Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ডিএসইর সূচক থেকে বাদ ১৭টি কোম্পানি, অন্তর্ভুক্ত ১৫টি

ডিএসইর সূচক থেকে বাদ ১৭টি কোম্পানি, অন্তর্ভুক্ত ১৫টি
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
সিলেট
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইক্সের বার্ষিক সমন্বয় করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ২৮৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৭টি বাদ পড়েছে। সূচকে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার শর্ত পরিপালনে ব্যর্থতার কারণে এমনটি হয়েছে। তবে শর্ত পরিপালনের মাধ্যমে ১৫টি কোম্পানি ডিএসইএক্সে নতুন করে অন্তভুর্ক্ত হয়েছে। যা আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূচকে অন্তর্ভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে- নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, এসকে ট্রিমস, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, ওয়াইমেক্স ইলেকট্রোডস, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, আমান কটন, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস, এম.এল ডাইং, সোনারগাঁও টেক্সটাইল ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।

অন্যদিকে বাদ পড়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে- অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স, আরামিট সিমেন্ট, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ডাইং, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ইমাম বাটন, মেঘনা পেট, মিথুন নিটিং, মুন্নু জুট স্টাফলার্স, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, শ্যামপুর সুগার মিলস, তাকাফুল ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং মিলস ও জিল বাংলা সুগার মিলস।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রাইম ব্যাংক-উত্তরা মোটরস-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রাইম ব্যাংক-উত্তরা মোটরস-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ছবি: সংগৃহীত

মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং ও কার লোনে ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিতে উত্তরা মোটরস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক।

সম্প্রতি, প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রাহেল আহমেদ এবং উত্তরা মোটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে প্রাইম ব্যাংকের কনজিউমার ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এএনএম মাহফুজ এবং উত্তরা মোটরস-এর পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এবিএম হুমায়ুন কবির, এফসিএমএ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির ফলে প্রাইম ব্যাংক ও উত্তরা মোটরস যৌথভাবে মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং ও কার লোনে ক্রেতাদের বিশেষ সেবা ও সুবিধা প্রদান করবে। উত্তরা মোটরস বাংলাদেশে ভারতের বাজাজ অটো লিমিটেড-এর একমাত্র পরিবেশক।

৭ দিনের মধ্যে ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ

৭ দিনের মধ্যে ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ
চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর সভা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। আগামী দিনে নতুন নেতৃত্ব কিভাবে ব্যাংক পরিচালনা করবে, তার একটি পরিকল্পনা পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরে ই বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন অর্থমন্ত্রী। সভা শেষে বিকালে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘দুই সপ্তাহ পর তাদের দেওয়া কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আবার বসে বিস্তারিত আলোচনা করব। যদিও সংখ্যা চারটি কিন্তু ব্যাংকিং সেক্টরে তাদের অবস্থান বড়। যেমন আমানত খাতে প্রায় ২৫ শতাংশ এ চারটি ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চার ব্যাংকের কাছে সরকারের চাহিদা হলো খেলাপি ঋণ বাড়াতে পারবে না। ন্যূনতম ১৫ শতাংশ মুনাফা করতে হবে। তারা যে ঋণ দেবে, তার জামানতগুলো যেন এনক্যাশেবল হয় দায়িত্ব নিয়ে সেই কাজটি করবে।’

তিনি জানান, এবার বাজেটে ব্যাংকগুলোর জন্য বরাদ্দ আছে। তবে সামনে আর বরাদ্দ রাখা হবে না। জনগণকে সেবা দিয়ে আয় করেই ব্যাংকগুলোকে চলতে হবে।

ব্যাংকের তারল্য সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এক্সচেঞ্জ খাতে আজ পর্যন্ত আমাদের তারল্য প্রায় ৯২ হাজার কোটি টাকা।’

খেলাপি ঋণের বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘নন-পারফর্মিং লোন কমার কোনো সুযোগ নেই। কারণ নন-পারফর্মিং লোনের জন্য যে এক্সিট প্লানটা দিয়েছিলাম সেটি এখনো কার্যকর করতে পারিনি। কিছুটা জটিলতা আছে।’

আগামীতে রফতানি কমার শঙ্কার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতিতে যদি কোনো সংকট আসে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আপার এন্ডগুলো। মিড ও লোয়ার এন্ড ততটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। আমাদের অর্থনীতিকে মিড ও লোয়ার এন্ডে দেখি। এজন্য এখানে ক্ষতি হওয়ার কারণ নেই। আমাদের পুঁজি বাজারেও বাইরের কোনো পুঁজি নেই। সুতরাং আমাদের ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা নেই।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, অর্থ-সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধান, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র