Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিজিএমইএ’র সভাপতি পদে লড়বেন যারা

বিজিএমইএ’র সভাপতি পদে লড়বেন যারা
বিজিএমইএ-এর নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩ প্রার্থী: (বাম থেকে) মো: সিদ্দিকুর রহমান, রুবানা হক ও মো: জাহাঙ্গীর আলম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ঊর্মি মাহবুব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি)-এর নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে।

কে হবেন আগামী দিনে পোশাক শিল্পের মালিকদের প্রতিনিধি তাই নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। সভাপতি পদে লড়াইয়ের জন্য সংগঠনটির তিনটি অংশ থেকে তিনজনের নাম ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে বলে জানা যায় বিজিএমইএ সূত্রে।

জানা যায়, গত পাঁচ বছর যাবৎ সংগঠনটিতে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। ভোটাররা ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গত এই পাঁচ বছর ধরে। তাই এবার ভোটাররা চাইছেন গণতান্ত্রিক নির্বাচন। মালিকদের তিনটি অংশ পরিষদ, ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে নির্বাচনেরপ্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২২ জানুয়ারির মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তাই পরিষদ, ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদও নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী কে হবেন তা ঠিক করে ফেলেছে। পরিষদের প্যানেলে সভাপতি পদে লড়বেন বিজিএমইএ-এর বর্তমান সভাপতি মো: সিদ্দিকুর রহমান, ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতি পদে নির্বাচনে থাকবেন রুবানা হক ও স্বাধীনতা পরিষদ থেকে থাকবেন মো: জাহাঙ্গীর আলম।

সূত্র জানায়, এবারো ২০১৫ সালের মতোই সমঝোতা চেয়েছিলো পরিষদ ও ফোরাম। কিন্তু বিপত্তি ঘটে স্বাধীনতা পরিষদকে নিয়ে। কিছুতেই সমঝোতায় রাজি হয়নি স্বাধীনতা পরিষদ। নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ঘোষণা দেয় স্বাধীনতা পরিষদ।

এতেই ভেস্তে যায় সকল হিসাব নিকাশ। কারণএকজন প্রার্থীও যদি নির্বাচন করতে চান তাহলে সমঝোতা করা কিছুতেই সম্ভব নয়। আর তাই অবশেষে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করে বিজিএমইএ-এর বর্তমান কমিটি।

সভাপতি পদে লড়াই এর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্বাধীনতা পরিষদের আহ্বায়ক মো: জাহাঙ্গীর আলম।  তিনি বার্তা২৪কে বলেন, অনেকদিন পর বিজিএমইএ-তে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হচ্ছে এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। স্বাধীনতা পরিষদ নির্বাচনে অবশ্যই অংশ নেবে। আমরা কোনো সমঝোতায় যাবো না।’

তিনি বলেন, ‘ভোটারদের ভোটাধিকার বাস্তবায়িত না হলে পোশাক শিল্পের অনেক সমস্যারই সমাধান করা সম্ভবহবে না। তাই আমরা নির্বাচন চাই। আর স্বাধীনতা পরিষদের সদস্যরা চাইলে অবশ্যই নির্বাচন করবো।’

২০১৩ সালে সর্বশেষ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে বিজিএমইএ-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মো: আতিকুল ইসলাম। কিন্তু তারপর ২০১৫ সালে নির্বাচন না করে সমঝোতার মাধ্যমে সংগঠনটির দুটি অংশ পরিষদ ও ফোরাম সভাপতি নির্ধারণ করেন মো: সিদ্দিকুর রহমানকে। তারপর থেকে তিন দফায় নির্বাচনের সময় পিছিয়ে বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

গত ৫ জানুয়ারি তিন সদস্যের নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড গঠন করেছে বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদ। পরিচালনা বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে বিটিএমএ-এর সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আল আমীনকে। নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ডের পাশাপাশি গঠন করা হয়েছে আপিল বোর্ডও। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি কামরান টি রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র