন
ঘিওরে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে এলাবাসীর মানববন্ধন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় কৃষি জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের কেল্লাই বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলী মনসুর, আব্দুর রউফ ও কায়কোবাদ সহ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঘিওর উপজেলার গাংডুবী এলাকার ফসলি কৃষি জমি থেকে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছে একটি মহল। এতে করে এলাকার কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে এবং ড্রাম ট্রাকে করে মাটি আনা নেওয়ার ফলে গ্রামীণ রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ এসব বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, স্থানীয় আরজু খান ও সাদ্দাম এই এলাকায় ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় কৃষকরা ব্যক্তিগতভাবে প্রতিবাদ করতে ভয় পান।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র