Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ট্রেনে ১৭০ টাকায় সেহরি

ট্রেনে ১৭০ টাকায় সেহরি
ছবি: বার্তা২৪
ফরহাদুজ্জামান ফারুক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর এক্সপ্রেসে ঢাকা যাচ্ছিলেন তোফায়েল, মাহমুদ ও শিপন। রংপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার পর তিনজনই মজেন আড্ডায়। ঘড়ির কাটায় তখন রাত পৌনে ৯টা।

গল্পে গল্পে তাদের কেটে যায় ছয় ঘণ্টা। সময় হয় সেহরির। এ সময় খাবারের খোঁজ করতেই দায়িত্বে থাকা কর্মচারী জানান, সেহরিতে প্যাকেজ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে ট্রেনে। মূল্য ১৭০ টাকা। প্যাকেজে আছে- ভাত, ডাল, আলু ভর্তা, পটল ভাজি আর মুরগির মাংসের তরকারি।

ট্রেনে সেহরি

চলন্ত ট্রেনে তোফায়েল-শিপনদের মত অন্যরাও সেহরিব প্রস্ততি নিচ্ছিলেন। ট্রেনে সেহরি করার পরিবেশটা খুব জুতসই না হলেও খাবারের মান নিয়ে কারও তেমন অভিযোগ ছিল না। তবে দামে আপত্তি থাকায় অনেকে বাসা আনা খাবারে সেহরি সারেন।

ট্রেনে সেহরি সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী কায়সার আহমেদ বার্তা২৪.কমকে জানান, রংপুর এক্সপ্রেসে ১২টি বগিতে তার মতো ১৫ জন খাবার বিতরণ করেনে। সেহরির খাবার ভালো মানের হওয়ায় রোজাদারদের অনেকেই ট্রেনে খাবার খেয়ে থাকেন। এই খাবার কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তিবদ্ধ শরিফ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট রেলওয়ে ক্যাটাররাস থেকে সরবরাহ করা হয়। দাম নিয়ে কারো কারো আপত্তি থাকলেও মান ভালো।

ট্রেনে সেহরি

একটু আগ বাড়িয়ে তোফায়েল, মাহমুদ আর শিপনের সাথে কথা বলে জানা গেল তারা তিনজনই সংবাদকর্মী। গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও নীলফামারী থেকে রংপুরে এসে একত্রিত হয়েছেন তারা। সেহরি খেয়ে তারা বললেন, খাবারের মান ভালো, তবে দাম বেশি।

দেখতে দেখতে ঘড়ির কাটায় সোয়া ৩টা। রংপুর এক্সপ্রেস অনেকগুলো স্টেশনকে পেছনে ফেলে ছুটছে আর ছুটছে। গন্তব্য ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন।

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা গুরুত্বপূর্ণ দলিল

বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা গুরুত্বপূর্ণ দলিল
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন বিশ্লেষণ করে তার আদর্শ থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অকুতোভয়, অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধু আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে গেছেন। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন করা।’

রোববার (২৫ আগস্ট) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে গোপালগঞ্জ জেলা সমিতি ঢাকা আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস-২০১৯ উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন- সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির প্রধান সমন্বয়ক অ্যাড. মোল্লা মো. আবু কাওছার।

স্পিকার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনের প্রতিটি দিন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- তিনি মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন এবং বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তার সংগ্রামী জীবনের দিনপঞ্জিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল।’

স্পিকার আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর আপসহীন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারিতে ছিলেন। পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের পরতে পরতেই মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর অসামান্য ত্যাগ।’

তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আজীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপসহীন। তিনি অসীম সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতিকে উপহার দিয়েছেন স্বাধীনতা এবং সংবিধান।’

স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। বিশ্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সকল সূচকে উন্নয়নের রোলমডেল।’ এ সময় জাতির জনকের আদর্শকে ধারণ করে তারই স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় আত্মনিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য বাবু মুকুল বোস এবং নার্গিস রহমান এমপি বক্তব্য দেন।

পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

কাঁচা চামড়ার সঠিক প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের তাগিদ

কাঁচা চামড়ার সঠিক প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের তাগিদ
কাঁচা চামড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রফতানিযোগ্য চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের গুণগতমান বজায় রাখার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রক্রিয়াকরণ এবং সংরক্ষণের তাগিদ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রোববার (২৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দ্রুত এ নিয়ে একটি সভা করা হবে বলে জানানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রফতানির সম্ভাবনাময় চামড়া খাতের উন্নয়নে করণীয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর পরিবেশ অধিদফতর বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র