Alexa

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

নতুন অর্থবছর ২০১৯-২০ এর প্রস্তাবিত বাজেটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই)। শুক্রবার (১৪ জুন) বিসিআই’র পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বাজেট প্রতিক্রিয়ার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআইর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের জন্য ১০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ১০% প্রতিবন্ধী শ্রমিক নিয়োগ প্রদান করতে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নের জন্য জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল গঠন করায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের অর্থবছর থেকে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মূসক মুক্ত টার্নওভারের সীমা ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। টার্নওভার করের ঊর্ধ্বসীমা ৮০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক আইটেম মূসকের আওতা মুক্ত রাখা হয়েছে। এ জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ‘

বিসিআইর সভাপতি বলেন, তবে মূসক ব্যবস্থায় ভোক্তা ও দেশের ৮৫ ভাগ ক্ষুদ্র মাঝারি পণ্য এবং সেবা খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও সামর্থ্য অনুযায়ী একটি ভোক্তা ও ব্যবসা-বান্ধব মূসক ব্যবস্থা বলবৎ করার জন্য আমাদের লিখিত প্রস্তাবগুলো পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রস্তাব গুলো হলো

টার্নওভারের ঊর্ধ্বসীমা ৫ কোটি নির্ধারণ করে করের হার প্রস্তাবিত ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা।

পণ্য ও সেবা খাতে উপকরণ রেয়াত গ্রহণ করা না গেলে শিল্প ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করা।

২০১৮-২০১৯ বাজেটে বিদ্যমান সকল অব্যাহতি খাতকে প্রদত্ত অব্যাহতি অব্যাহত রাখা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআই’র সভাপতি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট এবং ব্যক্তি পর্যায়ের কর হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য কর্পোরেট কর হার হ্রাস করা প্রয়োজন। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলে বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন উৎসাহিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ রেয়াতি কর সুবিধা প্রদানের জন্য পুনরায় অনুরোধ করছি। তবে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া, স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতি, বাজেট ঘাটতি এসব বড় বড় চ্যালেঞ্জের জন্য সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :