Alexa

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতি সহায়ক: টিআইবি

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতি সহায়ক: টিআইবি

ছবি: সংগৃহীত

২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অসাংবিধানিক, বৈষম্যমূলক, দুর্নীতিবান্ধব ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত শূন্য সহনশীলতার পরিপন্থি বলে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

শুক্রবার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

টিআইবি বলছে, কালো টাকা ব্যবহারের সুযোগপ্রাপ্ত খাতে দুর্নীতির আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সৎ পথে এসব খাতে আয় ও সম্পদ আহরণের সুযোগ ধূলিস্যাৎ হবে। এর প্রভাবে দুর্নীতির বিস্তৃতি ও গভীরতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সুশাসন ও ন্যায্যতার পরিপন্থি হলেও দফায় দফায় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে এসেছে একের পর এক সরকার। ফ্ল্যাটের পাশাপাশি এবার জমি কেনাকেও যোগ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ যেমন অসাংবিধানিক তেমনি অনৈতিক, বৈষম্যমূলক ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের নামান্তর।’

তিনি বলেন, ‘কেবলমাত্র ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে অবৈধকে বৈধতা দেওয়ার অর্থ, সমাজে বৈধভাবে উপার্জন করাকে নিরুৎসাহিত করা। যা অন্যদিকে চরম বৈষম্যমূলক, কারণ সৎ পথে উপার্জনকারীকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়। দুর্নীতির কাছে রাষ্ট্রের এই আত্মসমর্পন কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, তা সরকারকে অনুধাবনের আহ্বান জানাই।’

টিআইবি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের জন্য কোনো বরাদ্দ না করায় আমরা হতাশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির প্রেক্ষিতে বাজেটে কোনো বরাদ্দ না রাখাটা একবারেই অযৌক্তিক এবং উল্টো পথে হাঁটার সামিল।’

আপনার মতামত লিখুন :