Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার বুকে কলার বাম্পার ফলন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার বুকে কলার বাম্পার ফলন
কলার বাম্পার ফলন / ছবি: বার্তা২৪
মো.তারেক রহমান
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

ধু-ধু মরুভূমির পদ্মার বুকে কলার বাম্পার ফলন হয়েছে। জমিতে বসেই কলার ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। ফলনশীল অর্থকরী এই ফসলের সাফল্যে অনেকেই কলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

সম্প্রতি পাঁকা ইউনিয়নের পদ্মার চর বাবপুর বিশ্বাস পাড়া (সাবেক) ১নং বাঁধের কাছে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা গেছে। তবে সময়মত পানি পেলে আরও কলার আবাদ বাড়বে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

বাবুপুর এলাকার কলাচাষি হাবিবুর রহমান। কলেজে ভর্তি হয়ে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে আর কলেজে যাওয়া হয়নি। পরিবারের সদস্যদের কথায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে মনযোগ দেন কলা চাষে। নিজের জমি না থাকায় অন্যের এক বিঘা জমি ৮ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে কলা চাষ শুরু করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558085075154.jpg

ওই জমিতে মোট ৪০ হাজার টাকা খরচ করে কলা বিক্রি করেন প্রায় লাখ টাকার। প্রায় ৬ মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় হওয়ায় পাশে আরও তিন বিঘায় জমি লিজ নিয়ে কলা চাষ করেন। সেখানেও কলার বাম্পার ফলন হয়েছে। কলাগুলো উন্নত জাতের হওয়ায় কম সময়ের মধ্যে বড় ও মোটা হয়। ফলে দামও ভাল পাচ্ছেন। রোজার মাস হওয়ায় কলা বিক্রিতে অনেক দাম পাওয়া যাচ্ছে।

হাবিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, তার জমিতে কলার ফলন ভালো হওয়ায় পাশেই জমি লিজ নিয়ে কলা চাষ করছি ভোদন, সাকিম, সাইদুলসহ ছয় বন্ধু। তাদের জমিতেও কলার বাম্পার ফলন হয়েছে।

তার দাবি, পদ্মায় যদি সব সময় পানি পাওয়া যায়, তবে সব ধরনের ফসল ফলানো সম্ভব।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558085106155.jpg

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম আমিনুজ্জামান বলেন, ‘পদ্মার মাটিতে সব ফসল ফলানো সম্ভব। সেখানে পানির কিছুটা সমস্যা রয়েছে। কৃষি বিভাগ চেষ্টা করছে চাষিদের পানির সমস্যা নিরসনের।’

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, শিবগঞ্জ উপজেলায় মোট ১২০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে, দুর্লভপুর, শ্যামপুর, বিনোদপুর, মনাকষা, পাঁকা ও উজিপুর ইউনিয়নে।

আপনার মতামত লিখুন :

হেলে পড়া বিদ্যুতের খুঁটি বাঁশ দিয়ে রক্ষার চেষ্টা!

হেলে পড়া বিদ্যুতের খুঁটি বাঁশ দিয়ে রক্ষার চেষ্টা!
হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বাঁশের ঠেক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের রামগোপালপুর ইউনিয়নের বর্ধনপাড়া গ্রামে হেলে পড়া জরাজীর্ণ লোহার বৈদ্যুতিক খুঁটির পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঠেক দেওয়া হয়েছে। তবে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে বাঁশের খুঁটি শুকিয়ে যাওয়ায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ- দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংস্কার কিংবা নতুন খুঁটি স্থাপনে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের শিবপুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের পাশ দিয়ে শিবপুর-পুম্বাইল সড়কের মাঝামাঝি স্থানে বর্ধনপাড়া বাজার। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পিডিবি কার্যালয় থেকে এখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এই বাজারের সড়ক ঘেঁষে ও ফসলি জমিতে পিডিবির উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রয়েছে। কিন্তু সঞ্চালন লাইনের একাধিক লোহার খুঁটি মরচে পড়ে জরাজীর্ণ হয়ে যাওয়ায় এগুলো হেলে পড়েছে।

এই অবস্থায় বিদ্যুৎ বিভাগ হেলে পড়া লোহার খুঁটি রক্ষায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঠেক দিয়েছে। এদিকে লোহার খুঁটি হেলে পড়ায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তার নিচের দিকে ঝুলে পড়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎবিভাগ সঞ্চালন লাইন মেরামত না করে বাঁশের খুঁটি দিয়ে আশের পাশে গ্রামাঞ্চলের বাড়িঘরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সরবরাহ করেছে।

বর্ধনপাড়া গ্রামের কৃষকরা জানান, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ঝুলে পড়ার কারণে ঝুঁকি নিয়ে জমিতে চাষাবাদ করতে হয়। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়লে কিংবা সঞ্চালন লাইন ছিড়ে গেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দাবি- দ্রুত যেনো নতুন খুঁটি স্থাপন করে ঝুঁকিপূর্ণ সঞ্চালন লাইন সংস্কার করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ বিভাগ (বিদ্যুৎ) কার্যালয়ের প্রকৌশলী প্রশান্ত ধর বলেন, 'বর্ধনপাড়া গ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি সরিয়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ লাইন সংস্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।'

লাউ ফুলে লুকিয়ে রয়েছে কৃষকের স্বপ্ন

লাউ ফুলে লুকিয়ে রয়েছে কৃষকের স্বপ্ন
লাউ গাছে হলুদ রংয়ের ফুল ধরেছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চলছে শরৎ, আসছে শীত। কুয়াশা আচ্ছন্ন এই শীত বাজারে আসবে বাহারি জাতের সবজি। এর মধ্যে পাওয়া যাবে জনপ্রিয় সবজি লাউ। শীত মৌসুমে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে ইতোমধ্যে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় লাউ চাষ করা হয়েছে। সম্প্রতি সেই লাউগাছে দেখা দিয়েছে হলুদ রংয়ের ফুল। এ ফুলেই লুকিয়ে রয়েছে কৃষকদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন।

ধাপেরহাট এলাকার কৃষক শাহাদাত হোসেন জানান, শীতের সময় লাউ বিক্রির প্রস্তুতি নিয়ে এবার ৩০ শতক জমিতে লাউ চাষ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে মাটির নিচে বপন করা হয়েছিল লাউ বীজ। এরপর মাটি ফেটে বের হয়েছে লাউগাছ।

চিকন-পাতলা খুঁটি বেয়ে লাউ গাছগুলো ধীরে ধীরে মাচায় (জাঙ্গলায়) উঠেছে। এসব গাছে দেখা দিয়েছে হলুদ রংয়ের ফুল। মাস খানেক পর ওই ফুল থেকেই লাউ হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি বিঘা জমিতে লাউ চাষে খরচ হয় ১০-১২ হাজার টাকা। সম্ভাব্য দাম পাওয়া গেলে প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করা সম্ভব। শুধু লাউ নয়, এর ডগা ও পাতাগুলোও বাজারে বিক্রি করা হয়।’

আরেক কৃষক এন্তাজ আলী বলেন, ‘এখনকার বাজারে সারা বছরই লাউ পাওয়া যায়। তবে সেইসব লাউ সুস্বাদু না হওয়ায় ত্রেতা চাহিদা অনেক কম। শীতকালীন লাউ সবার কাছেই প্রিয় খাবার। এই লাউয়ের ক্রেতা চাহিদা অনেক অনেক বেশি। তাই শীত মৌসুমে লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হওয়া যায়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘শীতকালীন সবজি হিসেবে কৃষকরা ইতোমধ্যে লাউ চাষ শুরু করেছে। মাসখানেক পরই বাজারে পাওয়া যাবে লাউ। মানুষের প্রিয় সবজি লাউ। এই সবজি সহজে হজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ফলে এর চাহিদা অনেক বেশি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র