Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফাইনাল তাহলে ২০ ওভারের হচ্ছে, নাকি হচ্ছে না?

ফাইনাল তাহলে ২০ ওভারের হচ্ছে, নাকি হচ্ছে না?
ডাবলিনের আকাশ ঝলমলে, কোন বৃষ্টি নেই
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বৃষ্টি নেমেছিলো আয়ারল্যান্ড সময় ১২.১৩ মিনিটে। সেই বৃষ্টির তোড়ে তিনজাতি ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার যোগাড়। এই রিপোর্ট লেখার সময় ডাবলিনের ঘড়িতে বাজছিলো বিকেল ৪টা ৩৩ মিনিট। এর মধ্যে কয়েকবার বৃষ্টি থেমেছে। আবার ঝরেছে। সর্বশেষ এই বিকেলের সময় ডাবলিনের আকাশ ঝলমলে। কোন বৃষ্টি নেই। আম্পায়াররা আরো ৪৫ মিনিট পর মাঠ পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করবেন। খেলার জন্য মাঠ উপযুক্ত কিনা সেটা তারা দেখবেন। যদি দেখেন মাঠ উপযুক্ত, তাহলে ফাইনাল ম্যাচের ওভার কমিয়ে আনা হবে ২০ ওভারে। অর্থাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর তখন ব্যাট করবে না। বাংলাদেশকে ২০ ওভার ব্যাট করতে হবে। সেক্ষেত্রে ২০ ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য সম্ভাব্য টার্গেট হবে ২০০ রানের ওপরে!

ক্রিকেটের বৃষ্টি আইন ডার্কওয়ার্থ লুইস মেথেড যে তাই বলছে! যখন বৃষ্টি নামে তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর তখন কোনো ক্ষতি ছাড়া ২০.১ ওভারে ১৩১ রান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558107955985.jpg

তবে প্রশ্ন হলো বৃষ্টিতে ভেজা এই মাঠে খেলাটা ঠিক হবে কিনা। সামনে বিশ্বকাপ তার আগে বৃষ্টিতে পিচ্ছিল মাঠে খেললে ক্রিকেটারদের আহত হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। তবে এক্ষেত্রে দু’দলের কোনো কিছু করার নেই। চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড। মাঠ যদি সত্যিই  ভেজা থাকে এবং এখানে খেললে ক্রিকেটাররা দুর্ঘটনায় পড়তে পারেন-এমন আশঙ্কার ছিঁটেফোটা থাকলেও তিনি ম্যাচ বাতিল করবেন।

আগেই জানা, ফাইনালের কোনো রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। তাই ফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল হলে গ্রুপ পর্যায়ে বেশি ম্যাচ জেতার কারণে বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হবে। টুর্নামেন্টের বাইলজ সেভাবেই তৈরি করা।

আপনার মতামত লিখুন :

শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনার টেস্ট জিতলো ইংল্যান্ড! নায়ক বেন স্টোকস

শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনার টেস্ট জিতলো ইংল্যান্ড! নায়ক বেন স্টোকস
ইংল্যান্ডের নাটকীয় জয়ের নায়ক বেন স্টোকস

আহ্ টেস্ট ম্যাচ! কি দুর্দান্ত ম্যাচ! টান টান লড়াই! ব্যাট-বলের জমাট লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতলো ইংল্যান্ড। তাও আবার মাত্র ১ উইকেটে! ন্যূনতম ব্যবধানে ইংল্যান্ডের এই জয়ই জানান দিচ্ছে কি দারুণ জমেছিলো এই ম্যাচ!

জয়ের জন্য ইংল্যান্ড শেষ রান না নেয়া পর্যন্ত বোঝাই যাচ্ছিলো না এই টেস্ট কে জিতবে- ইংল্যান্ড নাকি অস্ট্রেলিয়া?

বেন স্টোকসের ব্যাটে সব সন্দেহ, দ্বিধা দুর করে ইংল্যান্ড জিতলো তাদের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক ম্যাচ। স্টোকসের অপরাজিত ১৩৫ রানের ইনিংস হেডিংলির মাঠে ইয়ান বোথামের ১৯৮১ সালের অ্যাশজের হার না মানা ১৪৯ রানের সেই ম্যাচ জয়ী ইনিংসের কথাই মনে করিয়ে দিলো। বোথামের মতো এই টেস্টও পুরোপুরি একা হাতে ইংল্যান্ডকে জেতালেন বেন স্টোকস।

শেষ উইকেটে হার না মানা ৭৬ রানের ইংল্যান্ডের অবিশ্বাস্য জুটিই সব হিসেবের সমাধান করে দিলো। এই ৭৬ রানের মধ্যে মাত্র ১ রান করলেন শেষ ব্যাটসম্যান জ্যাক লিচ। বাকি সব স্টোকের কৃতিত্ব।

ম্যাচ জিততে শেষ ইনিংসে ইংল্যান্ডের সামনে টার্গেট ছিলো ৩৫৯ রানের। শেষ ইনিংসে এরচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড আছে ইংল্যান্ডের। কিন্তু সেই ম্যাচ তারা জিততে পারেনি। ড্র করেছিলো। এই প্রথম চতুর্থ ইনিংসে এতো বেশি রান তাড়া করে ম্যাচ জিতলো ইংল্যান্ড। তাও আবার যে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তারা গুটিয়ে গিয়েছিলো ৬৭ রানে!

হোঁচট খেয়েও কিভাবে উঠে দাঁড়াতে হয়? কিভাবে ফিরে আসতে হয়? কিভাবে প্রায় শূন্য অবস্থান থেকে জিততে হয়? সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলো ইংল্যান্ড হেডিংলি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে।

১১ বাউন্ডারি ও ৮ ছক্কায় ২১৯ বলে বেন স্টোকসের হার না মানা ১৩৫ রান অ্যাশেজের ইতিহাসে সেরা ইনিংসের একটি হয়ে রইলো। এই জয়ের সুবাদে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এখন ১-১ ড্র। সিরিজের চতুর্থ টেস্ট শুরু হবে ৪ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্রাফোর্ডে।

চতুর্থদিনে জস বাটলার আউট হওয়ার পর এই ম্যাচের পাল্লা অস্ট্রেলিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে। দলের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে স্টুয়ার্ট ব্রড যখন আউট হলেন তখন ইংল্যান্ডের স্কোর ২৮৬ রান। ম্যাচ জিততে তখনো তাদের চাই ৭৩ রান। প্রায় অসম্ভব সেই কাজ শেষ উইকেটে করে ফেললো ইংল্যান্ড। আসলে বলা উচিত করে দিলেন বেন স্টোকস। একপ্রান্ত আঁকড়ে রেখে অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যানকে বাঁচিয়ে খেলার যে দুর্দান্ত ব্যাটসম্যানশিপ উপহার দিলেন বেন স্টোকস এই টেস্টে-তা হেডিংলির দর্শকরা অনেক অনেকদিন মনে রাখবে।

শেষের দিকে এসে অবশ্য কিছুটা ভাগ্যেরও সহায়তা পায় ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য ১৭ রান দুরে থাকতে বেন স্টোকের ক্যাচ মিস করেন মার্কাস লাবুসানে। ইংল্যান্ড যখন জয় থেকে ৯ রান দুরে তখন নাথান লায়নের এক ওভারে জোড়া আফসোসে মন ভাঙ্গলো অস্ট্রেলিয়ার। জ্যাক লিচকে রান আউটের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন নাথান লায়ন। পরের বলেই বেন স্টোকস এলবিডব্লু ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার তাতে সম্মত হলেন না। অস্ট্রেলিয়া তাদের রিভিউ আগেই নষ্ট করে ফেলেছে! রিপ্লেতে পরিস্কার দেখা গেলো বেন স্টোকস এলবি। কিন্তু রিভিউ যে নেই!

শেষের এই টেনশনের মধ্যে কামিন্সের বলে এক রান নিয়ে স্কোর সমান করে দিলেন লিচ। সম্ভবত তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মুল্যবান সিঙ্গেল রান নিলেন লিচ। পরের বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বেন স্টোকস ইংল্যান্ডকে এনে দিলেন অবিস্মরণীয় এক জয়!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিং: ১৭৯/১০ (৫২.১, ওয়ার্নার ৬১, লাবুসচাঙ্গে ৭৪, পাইন ১১, আর্চার ৬/৪৫, ব্রড ২/৩২)। দ্বিতীয় ইনিংস: ২৪৬/১০ (৭৫.২ ওভারে, খাজা ২৩, লাবুশানে ৮০, হেড ২৫, ওয়েড ৩৩, স্টোকস ৩/৫৬, আর্চার ২/৪০, ব্রড ২/৫২)।
ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৬৭/১০ (২৭.৫ ওভারে, জো ডেনলি ১২, হ্যাজেলউড ৫/৩০, কামিন্স ৩/২৩, প্যাটিসন ২/৯)। দ্বিতীয় ইনিংসে: ৩৬২/৯ (১২৫.৪ ওভারে, জো রুট ৭৭, জো ডেনলি ৫০, বেয়ারস্টো ৩৬, স্টোকস ১৩৫*, হ্যাজেলউড ৪/৮৫)। ফল: ইংল্যান্ড ১ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: বেন স্টোকস।

আগুয়েরো ম্যাজিকে সিটির জয়

আগুয়েরো ম্যাজিকে সিটির জয়
ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলের পর আগুয়েরোর বিশেষ উদযাপন, ছবি: সংগৃহীত

সার্জিও আগুয়েরোর জোড়া গোলে এফসি বোর্নমাউথকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

ভিটালিটি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৫তম মিনিটেই আগুয়েরোর গোলে এগিয়ে যায় কোচ পেপ গার্দিওলার সিটি। ৪৩তম মিনিটে গোল ব্যবধান ২-০ তে নিয়ে যান অতিথি দলের তারকা প্লেমেকা রাহিম স্টারলিং।

প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে (৪৫+৩ মিনিটে) বোর্নমাউথের হয়ে একটি গোল শোধ করেন হ্যারি উইলসন।

বোর্নমাউথের মাঠে ৬৪তম মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন তারকা স্ট্রাইকার আগুয়েরো।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র