Alexa

একটুখানি কিমা পোলাও!

একটুখানি কিমা পোলাও!

কিমা পোলাও, ছবি: সংগৃহীত

পোলাও তো হরহামেশাই রাঁধা হচ্ছে, এবারে রাঁধুন কিমা পোলাও।

কিমা পরোটা খাওয়া হলেও, কিমা পোলাও খাওয়া হয়নি নিশ্চয়। পোলাও ও মাংসের সংমিশ্রণে মজাদার এই পোলাও অন্য কোন তরকারি ছাড়াই খাওয়া যাবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পোলাও কিংবা খিচুড়ি রান্না করা হয় প্রায় সব বাসাতেই। কিন্তু কিমা পোলাও পাওয়া যাবে না কোথাও। আজ রাতের মেন্যুতে ভিন্ন ঘরানার রেসিপি রাখতে চাইলে কিমা পোলাও হবে সবচেয়ে দারুণ একটি খাবার।

কিমা পোলাও তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/14/1560508380407.JPG

১. এক কাপ বাসমতি চাল।

২. দুই কাপ পানি (চাল রাঁধতে যতটুকু পানি প্রয়োজন)।

৩. তিন টেবিল চামচ সরিষার তেল।

৪. দুইটি বড় তেজপাতা।

৫. দুই ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি।

৬. চারটি লবঙ্গ।

৭. ৩/৪ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ গোটা জিরা।

৯. এক টেবিল চামচ ধনিয়া।

১০. আধা চা চামচ মৌরি।

১১. আধা চা চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

১২. দুই চা চামচ মরিচের গুঁড়া।

১৩. দুই টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা।

১৪. এক কাপ টমেটো কুঁচি।

১৫. আধা কেজি গরুর মাংস কুঁচি।

১৬. দুইটি বড় আলু চার টুকরা করে কাটা।

১৭. ১০-১২টি ফ্রেশ পুদিনা পাতা কুঁচি।

১৮. লবণ স্বাদমতো।

কিমা পোলাও যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/14/1560508399821.JPG

১. পোলাওয়ের চাল ধুয়ে পানি ঝরাতে রেখে দিতে হবে এবং মৌরি, জিরা, ধনিয়া ও কালো গোলমরিচ একসাথে পিষে গুঁড়া তৈরি করে নিতে হবে।

২. কড়াইতে উচ্চ জ্বালে তেল গরম দিতে হবে। তেল থেকে ধোঁয়া বের হলে চুলার জ্বাল কমিয়ে দিয়ে এতে তেজপাতা, দারুচিনি ও লবঙ্গ দিয়ে ভাজতে হবে। মশলা থেকে গন্ধ ছাড়লে এতে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে বাদামী করে ভেজে নিতে হবে এবং এতে জিরা-মৌরি থেকে তৈরি করা গুঁড়া মশলা দিতে হবে।

৩. পরবর্তীতে এতে আদা-রসুন বাটা, টমেটো কুঁচি ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে মাঝারি আঁচে রাঁধতে হবে। তেল ভেসে উঠলে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে এতে আলু ও মাংস কুঁচি দিতে হবে। জ্বাল বেশি থাকায় অনবরত নাড়তে হবে। এভাবে ১০ মিনিট নাড়তে হবে।

৪. মাংসের রঙ বাদামী হয়ে আসলে এতে বাসমতি চাল ও পুদিনা পাতা দিয়ে নাড়তে হবে। সবকিছু একসাথে মেশানো হয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিতে হবে, যেন সবটুকু চাল ভিজে যায়। তবে খুব বেশি পানি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. এবারে পাত্রের মুখ ঢেকে চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিয়ে দশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। পানিতে কয়েকবার বলক আসার পর চুলার জ্বাল একেবারে কমিয়ে দিতে হবে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট রেঁধে চুলার জ্বাল বন্ধ করে মুখবন্ধ অবস্থায় পাত্র চুলার উপরে বসিয়ে রাখতে হবে আরও ১৫ মিনিট।

সবশেষে সময়মতো পাত্রের মুখ খুলে ধনিয়া ও পুদিনা পাতা কুঁচি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে গরম গরম কিমা পোলাও।

আরও পড়ুন: খাসির মাংসের সুস্বাদু তেহারি

আরও পড়ুন: বৃষ্টি রাতে চিংড়ি খিচুড়ি

আপনার মতামত লিখুন :