Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বান্দরবানে গোলা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২, আহত ১০

বান্দরবানে গোলা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২, আহত ১০
বান্দরবানে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ অঞ্চলে গোলা বিস্ফোরণে আহত সেনা সদস্যদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বান্দরবান


  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানের হলুদিয়ায় সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ রেঞ্জে পরিত্যক্ত গোলা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১০ সেনাবাহিনী সদস্য আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ মে) দুপুরে  এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবান সদর উপজেলার সূয়ালক ইউনিয়নের হলুদিয়ায় সেনাবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে (প্রশিক্ষণ এলাকায়) প্রশিক্ষণের সময় নিক্ষেপ করা অবিস্ফোরিত পরিত্যক্ত একটি গোলা বিস্ফোরিত হয়। এতে দুই সেনা সদস্য মারা যায়। এদের মধ্যে জাহেদুল ইসলাম (২৯) বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে এবং নিপুন চাকমা (২৮) হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে নেয়ার পথে মারা যায়।

নিহত সৈনিকেরা কুমিল্লা ১৬ প্যারা ব্যাটেলিয়ানের সদস্য।   

এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর আরও ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন সেনা সদস্য মোস্তাফিজ, রাজু, হাসান, আরিফ এবং তারিকুল। অন্যদের নাম পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিস্ফোরণে হতাহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রামের বায়তুল ইজ্জত বর্ডার গার্ড বিজিবি হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়।

এদিকে ঘটনাস্থলে নিহত সৈনিকের মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্যাটেলিয়ান কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান।

সেনাবাহিনীর ৬৯ রিজিয়নের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকদিনের মধ্যে ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর নতুনভাবে প্রশিক্ষণ শুরুর কথা রয়েছে। প্রশিক্ষণের জন্য সংরক্ষিত ফায়ারিং অঞ্চলের ঝাড়-জঙ্গল এবং আগাছা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

এ সময় পূর্বে প্রশিক্ষণ চলাকালে নিক্ষেপ করা পরিত্যক্ত অবিস্ফোরিত একটি গোলা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে দুই  সেনা সদস্য মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরও ১০ জন সেনা সদস্য আহত হন।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, হলুদিয়ায় সেনবাহিনীর প্রশিক্ষণ এলাকায় পরিত্যক্ত গোলা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই সেনা সদস্য মারা গেছেন। আরও বেশকয়েকজন সেনা সদস্য আহত হয়েছে। হতাহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

হাতকড়া না পরানোয় ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

হাতকড়া না পরানোয় ৫ পুলিশ প্রত্যাহার
ছবি: প্রতীকী

বাগেরহাটে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে কোর্ট পুলিশের পাঁচ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ওই কোর্ট পুলিশের পাঁচ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

ওই পুলিশ সদস্যরা হলেন- কোর্ট পুলিশের দুইজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, পুলিশ কনস্টেবল (সদস্য) রঞ্জিত, আবুল হোসেন ও আব্দুস সোবাহান।

জানা গেছে, ১১০ কোটি টাকা পাচার মামলার আসামি বাগেরহাটের নিউ বসুন্ধরা রিয়েল স্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল মান্নান তালুকদারকে কারাগারে নেয়ার পথে হাতে হাতকড়া না পরানো ও প্রিজনভ্যানে না নিয়ে আসামির ব্যক্তিগত গাড়িতে করে জেলা কারাগারের ফটকে পৌঁছে দেয় ওই পাঁচ কোর্ট পুলিশ। এ কারণে তাদের প্রত্যাহার করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়। মঙ্গলবার বাগেরহাট আদালত থেকে তাদের প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, বাগেরহাট আদালতে দায়িত্বে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন না করে কর্তব্য কাজে অবহেলা করেছেন। তাই আদালতে কর্মরত ওই পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাগেরহাটের নিউ বসুন্ধরা রিয়েল স্টেটের ব্যবস্থাপনা এমডি আব্দুল মান্নান তালুকদার দুদকের করা ১১০ কোটি টাকা পাচারের একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর আব্দুল মান্নান তালুকদারকে কারাগারে নেয়ার পথে হাতে হাতকড়া না পরানো এবং পুলিশের প্রিজনভ্যান ছাড়া আসামির ব্যক্তিগত গাড়িতে করে জেলা-কারাগারের ফটকে পৌঁছে দেয় ওই পাঁচ কোর্ট পুলিশ।

সিলেটের চার জেলার বন্যা পরিদর্শনে যাচ্ছেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

সিলেটের চার জেলার বন্যা পরিদর্শনে যাচ্ছেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

সিলেটের চার জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী একে এম এনামুল হক শামীম। তাদের সঙ্গে আসছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল। এছাড়াও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা থাকবেন।

আগামী ১৭ ও ১৮ জুলাই সিলেটের চার জেলায় বন্যা কবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন এবং ত্রাণ বিতরণ করবেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান। তিনি বলেন, ‘দুই মন্ত্রীর সঙ্গে সচিব, আঞ্চলিক উপপরিচালকসহ (ডিডি) গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা থাকবেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563283924368.jpg

১৭ জুলাই বুধবার ঢাকা থেকে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন তারা। ওইদিন সকালে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করবেন। পরে বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার বিভিন্ন বন্যা কবলিত স্থান পরিদর্শন এবং ত্রাণ বিতরণ করবেন। একই দিন সন্ধ্যায় সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে রাত ৮টার দিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ওইদিন সিলেট সার্কিট হাউজে রাত্রীযাপন করবেন তারা।

পরদিন ১৮ জুলাই সিলেট থেকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র