Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঝড়-বজ্রপাতে সারাদেশে ৮ জন নিহত

ঝড়-বজ্রপাতে সারাদেশে ৮ জন নিহত
ছবি: বার্তা২৪
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বৃষ্টিসহ ঝড়ো বাতাস ও বজ্রপাতে সারাদেশে আটজন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে কমপক্ষে ২১ জন। শুক্রবার (১৭ মে) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ ও নওঁগায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ঝড়ের বাতাসে রাজধানীর গুলিস্থানের বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে একটি অস্থায়ী প্যান্ডেল ভেঙে শফিকুল ইসলাম (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্ততপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ মে) রাত ৮টায় বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মিশু বিশ্বাস।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558112097251.jpg

অপরদিকে ঝড়ের কবলে দেয়াল ধসে উত্তর বাড্ডায় দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফা বার্তা২৪. কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাজশাহী

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে রাজশাহীর বানেশ্বর বাজারে ঝড়ের তাণ্ডবে মাথায় ইট পড়ে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সোবহান সরকার (৬৫) নিহত হয়েছেন। নিহত আব্দুস সোবহান পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে জানান, আব্দুস সোবহান বিকেলে বানেশ্বর বাজারে তার নিজের আমের আড়তে বসেছিলেন। ঝড় শুরু হলে হঠাৎ উপরের ভবন থেকে একটি ইট খসে তার মাথায় পড়ে। এতে গুরুতর জখম হন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558112142169.jpg

তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলেও জানান ওসি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকায় বজ্রপাতে ধানকাটা দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন।

নিহতরা হলেন- শ্রীরামপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে মোশাররফ হোসেন (৩৫) ও মৃত হযরত আলীর ছেলে রেজাবুল হক (৪০)। এ সময় হজরত আলী নামে আরও একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/17/1558112162002.jpg

বালিয়াডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম জানান, শ্রীরামপুর এলাকায় কয়েকজন শ্রমিক জমিতে ধান কাটছিলেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই শ্রমিক মোশাররফ হোসেন ও রেজাবুল হক মারা যান। এ সময় হজরত আলী আহত হন।

নওগাঁ

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নওগাঁর পোরশা উপজেলার গানুইর গ্রামে মালিপুকুর মাঠে বজ্রপাতে দুই ধানকাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের গানুইর গ্রামের আজাদ হোসেনের ছেলে শফিনুর রহমান বিষু (৩২) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার পিঠাইল গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে হাসান আলী (৩০)।

পোরশা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বজ্রপাতে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

আরএমপি-জেলা পরিষদ দ্বন্দ্বে দুই মন্ত্রণালয়ের কমিটি

আরএমপি-জেলা পরিষদ দ্বন্দ্বে দুই মন্ত্রণালয়ের কমিটি
জেলা পরিষদের জমিতে আরএমপির নির্মাণাধীন সদর দফতর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে পাঁচ দশমিক ৯৫ একর জমি নিয়ে ছিল জেলা পরিষদের ডাকবাংলো। এর মধ্যে জমির পশ্চিম দিক থেকে এক দশমিক ৩৯ একর রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপির) কাছে বিক্রি করে জেলা পরিষদ। আর পূর্বের অংশের ডাকবাংলো ভাড়া নিয়ে চলছিল আরএমপি সদর দফতরের কার্যক্রম। কিন্তু এখন পুরো জমিটিই দখলে নিয়েছে আরএমপি।

সেখানে এখন আরএমপির স্থায়ী সদর দফতরের ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। এজন্য জেলা পরিষদের পুরনো ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলোটিও ভেঙে ফেলা হয়েছে। চলতি বছরের ৬ মে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব সহ সকল সদস্য আরএমপি কমিশনার হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে দেখা করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।

কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে কাজ বন্ধ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি মন্ত্রণালয় পর্যন্ত গড়িয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জেলা পরিষদ ও আরএমপির জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. নূর-উর-রহমানকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের গঠন করে দেওয়া এই কমিটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাপ-জোখ করে জমির সীমানা নির্ধারণ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন এমন একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব আজীজ হায়দার ভুঁইয়া, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইফফাত আরা মাহমুদ ও আরিফুল ইসলাম খান, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক শাহাব উদ্দীন, উপ-মহাপরিদর্শক আবু হাসান মাহমুদ, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, আরএমপি কমিশনার হুমায়ুন কবীর, স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহীর পরিচালক শ্যাম কিশোর রায় প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোটি পুলিশ ভাড়ায় ব্যবহার করত। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ভাড়া পরিশোধ করে আরএমপি। পরবর্তীতে আর ভাড়া প্রদান করা হয়নি। তবে জেলা পরিষদের পাঁচ দশমিক ৯৫ একর জমি থেকে এক দশমিক ৩৯ একর জমি কেনার পর বাকি জমিটুকুও বিক্রির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল।

কিন্তু তখন জেলা পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকার কারণে জমি বিক্রি করা যায়নি। ঐ সময় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নির্বাচিত চেয়ারম্যান আসার পর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে। পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান এলেও পুলিশের কাছে জমি বিক্রি করা হয়নি। কিন্তু তারপরও জেলা পরিষদের জমি দখল করে এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আরএমপির স্থায়ী সদর দফতর নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে।

জানা যায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে আরএমপি জেলা পরিষদের জায়গা দখল করে ডাকবাংলোর সামনে প্রধান ফটক নির্মাণের কাজ শুরু করে। তখনও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ ঠিকই সেই প্রধান ফটক নির্মাণ করেছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৭ জুলাই জেলা পরিষদ আরএমপির কাছে বিক্রি করে দেওয়া জমির সীমানা বুঝিয়ে দেয়। তখন সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়। এই বিক্রি করা জমির মধ্যে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর পাঁচ শতাংশ পড়েছিল। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পর ভাড়া প্রদান না করেই পুলিশ পুরো ডাকবাংলোটি অবৈধভাবে দখলে রাখে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডাকবাংলোটি ভাঙতে শুরু করে।

এ নিয়ে ঐ বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এবং ১৮ মার্চ দুটি চিঠি দেয় জেলা পরিষদ। কিন্তু তারপরেও ডাকবাংলো ভাঙা বন্ধ করা হয়নি। বরং পুরো জমিটিই দখলে নিয়ে আরএমপির সদর দফতর নির্মাণের কাজ চলছে।

জানতে চাইলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘চিঠিতে কাজ না হওয়ায় আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানাই। তিনি বলেছিলেন- রাজশাহীতে নতুন এসেছেন, জমির বিষয়ে কিছুই জানেন না। খোঁজ-খবর নিয়ে এ বিষয়টির সমাধান করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমাধান হয়নি। তবে এখন জমির সীমানা নির্ধারণে একটি কমিটি হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই উদ্ভুত সমস্যার সমাধান হবে।’

আরএমপির মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘জেলা পরিষদের কাছ থেকে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে যে অংশটুকু ক্রয় করা হয়েছে, সেই অংশটুকুই ভাঙা হয়েছে। আর এখন যেহেতু আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বিষয়টি গেছে। তারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করব।’

বর্ষায় শান্ত পদ্মা ফুঁসে উঠছে শরতে

বর্ষায় শান্ত পদ্মা ফুঁসে উঠছে শরতে
রাজশাহী পয়েন্টে পানি বাড়ছে পদ্মায়

এবারের বর্ষায় খুব একটা পানি না বাড়লেও শরতের শুরুতে ফুঁসে উঠছে স্রোতস্বিনী পদ্মা। উজান থেকে ধেয়ে আসা পানিতে পদ্মা ফুলে-ফেঁপে উঠছে রাজশাহী পয়েন্টে। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৪ সেন্টিমিটার পানি বাড়ছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিপদসীমার মাত্র ২ দশমিক ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল পদ্মা।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, এবারের মৌসুমে বিলম্বিত বৃষ্টিপাত চলছে। আর আবহাওয়ার এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পানি কখনও কখনও বাড়বে কখনও কমবে। তাই এখনই উৎকণ্ঠিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহী পয়েন্টে পদ্মায় পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার। প্রতিদিনই পদ্মায় পানি বাড়ছে, আগামী কয়েকদিন আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপদসীমা ১৮ দশমিক ৫০ মিটার। বর্তমানে বিপদসীমার ২ দশমিক ৯৮ মিটার নিচ দিয়ে পদ্মার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566609639573.jpg

এনামুল হক আরও জানান, বিগত ১৭ বছরে রাজশাহীতে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমা (১৮.৫০) অতিক্রম করেছে মাত্র দুই বার। এর মধ্যে ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বছর রাজশাহীতে পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। কেবল ২০০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে পদ্মার সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ১৮ দশমিক ৮৫ মিটার। এরপর ২০১৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে পদ্মা বিপদসীমা অতিক্রম করেছিল। ওই বছর পদ্মার উচ্চতা দাঁড়িয়েছিল ১৮ দশমিক ৭০মিটার। এরপর পানি বাড়লেও আর এই রেকর্ড ভাঙেনি।

বিকেলে রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধ ঘুরে দেখা গেছে, নদীতে স্রোত বইতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে রাজশাহী মহানগরীর বুলনপুর থেকে নবগঙ্গা পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় একটু একটু করে পানি শহররক্ষা বাঁধ ছুঁতে শুরু করেছে। পানি বাড়ায় মহানগরীর বস্তি এলাকার মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

এদিকে, নগরীর জিয়ানগরে নদীপাড় থেকে প্রায় ৩শ’ মিটার উত্তরে নির্মাণ হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি’। গত বছরের ভাঙনে পাড়ের কিছু অংশ পড়েছিল। আবার যে হারে পানি বাড়ছে তাতে সেখানকার কাজও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নতুন করে পানি বাড়ায় হুমকির মুখে পড়তে পারে মহানগরীর শ্রীরামপুরের টি-বাঁধ এলাকা। ২০১৭ সালে ফাটল দেখা দেওয়ার পর জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো হয়েছিল এই বাঁধের। গত বছরও জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে এখানে। পানির প্রবাহ ও স্রোতের গতিবেগে দেখে এবারও সেখানে ভাঙনের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566609681769.jpg
তবে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম বলেন, গত ২ জুলাই রাজশাহীতে পদ্মার পানি হঠাৎ ১০ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর থেকে পানি আবার কমতে শুরু করে। তবে ৭ জুলাই থেকে পানি আবার বাড়তে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, সবশেষ ২০ জুলাই পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা হয় ১৫ দশমিক ৮৬ মিটার। তারপর থেকে পানি একটু একটু করে কমতে শুরু করে। কিন্তু বর্তমানে পদ্মায় পানির যেই প্রবাহ, তা দেখে ধারণা করা হচ্ছে পানি বাড়ার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। পুরো সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পদ্মার পানি কখনও বাড়বে আবার কখনও কমবে। তবে বিপদসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা এখনও কম।

প্রকৌশলী সাহিদুল আলম দাবি করেন, মহানগরীর পশ্চিমাংশে বুলনপুর থেকে পবার সোনাইকান্দি পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার বাঁধ সংরক্ষণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই বাঁধ নিয়ে নগরবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র