Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঝিনাইদহে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

ঝিনাইদহে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
ঝিনাইদহে পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায় দুই শিশু, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝিনাইদহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পুটিয়া গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে পাঁচ বছর বয়সী ফাতেমা খাতুন ও চার বছর বয়সী মিম খাতুন নামের দুই শিশু পুকুরে ডুবে মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। মিম খাতুন ওই গ্রামের বজলু জোয়ার্দ্দার ও ফাতেমা খাতুন বাবলু জোয়ার্দ্দারের মেয়ে। মিম ও ফাতেমা সম্পর্কে চাচাতো বোন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির উঠোনে খেলা করছিল মিম ও ফাতেমা। সন্ধ্যায় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করতে থাকে। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুজি করেও পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে রাতে বাড়ির পাশের পুকুরে তাদের মৃতদেহ দেখতে পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় গলা কেটে গৃহবধূকে হত্যা

বগুড়ায় গলা কেটে গৃহবধূকে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার শিবগঞ্জে রওশন আরা (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যার পর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রওশন শিবগঞ্জ থানার রায়নগর ইউনিয়নের অনন্তবালা গ্রামের শাহ আলমের স্ত্রী।

জানা গেছে, শাহ আলমের একমাত্র ছেলে দুবাই থাকেন। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। স্ত্রীকে নিয়ে শাহ আলম গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন। রোববার বিকেলে শাহ আলম বাড়ির বাইরে যান। রাত ৮টার দিকে বাড়িতে ফিরে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে স্ত্রীকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে ঘরের মেঝেতে স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ রাত ৯টায় মরদেহ উদ্ধার করে।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কে বা কারা কি কারণে হত্যা করতে পারে সে বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’

পুলিশি হেফাজতে আসামির মৃত্যু

পুলিশি হেফাজতে আসামির মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

নাসিরনগরে পুলিশি হেফাজতে বাবুল মিয়া (৫৫) নামে এক ডাকাতি মামলার আসামির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

এর আগে দুপুরে একটি ডাকাতি মামলায় উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের কোয়রপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তবে মৃত বাবুল মিয়ার পরিবারের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। পুলিশ তাকে ছাড়িয়ে নিতে পরিবারের লোকজনের কাছে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেছিল।

পুলিশ জানায়, বাবুলের নামে একটি ডাকাতির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। পুলিশ দুপুরে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নেওয়ার পর বিকেল পৌনে ৬টার দিকে বাবুল মিয়া বুকে ব্যথা অনুভব করে। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তিনি কিছুটা সুস্থ অনুভব করলে থানায় নিয়ে আসা হয়। কিন্তু থানায় নিয়ে আসার পরে আবার অসুস্থ হন তিনি। এরপর ফের তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আএমও) শাহরিয়ার সোহেব জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন তিনি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

নিহতের ভাতিজা ছত্তার মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার চাচাকে গ্রেফতার করার সময় বারবার জিজ্ঞেস করেছি তার নামে থানায় কোনো মামলা আছে কিনা, তখন পুলিশ কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখাতে পারেনি। তাকে ছাড়ার জন্য পুলিশ ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ চেয়েছিল।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উৎকোচ নেয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র