Alexa

হবিগঞ্জে প্ল্যাটফর্মে টং দোকান বসিয়ে দখল

হবিগঞ্জে প্ল্যাটফর্মে টং দোকান বসিয়ে দখল

হবিগঞ্জের মনতলা রেল স্টেশনে দোকান বসিয়ে প্লাটফর্ম দখল করেছেন অবৈধ দখলদারা, ছবি: বার্তা২৪

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা রেল স্টেশনটি এখন অবৈধ দখলদারদের কবলে| প্রতিদিনই দখল হচ্ছে রেলের জায়গা। এমনকি প্ল্যাটফর্মেও বসেছে অবৈধ টং দোকান। প্ল্যাটফর্মের ভেতরে বসার ও হাটা-চলার জায়গায় রাখা হয়েছে দোকানের মালামাল। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন  যাত্রীরা।

স্থানীয়রা জানায়, মাধবপুর উপজেলার মনতলা স্টেশন দিয়ে উপজেলার অন্তত ৩০-৪০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন। স্টেশনটিতে আন্তঃজেলা জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসসহ প্রতিদিন ৪টি ট্রেন ৮ বার যাত্রাবিরতি করে। অথচ এই স্টেশনটির প্ল্যাটফর্মে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি টং দোকান। আবার যাত্রীদের বসার ও হাটা-চলার জায়গায় দোকানের মালামাল রেখে সৃষ্টি করা হয়েছে প্রতিবন্ধকতা।

শুধু প্ল্যাটফর্মেই নয়, রেলেও বিভিন্ন জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে স্টেশন মাস্টার আব্দুল মন্নানের যোগসাজশে ও কমিশন দিয়েই গড়ে উঠেছে এসব দোকান। এতে রেল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা তনু মিয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে প্ল্যাটফর্মের ওপরে অবৈধভাবে টং দোকান বসিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ তাদের উচ্ছেদ করছে না।’

তিনি বলেন, ‘ট্রেন এলে যাত্রীদের মধ্যে তাড়াহুড়া লেগে যায় ট্রেনে উঠতে। এর মধ্যে এসব টং দোকান ও তাদের রাখা মালামালের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রী মো. রহমত আলী বার্তা২৪.কম-কে বলেন- ‘ব্যবসার সুবাধে আমি নিয়মিত ট্রেনে যাতাযাত করি। কিন্তু এই স্টেশনটির অবস্থা খুবই খারাপ। যেখানে সেখানে নিজেদের ইচ্ছেমতো দোকান বসিয়ে রেখেছে লোকজন। প্ল্যাটফর্মের ভেতরে ও হাটা চলার রাস্তায় রাখা হয়েছে মালামাল। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রেল কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে উল্টো তারাই আমাদের বিভিন্ন কথা শোনায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558076024877.jpg

এ ব্যাপারে স্টেশন মাস্টার আব্দুল মান্নান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমি অনেকবার তাদের এখান থেকে সরে যেতে বলেছি। এছাড়া চলাচলের রাস্তায় যেন মালামাল না রাখে সে জন্যও বলেছি। কিন্তু তারা আমার কথা শোনে  না।’

তিনি বলেন- ‘আমি আর একবার বলব, এরপরও যদি তারা না সড়ে তাহলে আমি প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।’

প্ল্যাটফর্মের ওপর বসানো টং দোকান থেকে কমিশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। আমি কোনো দোকান থেকে কমিশন নেই না।’

 

আপনার মতামত লিখুন :