Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ইজারা নীতিমালা টেবিলেই আটকা, বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি

ইজারা নীতিমালা টেবিলেই আটকা, বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি
বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি
সাব্বির আহমেদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভূমি ইজারা নীতিমালা না থাকায় দেশব্যাপী সড়কের পাশে হাজার হাজার একর জমি থেকে প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এমনকি সড়ক সংলগ্ন ওইসব জমি সরকারের বেহাত হতে চলেছে।

অভিযোগ আছে, দুই বছর আগে সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালা করার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা করছেন না সড়ক পবিরহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব-অতিরিক্ত সচিবরা। যদিও কাজটি এগিয়ে নিতে সেতুমন্ত্রী কয়েকবার তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। ফলে ওইসব জমি ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলে গেছে। কিন্তু সরকার রাজস্ব পাচ্ছে না।

মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবরা সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালা নিয়ে বেশ অনাগ্রহী। তাদের টেবিলে বছরের পর বছর এটি গড়াচ্ছে। অথচ দুই বছর আগেই নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সিএনজি স্টেশন মালিকদের অভিযোগ, মূলত কমিশন (পার্সেন্টেজ) না পাওয়ায় কাজ করছেন না তারা। অথচ ঠিকাদারী কাজ হলে ঠিকই তারা দ্রুত ফাইল ছাড়তেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/11/1539251039199.jpg

এ বিষয়ে সিএনজি স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান চৌধুরী বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘আমরা গত ৩ বছর ধরে সরকারকে কোনো রাজস্ব দিচ্ছি না। মূলত নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়া শুরুর আগ থেকে রাজস্ব দেওয়া বন্ধ আছে। আমরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি। কারণ নীতিমালা না থাকায় আমরা জানি না- কিভাবে এবং কত টাকা সরকারকে রাজস্ব দিতে হবে।’

অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি মাসুদ খান বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘ভূমি ইজারা নীতিমালার কাজ কোনোভাবেই আগাচ্ছে না। নীতিমালাটি এখন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম ও অতিরিক্ত সচিবদের টেবিলে আটকা আছে। এখন সরকার যদি আমাদের কাছ থেকে টাকা না নেয় তাহলে আমরা জোর করে দিতে যাবো কেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মন্ত্রণালয়ে আমার সামনে সচিবদের নীতিমালার কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তারপরও কাজ হয়নি। সচিব এ বিষয়ে এখনও কোনো বৈঠক ডাকেননি। ফলে নীতিমালার কাজও আর আগায়নি।’

এ বিষয়ে মতামত জানতে সচিব নজরুল ইসলামের মোবাইলফোনে একাধিকাবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। পরবর্তীতে ক্ষুধে বার্তা পাঠানো হলেও সাড়া মেলেনি।

এমনকি সংশ্লিষ্ট সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকরাও তার সঙ্গে যোগাযোগের শিডিউল পাননি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, সারাদেশে সড়কের পাশে সরকারি জমিতে ৭০০টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং প্রায় এক হাজার একশ পেট্রোল পাম্প গড়ে উঠেছে। কিন্তু নীতিমালা না থাকায় ওইসব প্রতিষ্ঠান রাজস্ব দিচ্ছে না।

এদিকে, ওই নীতিমালার কারণে আটকে আছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সড়ক সৌন্দর্য বর্ধনের কাজও। সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘অফিসিয়ালি সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালার কাজ আগাচ্ছে না। ফলে এ সরকারের মেয়াদে নীতিমালার কাজ শেষ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন জানান, যারা নীতিমালা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছেন মূলত তারাই আগাচ্ছেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

ত্রিপুরা নয়, উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

ত্রিপুরা নয়, উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ভারত সহযোগিতা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেছেন, ত্রিপুরার পরিবর্তে উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ভাবছে বাংলাদেশ। কারণ আমাদের কুমিল্লা অঞ্চলে এখন তেমন সংকট নেই।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ভারতের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, এখন ত্রিপুরা থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। আরও বাড়তি বিদ্যুৎ আমদানি করা হলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হবে। ওই অঞ্চলে রয়েছে গ্যাস ভিত্তিক সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর চেয়ে ভালো হয় যদি আমরা উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করি।

রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় এলাকায় আমাদের সংকট রয়েছে। এসব অঞ্চলে ঘাটতি সামাল দিতে তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে হচ্ছে। যা অনেক ব্যয় বহুল। এর চেয়ে যদি কমদামে বিদ্যুৎ আমদানি করা যায় সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।ভারতের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।

একটি টেকনিক্যাল টিম সমীক্ষা করবে। যদি অর্থনৈতিক ও টেকনিক্যালি সফলতার সম্ভাবনা থাকে তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন সিনিয়র সচিব।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিশেষ বিশেষ সময়ে আমাদের বিদ্যুৎ অব্যবহৃত থাকছে। সেই বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। স্টিয়ারিং কমিটি যদি একমত হয়, তাহলে আর কোনো জটিলতা নেই। তাদের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তারা এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করে দেখবে।

সচিব বলেন, স্টিয়ারিং কমিটি দু'দেশের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার কাজ করে যাচ্ছে। নতুন নতুন উইন্ডো ওপেন করা হচ্ছে। আর সে সব বিষয় এগিয়ে নেবে টেকনিক্যাল টিম যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে দিন দিন সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার হার বাড়ছে। আরও কিভাবে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে যাচ্ছি।

এর আগে পৃথক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলেন দু'দেশের সচিব। সে সময় নির্দিষ্ট করে কিছুই বলেন নি। তারা বলেন, আমরা দু'দেশের সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেছি।

রোববার (২৫ আগস্ট) হোটেল সোনারগাঁও এ শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে সিনিয়র সচিব ডক্টর আহমেদ কায়কাউস বাংলাদেশের পক্ষে, ভারতের পক্ষে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব শ্রী সুভাষ চন্দ্র গার্গি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রথম দিনে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ১৭ তম বৈঠক। এছাড়া    রোববার (২৫ আগস্ট) রামপালে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভারতীয় বিদ্যুৎ সচিব।

 

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৬ আগস্ট) সূচক কমে চলছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট।

এছাড়া একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে। বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২০৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৮ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিলকো ফার্মা, আইটিসি, ইউনাইটেড পাওয়অর, ওরিয়ন ইনফিউশন, মুন্নু স্টাফলারস, মুন্নু সিরামিকস, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, ভিএফএসটিডিএল, জেএমআই সিঞ্জি এবং বেক্সিমকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১০ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৮৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ভিএএমএলআর বিবিএফ, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বেঙ্গল উইন্ডসর, নিটল ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, যমুনা ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র