Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছাত্রলীগের হামলা

উদ্ধার হয়নি সাংবাদিকের ক্যামেরা

উদ্ধার হয়নি সাংবাদিকের ক্যামেরা
স্বপ্নতরী এগ্রো সার্ভিসেস লিমিটেড এর গ্রাহক হয়রানির প্রতিবেদন করতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
রংপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে স্বপ্নতরী এগ্রো সার্ভিসেস লিমিটেড-এর গ্রাহক হয়রানি ও প্রতারণার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ক্যামেরা এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও হামলায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ও স্বপ্নতরীর কর্মকর্তাদের আটক করা হয়নি।

বুধবার (১৭) পৌনে ৩টায় বীরগঞ্জের স্লুইসগেট এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি ঘটে।

বীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাজিদুর রহমান অন্তু, রেজা, স্বপ্নতরী এগ্রো সার্ভিসেস লিমিটেডের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শুভ সরকার ও অডিট অফিসার রাসেলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালান। এ সময় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলার জন্য সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারী।

এ ঘটনায় বার্তা২৪.কম এর রংপুর স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ফরহাদুজ্জামান ফারুক, ডিবিসির রংপুর ব্যুরো চিফ নাজমুল ইসলাম নিশাত ও ক্যামেরা পারসন মহসীন আলী আহত হয়েছেন।

এদিকে হামলা ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ প্রশাসন।

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিলা পারভীন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমি বিষয়টি জানার পর ঘটনার খোঁজ খবর নিচ্ছি। ক্যামেরা উদ্ধারসহ হামলাকারীদেরও শনাক্তের চেষ্টা চলছে।'

এ ব্যাপারে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম বলেন, 'বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। মামলা হলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।'

স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'হামলাকারীরা যে দলেরই হোক, তারা সন্ত্রাসী। এ ধরণের কর্মকাণ্ড দল সমর্থন করে না। তাদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

এ ঘটনায় দিনাজপুর প্রেসক্লাব, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের গ্রেফতারসহ বিচার দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, মানিক চন্দ্র বর্মণ নামে এক ব্যক্তি স্বপ্নতরী এগ্রো সার্ভিসেস লিমিটেড এর ব্যানারে রংপুর বিভাগের চার জেলায় বিভিন্ন লোভনীয় প্যাকেজে টার্কি মুরগির খামারি প্রজেক্ট ব্যবসা চালু করেন। এতে বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ১২০০ খামারি অর্ধশত কোটি টাকার প্যাকেজ গ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর স্বপ্নতরী কর্তৃপক্ষ টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা শুরু করে। এ ঘটনার প্রতিবেদন তৈরি করতে যান সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র