Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন সজীব ওয়াজেদ

স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন সজীব ওয়াজেদ
মোস্তাফা জব্বারের সঙ্গে সচিবালয়ে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করছেন সজীব আহমেদ ওয়াজেদ/ ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক অধিদফতরের ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

এছাড়াও ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা প্রকাশ ও একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক এস এস ভদ্র  এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

উন্নয়নে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না: নবাগত ডিসি

উন্নয়নে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না: নবাগত ডিসি
রংপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আসিব আহসান, ছবি: বার্তা২৪

রংপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আসিব আহসান বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও রংপুরকে এগিয়ে নিতে চাই। সরকার দারিদ্র বিমোচন, কর্মসংস্থান ও সুষম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। উন্নয়ন থেকে রংপুর পিছিয়ে থাকবে না।'

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে রংপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি বলেন, 'খাদ্য শষ্যের ভাণ্ডারখ্যাত পিছিয়ে পড়া রংপুরের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। এই জেলাতে নদীভাঙন রোধ, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, বিসিকের দ্বিতীয় শিল্প নগরী, আইটি পার্ক ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে। শুধু তাই নয়, করিগরি শিক্ষার মাধ্যমে জেলায় ব্যাপক কর্মসংস্থানে জোর দেওয়া হয়েছে।'

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দ এনামুল কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রংপুরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন সাংবাদিকরা।

ডিসি বলেন, 'রংপুর জেলা যাতে পিছিয়ে না থাকে সেজন্য বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যমান সমস্যা সমূহ নিরসনে সবার সাথে আলোচনা করা হবে। ছোট ছোট সমস্যাগুলো যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করা হবে।'

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ফরহাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মাহমুদ হাসান, এনডিসি রায়হানুল ইসলাম সহ রংপুর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ভিডিও জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, রংপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনেরর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার

যক্ষ্মা শনাক্ত ও চিকিৎসায় ইউএসএআইডি’র সহায়তা জোরদার
অংশীদারিত্ব বিবৃতির (এসপি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা রোগ নির্মূল করার জন্য নিজ নিজ অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি)।

নতুন এই অংশীদারিত্ব বিবৃতিতে (এসপি) স্বাক্ষর করেছেন তারা। যার মধ্য দিয়ে ২০২২ সালের মধ্যে যক্ষ্মা রোগের প্রকোপ হ্রাস করতে একটি যৌথ কাঠামো প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিবৃতি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি মিশন পরিচালক ডেরিক ব্রাউন বলেন, ‘ইউএসএআইডি বাংলাদেশের সব ধরনের অচিহ্নিত যক্ষ্মা (টিউবারকুলোসিস বা সংক্ষেপে টিবি) শনাক্ত, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপ্রচেষ্টায় জোরালো সহযোগিতা করবে।’

বাংলাদেশকে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ লাখেরও বেশি নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা করতে হবে উল্লেখ করে ব্রাউন আরও বলেন, ‘আজ অংশীদারিত্ব বিবৃতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকারের ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যখন কিনা দেশটি ২০২২ সাল নাগাদ তাদের লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা জোরদার করছে।’

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ২৫ লাখেরও বেশি যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করেছিল। তবে প্রায় ২৬ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই অচিহ্নিত থেকে যায়। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) অর্থাৎ একাধিক ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে অচিহ্নিত থাকার হার আরও বেশি।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশকে ৭শ’ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছে। ২০১৮ সালে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রায় ২১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দিয়েছিল। এসবের মধ্যে ছিল খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলন এগিয়ে নেওয়া, পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার সামর্থ্য বৃদ্ধি বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র