Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জিপিএইচ ইস্পাত শিল্পে আসছে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

জিপিএইচ ইস্পাত শিল্পে আসছে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বিকাশমান ইস্পাত শিল্পে এবার বড় ধরনের বাঁক বদল হতে চলেছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ ইস্পাত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের হাত ধরে আসছে বিশ্বের সর্বাধুনিক ও সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। ‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ নামের এ প্রযুক্তি বাংলাদেশের ইস্পাত শিল্পকে আমূল বদলে দেবে। ঘটাবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ইস্পাত শিল্পে আসবে ‘সবুজ বিপ্লব’।

চট্টগ্রাম শহরের উপকণ্ঠে কুমিরায় ‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ প্রযুক্তিতে নির্মাণাধীন জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের সম্প্রসারিত নতুন প্ল্যান্টের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। উদ্যোক্তারা বার্তা২৪.কম জানিয়েছেন, চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এই প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হবে। এটি হবে পরিবেশ অনুকূল ‘সবুজ কারখানা’।

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের সূত্রে জানা গেছে, সর্বাধুনিক ‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ প্রযুক্তি বলতে বোঝায়, ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস কোয়ান্টাম। এটি ইস্পাত শিল্পে ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেসের সবচেয়ে অগ্রসর ও সর্বশেষ প্রযুক্তি। এর চেয়ে উন্নত ও আধুনিক কোনো প্রযুক্তি এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।

‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এটি খুবই পরিবেশবান্ধব এবং ‘এনার্জি এফিসিয়েন্ট’। এ প্রযুক্তিতে একই জ্বালানিকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়। ফলে জ্বালানির কোনো অপচয় ও দূষণ হয় না। জ্বালানির সর্বোচ্চ ও নিরাপদ ব্যবহার ছাড়াও এ প্রযুক্তি কারখানার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। তাছাড়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয় বলে সর্বোচ্চ মাত্রায় পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হয়।

জিপিএইচ ইস্পাতের সম্প্রসারিত নতুন ও সর্বাধুনিক ‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ প্রযুক্তিভিত্তিক কারখানাটি পরিবেশ অনুকূল ছাড়াও হবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। প্রচলিত বিভিন্ন প্রযুক্তির কারখানার তুলনায় জিপিএইচের সম্প্রসারিত নতুন কারখানায় প্রতি মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদনে ৩০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। ফলে বছরে মোট সাশ্রয় হবে ২২ কোটি ৭০ লাখ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যা দিয়ে ৩৪ হাজার পরিবারকে বিদ্যুতের সুবিধা দেওয়া সম্ভব।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/19/1547868503147.JPG

এ কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসেরও সাশ্রয় হবে। প্রচলিত প্রযুক্তির কারখানার তুলনায় এতে প্রতি মেট্রিক টন স্টিল উৎপাদনে ৩৫ ঘন মিটার গ্যাস কম লাগবে। ফলে বছরে দুই কোটি ২৪ লাখ ঘন ফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের সাশ্রয় হবে। তদুপরি কমবে বায়ুদূষণ ও অন্যান্য পরিবেশ এবং জ্বালানি বিষয়ক ঝুঁকি।

জিপিএইচ ইস্পাতের নির্মাণাধীন সম্প্রসারিত কারখানাটি বিশ্বে ‘ইএএফ কোয়ান্টাম’ প্রযুক্তির দ্বিতীয় কারখানা।

জানা গেছে, এ প্রযুক্তির প্রথম কারখানাটি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত। বাংলাদেশের দ্বিতীয়টির পথ ধরে তৃতীয়টি নির্মিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। আরও কয়েকটি কারখানা স্থাপনের প্রাইমেটালসের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ইস্পাত উৎপাদক দেশ চীন।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র