Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদে বাড়ি ফেরা: কতটা প্রস্তুত পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

ঈদে বাড়ি ফেরা: কতটা প্রস্তুত পরিবহন সংশ্লিষ্টরা
গাবতলী বাস টার্মিনাল, ছবি: বার্তা২৪.কম
তৌফিকুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ে বেশিরভাগ মানুষ। ঘরমুখী এই মানুষদের অধিকাংশই সড়ক পথ ব্যবহার করেন। ঈদে বিপুল সংখ্যক এই যাত্রীর চাপ সামাল দিতে প্রতিবছরের মতো এবারও নতুন-পুরাতনের সমন্বয়ে মাঠে নামবে বিশেষ বাস, এমনটাই বলছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে, গাড়ি সারাইয়ের কাজ করছেন শ্রমিকরা। গাড়ির ফিটনেসে নজর দিয়ে পুরাতন বাসগুলো রাস্তায় নামাতে সারানো হচ্ছে টুকটাক সমস্যাগুলোও।

বুধবার (১৫ মে) সকালে আন্তঃজেলা গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে ঈদ-কেন্দ্রিক প্রস্তুতির এসব চিত্র দেখা যায়।

ঢাকা জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আব্বাস উদ্দিন ঈদযাত্রার প্রস্তুতি সম্পর্কে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ বাস ট্রাক মালিক সমিতি ও ডিসি ট্রাফিক, ডিসি ক্রাইম যৌথভাবে মিটিং করেছি যাতে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। এ ব্যাপারে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। আমরা ২০ রোজা থেকে কমিউনিটি পুলিশসহ আমাদের নেতাকর্মীরা অবস্থান করবে এখানে। কোন টিকিট কালোবাজারি হবে না।'

ঈদে বাড়ি ফেরা: কতটা প্রস্তুত পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

বাংলাদেশের বাস-ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক দফতর সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ১৭ মে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ সমস্ত জায়গার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। প্রশাসনের সাথে মিটিং হয়েছে তারা তাদের যার যার এলাকায় যানজট মুক্ত রাখার চেষ্টা করবেন। আমরা আশাবাদী, এবার যানজট থাকবে না সড়কে। যাত্রীদের  ঈদযাত্রা ভালো হবে।'

পূর্বাশা পরিবহন এর ম্যানেজার মোঃ ইউসুফ আলী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'ধারাবাহিকভাবে আমরা যেভাবে গাড়ি ছাড়ি ঠিক সেভাবে গাড়ি চলবে। ঈদের জন্য আমাদের স্পেশাল গাড়ি থাকবে। সার্বিকভাবে যখন ঈদের সময় পিক আওয়ার হয়, এ সময় নবীনগর কালিয়াকৈরে যানজট সৃষ্টি হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এসব এই এলাকাই কাজ করে তাহলে মনে হয় কোন সমস্যা হবে না।'

ঈদে বাড়ি ফেরা: কতটা প্রস্তুত পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

জানতে চাইলে হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার বার্তা২৪.কম-কে কে বলেন, 'ঈদকে সামনে রেখে আমাদের সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাস্তাঘাট এবার মোটামুটি ভালই আছে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আনুষঙ্গিক কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে সে ক্ষেত্রে করার কিছু থাকবে না।'

যানজট প্রসঙ্গে শ্যামলী গাড়ির চালক সেলিম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'যানজট তো প্রতিদিন থাকে এবার ঈদেও হালকা-পাতলা থাকতে পারে। কারণ ফেরিঘাটের জ্যাম এটা তো সবসময়ই থাকে, এখনো আছে, তবে সেরকম একটা নাই। ঈদে সড়কে জ্যাম আরও বাড়তে পারে। এবার উত্তরবঙ্গে জ্যাম কম থাকতে পারে তবে দক্ষিণবঙ্গে জ্যাম বাড়তে পারে।'

সাধারণ যাত্রী সাদিয়া আফরিন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'ঈদযাত্রায় সড়কে যানজট যদি কমান যেত তাহলে আমরা জনগণ অনেক উপকৃত হতাম। যানজটের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের অনেক সমস্যা হয় অনেক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।'

ঈদে বাড়ি ফেরা: কতটা প্রস্তুত পরিবহন সংশ্লিষ্টরা

গ্রামীণ পরিবহনের গাড়ির চালক বার্তা২৪.কম-কে অভিযোগ করে বলেন, 'মহাসড়কের যানজট নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বাসের শিডিউল বিপর্যয় হতে পারে। ঈদের সময় গাড়ি যায় ৫০০০ হাজার, পুলিশ প্রশাসন থাকে ১০০০ হাজার, তাহলে সড়কে শৃঙ্খলা থাকবে কীভাবে। টাঙ্গাইলে যানজট বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কারণ সেখানে রাস্তার কাজ এখনো শেষ হয়নি।'

সাতক্ষীরাগামী এক যাত্রী আবদুল্লাহ আল মাসুম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'যে টিকিটের দাম ৪০০ টাকা ঈদ উপলক্ষে যে টিকিট ডাবল অর্থাৎ ৮০০ টাকা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিলে যাত্রী হয়রানি ও সড়কে ঈদযাত্রা ভালো হতো।'

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল থেকে গাবতলী ও কল্যাণপুরের বাস কাউন্টারগুলোতে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। টিকিট সংগ্রহ করতে কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের লম্বা লাইন দেখা গেছে। বিক্রি শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই ৩ জুনের টিকিট শেষ হয়ে গেছে বলেও জানা যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা গুরুত্বপূর্ণ দলিল

বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা গুরুত্বপূর্ণ দলিল
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন বিশ্লেষণ করে তার আদর্শ থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অকুতোভয়, অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে গেছেন। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন করা।’

রোববার (২৫ আগস্ট) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে গোপালগঞ্জ জেলা সমিতি ঢাকা আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস-২০১৯ উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন- সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির প্রধান সমন্বয়ক অ্যাড. মোল্লা মো. আবু কাওছার।

স্পিকার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনের প্রতিটি দিন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- তিনি মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তার সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল।’

স্পিকার আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর আপসহীন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারিতে ছিলেন। পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের পরতে পরতেই মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর অসামান্য ত্যাগ।’

তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আজীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপসহীন। তিনি অসীম সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতিকে উপহার দিয়েছেন স্বাধীনতা এবং সংবিধান।’

স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। বিশ্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সকল সূচকে উন্নয়নের রোলমডেল।’ এ সময় জাতির জনকের আদর্শকে ধারণ করে তারই স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় আত্মনিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য বাবু মুকুল বোস এবং নার্গিস রহমান এমপি বক্তব্য দেন।

পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

কাঁচা চামড়ার সঠিক প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের তাগিদ

কাঁচা চামড়ার সঠিক প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের তাগিদ
কাঁচা চামড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রফতানিযোগ্য চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের গুণগতমান বজায় রাখার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রক্রিয়াকরণ এবং সংরক্ষণের তাগিদ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রোববার (২৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দ্রুত এ নিয়ে একটি সভা করা হবে বলে জানানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রফতানির সম্ভাবনাময় চামড়া খাতের উন্নয়নে করণীয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর পরিবেশ অধিদফতর বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র