Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেলায় দুরন্ত সাইকেলে ৩৫ শতাংশ মূল্যছাড়

মেলায় দুরন্ত সাইকেলে ৩৫ শতাংশ মূল্যছাড়
বাণিজ্য মেলায় দুরন্ত বাই সাইকেলের প্যাভিলিয়নে সাইকেল দেখছেন ক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় দিচ্ছে দুরন্ত বাই সাইকেল। এছাড়া মেলা উপলক্ষে ২০টি নতুন ডিজাইনের বাই সাইকেল ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে দুরন্ত।

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বাণিজ্য মেলায় দুরন্ত বাই সাইকেলের ১০ নম্বর জেনারেল প্যাভিলিয়ন গিয়ে এসব তথ্য জানা যায়।

দুরন্ত সাইকেলের শোরুমটি সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, থরে থরে সাজানো রয়েছে উন্নত প্রযুক্তির বাই সাইকেল। দেশসেরা এই বাই সাইকেলের প্যাভিলিয়নটিতে ক্রেতাদেরও উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/15/1547558920708.gif

ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ মতো বাই সাইকেলের ডিজাইন দেখছেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে দাম ও মূল্যছাড় নিয়ে কথা বলছেন।

এছাড়াও দুরন্ত সাইকেলের প্যাভিলিয়ন দেখা গেছে, চারটি এক্সপোর্ট কোয়ালেটির বাই সাইকেল সাজানো রয়েছে। এর মধ্যে সম্প্রতি জার্মানির মোটরগাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বানানো একটি বাই সাইকেলেও রাখা আছে দুরন্ত বাই সাইকেলের প্যাভিলিয়নে।

প্যাভিলিয়নে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে প্রতিবারই দুরন্ত বাই সাইকেল ক্রেতাদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসে।

এবারাও এর ধারবাহিকতায় মূল্যছাড় থেকে শুরু কুপন ব্যবস্থাও ক্রেতাদের জন্য রেখেছে দুরন্ত। এই কুপনের মাধ্যমে ক্রেতারা জিতে নিতে পারবেন ২০ ইঞ্চির একটি এলএডি টিভি।

কর্মকর্তারা আরও জানান, দুরন্ত বাই সাইকেল এবার ২০টি নতুন ডিজাইনের বাই সাইকেল নিয়ে এসেছে ক্রেতাদের জন্য। এর মধ্যে সর্বোচ্ছ মূল্যের ৭০ হাজার টাকার একটি ই-বাই সাইকেলও রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/15/1547558946029.gif

ই-বাই সাইকেলটি মাউন্টেন বাই সাইকেল হিসেবেও পরিচিত রয়েছে বিভিন্ন দেশে। বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এই বাই সাইকেলটি মেলায় প্রদর্শনের মূল লক্ষ্য বলেও তারা জানান।

মেলার সার্বিক বিষয় নিয়ে দুরন্ত বাই সাইকেলের শোরুম ম্যানেজার হিমেল মাহবুব বার্তা২৪কে বলেন, ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাকে কেন্দ্র করে আমরা শুধু দেশীয় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছি না। বিদেশি বাইয়ারদেরও এক্সপোর্টের জন্য আকর্ষণের জন্য চেষ্টা করছি। মেলায় এখনো পর্যন্ত সার্বিকভাবে আমাদের কেনাবেচা ভালো চলছে।’

তিনি বলেন, ‘এবারাও আমরা বাই সাইকেল ভেদে ক্রেতাদের ৩৫ শতাংশ মূল্যছাড় দিচ্ছি। তাছাড়া সাইকেল কিনলেই ক্রেতারা কুপন পাচ্ছেন। কুপনের মাধ্যমে এলইডি টিভি র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে জিতে নিতে পারবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ছে

পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ছে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৭ জুলাই) সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক কোটি ১৮ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১২ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৬ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কিছুটা ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১১টায় সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৪২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১৭৯ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১২টির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, জেএমআই সিরিঞ্জ, এটিসিএসএলজিএফ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, গ্রামীণ ফোন এবং রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৫৫৯ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৯৮৪ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- মেঘনা সিমেন্ট, পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন, এবিবি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পপুলার ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ইস্টার্ন ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

১১০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দিল বিএসআরএম!

১১০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দিল বিএসআরএম!
ছবি: সংগৃহীত

১১০ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে। দেশের ভেতরে পণ্য বিক্রি করে তা বিদেশের রফতানি দেখিয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থের কর ফাঁকি দিয়েছে কোম্পানিটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চট্টগ্রাম কমিশনারেটের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। কর ফাঁকির এই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে ইতোমধ্যেই ঋণে জর্জরিত প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি দিয়েছে এনবিআরের চট্টগ্রাম শাখা। কোম্পানিটি চিঠিটি আমলে নিলেও চিঠির নিয়মের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গেছে তারা।

এনবিআর -এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘রফতানিকৃত বলিয়া গণ্য’ সংজ্ঞার আওতায় পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা আইনের অপব্যবহার করে পণ্য সরবরাহের বিপরীতে গৃহীত বিধি বহির্ভূত প্রত্যর্পণ ও অপরিশোধিত মূসকের হিসেবে সরকারকে ১১০ কোটি ৫৬ লাখ ৪৮ হাজার ৭১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। বিভিন্ন কর মেয়াদে দাখিলকৃত দলিলাদি ও দফতরের সংরক্ষিত রেজিস্ট্রার যাচাইয়ের মাধ্যমে এই ফাঁকির তথ্য খুঁজে পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ২০১৬ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএসআরএম প্রায় আড়াই হাজার টন পণ্য সরবরাহের বিপরীতে শুল্ককর প্রত্যর্পণ নিয়েছে তিন কোটি ৫৬ লাখ টাকা, আর ভ্যাট পরিহার করেছে ১৪ লাখ টাকা।

২০১৭ সালে দুই ধাপে প্রায় ১০ হাজার টন পণ্য সরবরাহের বিপরীতে শুল্ককর ও ভ্যাট ফাঁকি ১২ কোটি টাকার ওপরে। আর ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে ৮৯ হাজার টন পণ্য সরবরাহের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি শুল্ককর প্রত্যর্পণ নিয়েছে ৯১ কোটি টাকা। আর ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে তিন কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

সব মিলে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ করা পণ্য ‘রফতানি বলে গণ্য’ দেখিয়ে ১০৬ কোটি টাকার শুল্ককর ও চার কোটি টাকার ভ্যাট অপরিশোধিত রাখে।

এদিকে এনবিআর-এর প্রতিবেদনে উঠে আসা কর ফাঁকির বিষয়ে জানতে চাইলে তা অস্বীকার করে বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ। কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) তপন সেনগুপ্ত বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিএসআরএম কখনো কর ফাঁকি দেয় না। আমাদের কোনো কর ফাঁকি নেই। এনবিআর যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা আদালতেই সেটা প্রমাণ করব।’

তিনি আরো বলেন, ২৫ বছর ধরে বিদেশি অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পে পণ্য সরবরাহ করে শুল্ককর প্রত্যর্পণের এ বিষয়টি চলে আসছে। এনবিআর হঠাৎ করে এমন দাবি করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এরই মধ্যে এনবিআর থেকে এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সে ব্যাখ্যা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বিএসআরএম -এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত জানান চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক। ‘রফতানি বলে গণ্য’ হওয়ার প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, কোনো পণ্য ‘রফতানি বলে গণ্য’ হতে হলে বেশকিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। প্রথমত, এ সুবিধা পেতে হলে পণ্য সরবরাহের বিপরীতে প্রাপ্য অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আসতে হবে। আর পণ্য চালান কীভাবে কোন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণে এনবিআরের প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক। এর বাইরেও আরও অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে, যা বিদ্যমান মূসক বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।

অথচ এসব প্রক্রিয়া ঠিকভাবে অনুসরণ না করে একটি প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ করে কেউ যদি শুল্ককর প্রত্যর্পণ দাবি করে, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। তাছাড়া এ ধরনের কাজ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রাথমিক যে ঠিকাদার তারা একবার প্রত্যর্পণ নিয়েছেন। ওই ঠিকাদার কাউকে সাব-কন্ট্রাকটর নিয়োগ দিলে তারাও যদি প্রত্যর্পণ দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি দু’বার এসে যায়।

বিএসআরএম-এর কর ফাঁকির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ দেশের অভ্যন্তরে পণ্য বিক্রি করে বিদেশে রফতানি করেছে বলে দেখিয়েছে। আমরা প্রতিষ্ঠানটির সমস্যাগুলো তুলে ধরেছি। অথচ তারা এগুলো মানতে চাইছে না বরং উচ্চ আদালতে তিনটি আর কাস্টমস; এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালে আরও দু’টি মামলা করেছে। আমরা সঠিক প্রমাণাদি আদালতে প্রেরণ করেছি। আশা করছি আদালত বিষয়টি বুঝবে।

এনবিআরের তথ্য মতে, বৈদেশিক অর্থায়িত বিভিন্ন প্রকল্পে এভাবে পণ্য সরবরাহ করে ‘রফতানি বলে গণ্য’ সংজ্ঞার আওতায় সুবিধা নিয়ে আসছে বেশকিছু কোম্পানি। পরে এ বিষয়ে এনবিআরের ভ্যাট নীতি শাখা থেকে একটি ব্যাখ্যা সব কমিশনারেটে পাঠানো হয়।

কিন্তু সে ব্যাখ্যা উপেক্ষা করে ‘রফতানি বলে গণ্য’ সুবিধার আওতায় শুল্ককর অব্যাহতি চাচ্ছে বিএসআরএম। বিষয়টিকে আইন ও বিধিবহির্ভূত বলে আখ্যা দিয়েছে এনবিআর।

এনবিআরের মূসক আইন ও বিধি শাখা থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় বলা হয়, বিদেশি মুদ্রায় বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত কোনো প্রকল্প সম্পাদনে আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশ নিয়ে যদি দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ পায়, তাহলে তারা এ প্রত্যর্পণ পাবে।

কিন্তু দরপত্রে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়ে যদি পণ্য সরবরাহের জন্য দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠানকে তারা সরবরাহকারী নিয়োগ দেয়, তাহলে তারা এ ধরনের প্রত্যর্পণ পাবে না। যেসব ক্ষেত্রে প্রত্যর্পণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দরপত্রে কাজ পেয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান। আর ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য সরবরাহ করছে বিএসআরএম। কাজেই তারা প্রত্যর্পণ পাওয়ার যোগ্য হবে না।

বর্তমানে বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর আইনের ২(শ) ধারা ও মূল্য সংযোজন কর বিধিমালার ৩১ক বিধি মোতাবেক কোনো প্রতিষ্ঠান উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রফতানি করলে শুল্ক, কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট অব্যাহতি পায়।

তবে দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি অর্থায়নে (ফরেন কারেন্সি) বাস্তবায়িত নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্পে পণ্য বিক্রি করলেও সেক্ষেত্রে রফতানির সুবিধা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মূল দরপত্রে সরবরাহকারী হিসেবে নাম উল্লেখ থাকতে হবে। বিএসআরএম স্টিল এ ধরনের প্রকল্পে দেশের অভ্যন্তরে পণ্য সরবরাহ করে শুল্ককর প্রত্যর্পণ নিয়েছে, কিন্তু প্রকল্পের মূল ঠিকাদার হিসেবে তারা তলিকাভুক্ত নয়।

প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে বিদেশি প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য সরবরাহ করছে বিএসআরএম। সুতরাং তারা এ ধরনের প্রত্যর্পণ পাওয়ার যোগ্য হবে না বলে মনে করে এনবিআর। তাই প্রত্যর্পণ নেওয়া অর্থ বিএসআরএমকে ফেরত দিতে বলেছে সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র