Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সূচক কমে চলছে উভয় পুঁজিবাজারের লেনদেন

সূচক কমে চলছে উভয় পুঁজিবাজারের লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার সূচক কমে চলছে এদিনের কার্যক্রম। বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট। তবে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৩ পয়েন্ট। ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরুতেই বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক কমে ৩৩ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক কমার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা পৌনে ১১টায় সূচক ২৫ পয়েন্ট কমলেও এরপর ধীরে ধীরে আবারও কমতে থাকে। তবে বেলা পৌনে ১২টায় ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে ২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭৩৫ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩১৩ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৬৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪০টির, কমেছে ১৪১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ডোরিন পাওয়ার, ফরচুনা সু, মুন্নু সিরামিকস, স্টাইল ক্রাফট, জেএমআই সিরিঞ্জ, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, গ্রামীণ ফোন এবং জেনেক্সিল।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৪ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৬৩১ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩২৪ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৫৭১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- প্যারামউন্ট টেক্সটাইল, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, সমতা লেদার, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স এবং ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

নিজেদের টাকায় এসডিজি বাস্তবায়ন করব: পরিকল্পনা মন্ত্রী

নিজেদের টাকায় এসডিজি বাস্তবায়ন করব: পরিকল্পনা মন্ত্রী
নিউইয়র্ক সফর নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রেস বিফ্রিং/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বৈদেশিক ফান্ড না পাওয়া গেলে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নিজেরাই বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান।

তিনি বলেছেন, 'ফাইন্যান্সিং এর বিষয়ে বিদেশ থেকে আমি অর্থ আশা করি না। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিজেদেরকেই এই অর্থ জোগার করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর ইফেক্টিভ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন (জিপিইডিসি) এর সিনিয়র লেভেল মিটিং (এসএলএম) এবং হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম (এইচএলপিএফ) অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এ অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

সফরের বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ১০ দিনের সম্মেলনে আমরা বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিয়েছি। সাইডলাইন বৈঠক করেছি। এসডিজি নিয়ে আমরা কী করছি এটা তুলে ধরেছি, আরো কী করা যেতে পারে-সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এসব মিটিং করে বাইরে থেকে খুব বেশি অর্থ পাওয়া যাবে সেটা আশা করি না।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন,  এসডিজি যে কাজগুলো করবে এটি মূলত কল্যাণূলক কাজ। এসডিজি স্বাক্ষর না করলেও আমরা কল্যাণমূলক কাজগুলো করতাম। কিন্তু আমরা একসাথে কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, এসডিজিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছে আমরা কমিটমেন্ট রাখবো। আমাদের মূল বার্তা হল এসডিজি বাস্তবায়নে কমিটমেন্ট রাখা, নিজেদের অর্থায়নে সেটি বাস্তবায়ন করব আর সেজন্য আমাদের অর্থ জোগারে অভ্যন্তরীণ উৎস খুঁজে বের করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, পরিকল্পনা সচিব মো: নুরল আমিনসহ আরো অনেকে।

 

১৬ দিনে বিনিয়োগকারীদের ৫৩ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হাওয়া

১৬ দিনে বিনিয়োগকারীদের ৫৩ হাজার কোটি টাকার পুঁজি হাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের ৩০ জুন গ্রামীণফোন লিমেটেডের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৩৬৫ টাকা। গত ২২ জুলাই কোম্পানির সেই শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে ৩২২ টাকা ৫০ পয়সায়। অর্থাৎ ১৬ কার্যদিবসে গ্রামীণফোনের প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৪২ দশমিক ৫০ টাকা।

একইভাবে ৩০ জুন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ২৬৪ টাকা। গত ২২ জুলাই (সোমবার) কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে ২৪৭ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ এই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ১৬ দশমিক ৪০ টাকা।

অথচ এই দু’টি কোম্পানির মধ্যে গ্রামীণফোন (জিপি) হচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানি। কোম্পানির ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ভালো। প্রতিবছর ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে। তারপরও কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে আশঙ্কাজনক হারে।

একইভাবে দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতি বছর ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানির রিজার্ভ রয়েছে। দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে ভালো কোম্পানি হচ্ছে স্কয়ার ফার্মার শেয়ার। তারপরও কোনো কারণ ছাড়াই সেই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে ১৭ টাকা। যা ২০১০ সালের ধসেও ঘটেনি।

ফলে ভালো কোম্পানির পাশাপাশি খারাপ কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমায় চলতি অর্থবছরে প্রথম ১৬ কার্যদিবসের দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২৬ হাজার ৮৫৯ কোটি ৪৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ও বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২৬ হাজার ১৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ৩ হাজার টাকা।

সব মিলে নতুন অর্থবছরে দেশের দুই পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগারীদের পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এই সময়ে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৪৫৫ পয়েন্ট। আর সিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ১ হাজার ৪১৮ পয়েন্ট। পাশাপাশি কমেছে লেনদেন ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।

চলমান এই দরপতনে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়ে মতিঝিলের রাস্তা নেমে আসতে শুরু করেছেন। তারা ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে দরপতনের প্রতিবাদে ১১ কার্যদিবস মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। পুঁজিবাজারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে গত বৃহস্পতিবার ১৫ দফার স্মারকলিপি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, আগামী ঈদের পর প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেখা করবেন।

নতুন এই দরপতনে ২৮ লাখ বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউজগুলো অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে ডিএসইর একজন সদস্য বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ব্যবসা সঙ্কটে ব্রোকারেজ হাউজ টিকিয়ে রাখাই সম্ভব হচ্ছে না।

পুঁজিবাজারে চরম সঙ্কটে নতুন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে দরপতন আরও হবে এমন শঙ্কায় চরমভাবে হতাশ বিনিয়োগকারীরা বলে মনে করেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র