Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০০ কোটি টাকা রফতানি আদেশ পেয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

২০০ কোটি টাকা রফতানি আদেশ পেয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০ কোটি টাকা রফতানি আদেশ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় রফতানি আদেশ পেয়েছিল ১৬৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০ কোটির ঘরে।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাজ্য মেলায় এবার বিক্রি ও রফতানি ভালো হয়েছে। প্যাভেলিয়নগুলো সুন্দর হয়েছে। আমি ঘুরে ঘুরে দেখেছি।

তিনি বলেন, প্রতিবছরই আমাদের মেলার ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে পূর্বাচলে স্থায়ী বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণেও এ ধরনের মেলার আয়োজন করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে আজ থেকে ১০ বছর পড়ে এখানে এ মেলা করা যাবে কিনা তা নিয়ে এখন থেকেই ভাবতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মেলার চাহিদা যেভাবে বাড়ছে আগামীতে এখানে ৩৬ একর জায়গায় মেলা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। সেখানে পূর্বাচলে ৩০ একর জায়গায় এ মেলা আয়োজন করা সম্ভব না। পূর্বাচলে ৩০ একর জায়গা এ মেলার জন্য অপ্রতুল। তবে সেখানে সারা বছর অন্যান্য মেলা চলবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা সেখানে আয়োজন করা যাবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের মেলায় সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমাদের দেশি পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। বায়াররা  আমাদের পণ্যে আকৃষ্ট হচ্ছে। এর ফলে আগামীতে আমাদের আমদানি কমে যাবে। এছাড়া রফতানিতে আমাদের পোশাক খাতের নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য পণ্য রফতানি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি চিন্তা ও চেতনায় আমাদের আরো এগোতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক
বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারসহ দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো- গত আট বছরে প্রায় ৮৮ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে অর্ধশত নিম্নমানের কোম্পানি রয়েছে। এসব কোম্পানির বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে উচ্চ আয় দেখানোর আইপিও অনুমোদন দেন খায়রুল হোসেন। তার বিনিময়ে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার করেন।

আরও বলা হয়, ওইসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের সূচক পতন শুরু করে। এছাড়া ওইসব কোম্পানির পূর্ববর্তী আয়ের রিপোর্টগুলো বানোয়াট বলেও অভিযোগ ওঠে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরীকে অভিযোগ তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের এমডি

জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের এমডি
বাঁ থেকে ড. জামালউদ্দিন আহমেদ ও আতাউর রহমান প্রধান, ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ এফসিএ।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রুপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও আতাউর রহমান প্রধান।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে দেওয়া দুই চিঠিতে তাদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মো. আতাউর রহমান প্রধানকে অগামী তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

অন্যদিকে, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ড. জামালউদ্দিন আহমেদকেও আগামী তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তৎকালীন কর্মসংস্থান ব্যাংকের এমডি উবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে সোনালী ব্যাংকে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এমডি আতাউর রহমান প্রধানকে রূপালী ব্যাংকে এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ সামস-উল ইসলামকে অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র