Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

৬০০ মানুষের দ্বীপে ৯ লাখ জুতা!

৬০০ মানুষের দ্বীপে ৯ লাখ জুতা!
ভারতীয় মহাসাগরের কোকো দ্বীপপুঞ্জে প্লাস্টিক বর্জ্যের ছড়াছড়ি, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় মহাসাগরে অবস্থিত কোকো দ্বীপপুঞ্জের জনসংখ্যা বড়জোর ৬০০। কিন্তু ছোট্ট এই দ্বীপপুঞ্জে প্লাস্টিক বর্জ্য রয়েছে চার হাজার লাখেরও বেশি! এর মধ্যে পরিত্যক্ত জুতাই আছে নয় লক্ষাধিক।

পৃথিবীর প্রত্যন্ত এই জনপদে সম্প্রতি চালানো জরিপে বিস্ময়কর এই তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে বলা হয়েছে, সাগরে ভেসে দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে এসব প্লাস্টিক বর্জ্য জমেছে। সবমিলিয়ে এর ওজন হবে অন্তত ২৩৮ টন!

কোকো দ্বীপপুঞ্জ
মানচিত্রে কোকো দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান

 

সমুদ্র বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বর্জ্যগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই বোতল, চামচ, ব্যাগ, স্ট্র ও জুতা। এর মধ্যে শুধু জুতাই আছে নয় লাখ ৭৭ হাজার পিস। এছাড়া টুথব্রাশ পাওয়া গেছে তিন লাখ ৭৩ হাজারটি।

‘ন্যাচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত জরিপটির ফলাফলে, বিশ্বের জলভাগে প্লাস্টিক দূষণের পরিমাণ নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। একক ব্যবহারের পণ্য ব্যবহারের কারণে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে এতে।

কোকো দ্বীপপুঞ্জ

প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জেনিফার লেভার্স বলেন, ক্ষুদ্র জনসংখ্যার প্রত্যন্ত দ্বীপপুঞ্জে দূষণের এমন প্রভাব সাগরে প্লাস্টিক বর্জ্যের অশনিসংকেত দেয়। কয়লা খনি সম্বলিত এমন দ্বীপে বর্জ্যের এই দৃশ্য আমাদের দ্রুত দূষণবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেয়। সাগরের সর্বব্যাপীই প্লাস্টিক দূষণ রয়েছে। দূরবর্তী দ্বীপগুলো দূষণের এই মাত্রা পর্যবেক্ষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা।

কোকো দ্বীপপুঞ্জ

জরিপে দেখানো হয়েছে, সৈকতে যত না বর্জ্য আছে তার থেকে ২৬ গুণ বেশি আছে সমুদ্রের তলদেশে। সৈকতে পানির নিচে রয়েছে ১০ সেন্টিমিটার উঁচু বর্জ্যের স্তূপ! এমন বাস্তবতা জানান দেয় যে, পরিত্যক্ত জিনিস ও বর্জ্য আহরণে আমাদের যথেষ্ট অবহেলা রয়েছে।

সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান

আপনার মতামত লিখুন :

হংকং ইস্যু: ইউটিউবের ২১০ চ্যানেল বন্ধ ঘোষণা

হংকং ইস্যু: ইউটিউবের ২১০ চ্যানেল বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

চীনের প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ে গত ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল। সর্বস্তরের মানুষ এ বিক্ষোভে সমবেত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় দেশটির বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ভুল তথ্য অপপ্রচারের ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ইউটিউব ২১০টি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ফেসবুক ও টুইটারের পরই ইউটিউব ২১০টি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানে চ্যানেলগুলো 'ভুয়া তথ্য' ও ভিডিও প্রকাশের দায়ে হংকংয়ের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে অন্যদিকে পরিচালিত করার চেষ্টা করছিল।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গুগলের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেন হান্টলি একটি ব্লগ পোস্টে বলেন, ফেসবুক ও টুইটারের পর ইউটিউবের যেসব চ্যানেলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তারা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।

এদিকে গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) হংকং বিক্ষোভ নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর দায়ে ৯৩৬টি টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে ফেসবুকের ৭টি পেজ, ৩টি গ্রুপ ও ৫টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হংকং বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল

এ নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, চীনের বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে যা আন্দোলনকে অন্যদিকে ত্বরান্বিত করছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে দেওয়া এক বরাতে বলেন, বন্ধ করে দেওয়া গ্রুপ ও পেজ গুলো ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে আসছিল।

দু'মাসের বেশিদিন ধরে চলা হংকংয়ের এ বিক্ষোভ ক্রমশই বড় আকার ধারণ করছে। বর্তমানে এ বিক্ষোভ হংকং সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে রূপ নিয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) হংকংয়ে বিক্ষোভকারীরা এক সমাবেশে র‍্যালির আয়োজন করে। সেখানে বিক্ষোভকারী সংগঠন দাবি করেন রোববারের এ সমাবেশে ১৭ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। তবে হংকং সরকারের হিসেব অনুযায়ী এক লাখ ২৮ হাজারের মতো মানুষ এ বিক্ষোভে সমবেত হয়।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

 

ভারত-পাকিস্তান রাজি হলে কাশ্মীর ইস্যুতে আগ্রহী ট্রাম্প

ভারত-পাকিস্তান রাজি হলে কাশ্মীর ইস্যুতে আগ্রহী ট্রাম্প
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (মাঝে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

২৪ থেকে ২৬ আগস্ট ফ্রান্সের বিয়ারিৎসে অনুষ্ঠিত ৪৫ তম জি সেভেন সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখোমুখি হবেন। জানা গেছে, সেখানে ট্রাম্প কাশ্মীর নিয়ে যে আঞ্চলিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে মোদির পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের ওই বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে জানতে চাইবেন আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস ও কাশ্মীরে মানবাধিকার রক্ষা করতে ভারতের পরিকল্পনা। আমরা দুই দেশের মধ্যে বাকবিতণ্ডা বন্ধ করে শান্ত ও সংযমী থাকার আহ্বান জানিয়েছি। এছাড়া দুই দেশ একমত হলে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানকে "সহায়তা করতে প্রস্তুত" ট্রাম্প। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুই ভাগ করে ভারত। ওই দিন থেকে কার্যত অচলাবস্থার মধ্যে নিমজ্জিত হয় কাশ্মীর উপত্যকা। এরপর কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মধ্যস্থতা করার জন্য দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কাশ্মীর নিয়ে সতর্ক হয়ে কথা বলারও আহ্বান জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র