Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জেএমআই-এমটিবি ৩৮০ কোটি টাকার ঋণ চুক্তি

জেএমআই-এমটিবি ৩৮০ কোটি টাকার ঋণ চুক্তি
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জেএমআই গ্রুপের এলপিজি প্রকল্পে ৩৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি)। এই উদ্দেশ্যে জেএমআই গ্রুপের সঙ্গে সিন্ডিকেট ঋণ চুক্তি সই করেছে এমটিবি।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সঙ্গে সিন্ডিকেট ঋণে যুক্ত রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, উত্তরা ফাইন্যান্স ও সাবিনকো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, অগ্রণী বাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত, এমটিবি'র চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ, জেএমআই গ্রুপের এমডি আব্দুর রাজ্জাক, এমটিবির এমডি ও সিইও আনিস এ খান, অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম, এনআরবি ব্যাংকের এমডি ও সিইও মেহমুদ হোসেন, সাবিনকোর এমডি কাজী শাইরুল হাসান, উত্তরা ফাইন্যান্স এমডি ও সিইও এসএম শামসুল আরেফিন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

নিজেদের টাকায় এসডিজি বাস্তবায়ন করব: পরিকল্পনা মন্ত্রী

নিজেদের টাকায় এসডিজি বাস্তবায়ন করব: পরিকল্পনা মন্ত্রী
নিউইয়র্ক সফর নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রেস বিফ্রিং/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বৈদেশিক ফান্ড না পাওয়া গেলে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নিজেরাই বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান।

তিনি বলেছেন, 'ফাইন্যান্সিং এর বিষয়ে বিদেশ থেকে আমি অর্থ আশা করি না। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিজেদেরকেই এই অর্থ জোগার করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর ইফেক্টিভ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন (জিপিইডিসি) এর সিনিয়র লেভেল মিটিং (এসএলএম) এবং হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম (এইচএলপিএফ) অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এ অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

সফরের বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ১০ দিনের সম্মেলনে আমরা বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিয়েছি। সাইডলাইন বৈঠক করেছি। এসডিজি নিয়ে আমরা কী করছি এটা তুলে ধরেছি, আরো কী করা যেতে পারে-সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এসব মিটিং করে বাইরে থেকে খুব বেশি অর্থ পাওয়া যাবে সেটা আশা করি না।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন,  এসডিজি যে কাজগুলো করবে এটি মূলত কল্যাণূলক কাজ। এসডিজি স্বাক্ষর না করলেও আমরা কল্যাণমূলক কাজগুলো করতাম। কিন্তু আমরা একসাথে কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, এসডিজিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছে আমরা কমিটমেন্ট রাখবো। আমাদের মূল বার্তা হল এসডিজি বাস্তবায়নে কমিটমেন্ট রাখা, নিজেদের অর্থায়নে সেটি বাস্তবায়ন করব আর সেজন্য আমাদের অর্থ জোগারে অভ্যন্তরীণ উৎস খুঁজে বের করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, পরিকল্পনা সচিব মো: নুরল আমিনসহ আরো অনেকে।

 

১৬ দিনে বিনিয়োগকারীদের ৫৩ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হাওয়া

১৬ দিনে বিনিয়োগকারীদের ৫৩ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের ৩০ জুন গ্রামীণফোন লিমেটেডের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৩৬৫ টাকা। গত ২২ জুলাই কোম্পানির সেই শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে ৩২২ টাকা ৫০ পয়সায়। অর্থাৎ ১৬ কার্যদিবসে গ্রামীণফোনের প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৪২ দশমিক ৫০ টাকা।

একইভাবে ৩০ জুন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ২৬৪ টাকা। গত ২২ জুলাই (সোমবার) কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে ২৪৭ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ এই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ১৬ দশমিক ৪০ টাকা।

অথচ এই দু’টি কোম্পানির মধ্যে গ্রামীণফোন (জিপি) হচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানি। কোম্পানির ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ভালো। প্রতিবছর ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে। তারপরও কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে আশঙ্কাজনক হারে।

একইভাবে দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতি বছর ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানির রিজার্ভ রয়েছে। দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে ভালো কোম্পানি হচ্ছে স্কয়ার ফার্মার শেয়ার। তারপরও কোনো কারণ ছাড়াই সেই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ১৭ টাকা। যা ২০১০ সালের ধসেও ঘটেনি।

ফলে ভালো কোম্পানির পাশাপাশি খারাপ কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমায় চলতি অর্থবছরে প্রথম ১৬ কার্যদিবসের দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২৬ হাজার ৮৫৯ কোটি ৪৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ও বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২৬ হাজার ১৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ৩ হাজার টাকা।

সব মিলে নতুন অর্থবছরে দেশের দুই পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগারীদের পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এই সময়ে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৪৫৫ পয়েন্ট। আর সিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ১ হাজার ৪১৮ পয়েন্ট। পাশাপাশি কমেছে লেনদেন ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।

চলমান এই দরপতনে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়ে মতিঝিলের রাস্তা নেমে আসতে শুরু করেছেন। তারা ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে দরপতনের প্রতিবাদে ১১ কার্যদিবস মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। পুঁজিবাজারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে গত বৃহস্পতিবার ১৫ দফার স্মারকলিপি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, আগামী ঈদের পর প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেখা করবেন।

নতুন এই দরপতনে ২৮ লাখ বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউজগুলো অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে ডিএসইর একজন সদস্য বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ব্যবসা সঙ্কটে ব্রোকারেজ হাউজ টিকিয়ে রাখাই সম্ভব হচ্ছে না।

পুঁজিবাজারে চরম সঙ্কটে নতুন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে দরপতন আরও হবে এমন শঙ্কায় চরমভাবে হতাশ বিনিয়োগকারীরা বলে মনে করেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র