Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত

টাঙ্গাইলে দোকান ঘরে চলছে ক্লাস কার্যক্রম

টাঙ্গাইলে দোকান ঘরে চলছে ক্লাস কার্যক্রম
বাঁশ থেকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে স্কুল, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
টাঙ্গাইল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন কয়েক মাস আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এই ঘোষণায় বিকল্প ভবন না থাকায় বেকায়দায় পড়ে যায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার জন্য পাশের বাজারের দুইটি টিনের দোকান ভাড়া নেয়া হয়। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কৈয়ামধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি।

জানা গেছে, কৈয়ামধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল পড়েছে। উঠে গেছে পলেস্তারাও। এর মধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের ছাদ বাঁশ দিয়ে ঠেক দিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। গত এক বছর ধরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসনের কাছে ভবনের করুণ অবস্থা সম্পর্কে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন শেষে তিনি ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।

পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার বিষয়টি বিবেচনা করে পাশের বাজারে টিনের দুইটি দোকান ঘর ভাড়া নেন। দুই ঘরের ভাড়া বাবদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিমাসে নিজের বেতন থেকে ১ হাজার টাকা করে দিয়ে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। দোকান ঘরে শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান শিক্ষকরা। অন্যদিকে বিদ্যালয় বিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে ওই বিদ্যালয়ে।

প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বিদ্যালয় ভবনের ছাদ, পিলার ও বীম ফেটে গেছে। আশষ্কা এড়াতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ছাদ ঠেক দিয়ে ক্লাস চলছে। মাঝে মধ্যেই ক্লাস চলাকালীন সময়েও পলেস্তারা ভেঙে পড়তো। বিষয়টি দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্টদের জানালেও তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পরে এ বছরের জানুয়ারি মাসে ইউএনও স্যার এসে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিত্যক্ত ঘোষণার পর বিকল্প কোনও পথ না পেয়ে বিদ্যালয়ের পাশের বাজারে টিনের ঘর ভাড়া করে কোনও রকমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মানবেন্দ্রে দাশ জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের চাহিদা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান জানান, ওই বিদ্যালয়ের ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন পাকা ভবন বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

কমছে তিস্তার পানি, ভাঙছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

কমছে তিস্তার পানি, ভাঙছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সপ্তাহব্যাপী বন্যা শেষে তিস্তার পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ স্প্যার-২ এর ভাঙন শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের মাটির শ্যাংকের ১০ মিটার এলাকার সিসি ব্লকের ভাঙন শুরু হয়। পরে বিকেল থেকেই জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকৌশলীরা।

এদিকে, তবে ওই বাঁধের আরসিসি পার্টেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। পানির তোড়ে বসে গেছে শিট প্লেট। ফলে আরসিসি পার্টের নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় আরসিসি পার্ট মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বাঁধের সামনের অংশের আরসিসি পার্ট ভেসে গিয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563465531946.jpg

বাঁধটির বাসিন্দা মুকুল ও আনেচ আলী বলেন, হঠাৎ ভাঙন দেখা দিলে বাঁধের সিসি ব্লকগুলো মুহূর্তে ভেসে গেছে। বাঁধের নিকটবর্তী একটি দোকান ও বাড়ি ধসে পড়ে নদীতে ভেসে গেছে। পাউবোর জিও ব্যাগে বালু ভরে বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে ভাঙন রোধ করা হয়েছে। তবে বাঁধের সামনের অংশে আরসি পার্টের নিচে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। যা মেরামত করা হয়নি। এটা ভেসে গেলে কয়েক হাজার পরিবার ভাঙনের মুখে পড়বে।

গোবর্দ্ধন স্প্যার বাঁধ-২ এর দায়িত্ব থাকা পাউবোর উপ সহকারী প্রকৌশলী লিটন আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাঁধের সিসি ব্লক বসে গেলে জরুরিভাবে ৫০০ জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রক্ষা করা হয়। এ বাঁধের জন্য আরও দুই হাজার জিও ব্যাগ মজুদ রয়েছে। তবে বাঁধে আরসিসি পার্টে শিট প্লেটে সমস্যা হওয়ায় নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানিতে এটা মেরামত করা সম্ভব নয়।’

লালমনিরহাট পাউবোর উপ বিভাগিয় প্রকৌশলী এটিএম বজলে করিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ভাঙন কবলিত এলাকার বাঁধগুলো রক্ষায় জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। আমাদের প্রকৌশলীরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে নদী তীরবর্তী এলাকায় কাজ করছে। পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ মজুদ রয়েছে।’

টাঙ্গাই‌লে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

টাঙ্গাই‌লে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের পৃথক এলাকায় বজ্রপাতে কলেজ ছাত্রসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও ছয়জন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুল আলম জানান, বিকেল সাড়ে ৫টায় জামুরিয়া ইউনিয়নের নবরত্নবাড়ি গ্রামের আব্দুল ছালামের ছেলে শাহাদৎ হোসেন (৩৫) পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।

তিনি আরও জানান, অন্য‌দি‌কে একই সময় বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলা শেষে উপজেলার গুণ গ্রাম থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে সরকারি জিবিজি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র রনি (২০) মারা যান। সে উপজেলার মধ্যকর্ণ গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।

এছাড়া উপ‌জেলায় বজ্রপাতে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। এরা হলেন- উপজেলার মধ্যকর্ণ গ্রামের আনিস আলীর ছেলের খোরশেদ আলম (৩২),আব্দুর রহমানের ছেলে রমজান আলী(৩০), নবরত গ্রামের জুব্বার আলীর ছেলে আবেদ আলী (৩০), কান্দুলিয়া গ্রামের বেলাল হোসেন (৫৫), ও লিমন(২৭)। তাদের স্থানীয় হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র