পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা বঞ্চিত এক-তৃতীয়াংশ মানুষ



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
“ ন্যাশনাল স্যানিটেশন ইন্ডাস্ট্রি কনসুলেশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী

“ ন্যাশনাল স্যানিটেশন ইন্ডাস্ট্রি কনসুলেশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এখনও উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এখনও উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কাজেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৬ দশমিক ২ নং লক্ষ্য অর্জনে সকলের জন্য উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলের উৎসব হলে “ ন্যাশনাল স্যানিটেশন ইন্ডাস্ট্রি কনসুলেশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি খাত সম্মিলিতভাবে কাজ করলে পয়ঃনিষ্কাশন পণ্য ও সেবা প্রদান সহজলভ্য হবে এবং জনসাধারণ উপকৃত হবে।

বাংলাদেশে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নে উৎসাহিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউনিসেফ যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব  জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের প্রথম সচিব ডেরেক জর্জ, দ্যা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম, ইউনিসেফ-এর ওয়াশ কর্মসূচির প্রধান ডোরা জনস্টন এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফরের প্রধান প্রকৌশলী  সাইফুর রহমান।

এরপর মন্ত্রী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত পয়ঃনিষ্কাশন সামগ্রীর প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।