উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি বিজেএমসি

সংসদ ভবন

উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পরও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ৩৪তম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বর্তমানে বিজেএমসি’র সর্বমোট মিলের সংখ্যা ৩২টি। এর মধ্যে চালু জুটমিল ২২টি, চালু নন-জুটমিল আছে তিনটি এবং মামলাজনিত কারণে একটি মিল বন্ধ আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিজেএমসি এর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ৭২৯ মেট্রিক টন, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ২২০ মেট্রিক টন।

কেবিনেট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেএমসি এর কাছ থেকে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা তাদের প্রয়োজনীয় পাটের ব্যাগের ৫০ শতাংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে তারা তা মানছেন না বিধায় উক্ত সিদ্ধান্ত শতভাগ বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। 

পাটকলগুলোকে সচল রাখার জন্য সঠিক সময়ে পাট ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে মন্ত্রনালয়কে সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, দশম জাতীয় সংসদের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম থেকে ৩২তম সভায় সর্বমোট ৫৭টি সুপারিশ করা হয়েছিল যার মধ্যে ৫১টি সুপারিশ সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ছয়টি সুপারিশ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা হিসেবে জেডিপিসি এর কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটির জন্য একটি স্থায়ী কাঠামো গঠনে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

সোনালী ব্যাগ প্রকল্পটি একটি টাস্কফোর্সের আকারে গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।  

বৈঠকে কমিটির সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা: ইমাজ উদ্দিন প্রমানিক, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, সাবিনা আক্তার তুহিন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি এর আরও খবর

//election count down