Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ২৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ২৫

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ২৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ২৫
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার (২৭ মার্চ) সূচক কমে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ২৫ পয়েন্ট।

তবে এদিন ডিএসইতে লেনদেন কমলেও বেড়েছে সিএসইর লেনদেন। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা, গত সোমবার লেনদেন হয়েছিল ৩৮৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অপরদিকে এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসের সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় ১০টা ৩০ মিনিটে, এরপর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ২০ পয়েন্ট বাড়ে। কিন্তু এরপর থেকে সূচক এক টানা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় ডিএসই’র প্রধান সূচক নেতিবাচক হতে শুরু করে। বেলা সাড়ে ১১টা ১০ মিনিটে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট কমে। তবে লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৮১ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ১৬৫টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ, মুন্নু সিরামিকস, স্কয়ার ফার্মা, সিঙ্গার বিডি, গ্রামীণ ফোন, ইউনাইটেড পাওয়ার, জেএমআই সিরিঞ্জ, ব্র্যাক ব্যাংক, আইবিপি এবং খুলনা পাওয়ার।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২৫ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ২১২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৬৮ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩৮ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৮৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- তাল্লু স্পিনিং, মুন্নু সিরামিকস, সিয়াম টেক্সটাইল, জেএমআই সিরিঞ্জ, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, আইবিপি, এইচএফএল, ওয়াটা কেমিক্যাল এবং এসএস স্টিল।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের
ছবি: সংগৃহীত

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বিডিংয়ে অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে। একই সঙ্গে যে পরিমাণ শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করবে, সেই পরিমাণ কিনতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) এবং ডিএসই ব্রোকাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার সম্পূর্ণ বিক্রি না হলে, সেই ইস্যু বাতিল করা হবে। এই পদ্ধতিতে বিডারদের নাম ও তাদের প্রস্তাবিত দর প্রদর্শন করানো যাবে না। আর বিডিংয়ের জন্য নিলামকারীদেরকে শতভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে শেয়ার সর্বোচ্চ দর প্রস্তাবকারী থেকে বিতরণ শুরু হবে, যা ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামবে। যে মূল্যে বিতরণ শেষ হবে, সেটাই কাট-অব প্রাইস হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন। আর কাট-অব প্রাইসে যদি একাধিক বিডার থাকেন, তাহলে যে বিডার আগে বিড করবেন তাকে আগে শেয়ার দেওয়া হবে।

বিডিংয়ের চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেয়ার পেয়েছেন, তাদের ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেবে স্টক এক্সচেঞ্জ। আর কৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ারের ব্যাংক হিসাবে জমা দেবে।

কমিশন বুক বিল্ডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে।

অন্যদিকে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে কোটা সুবিধা পেতে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে। এই বিনিয়োগের পরিমাণ কি হবে, কমিশন তা প্রত্যেক পাবলিক ইস্যুর সম্মতিপত্রে উল্লেখ করবে। অন্যথায় সংরক্ষিত শেয়ারের কোটা সুবিধা পাবেন না। পূর্বের ইস্যুকৃত মূলধনের ৮০ শতাংশ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না। আইপিওতের ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে।
যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ তুলতে হবে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৭৫ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে। এক্ষেত্রেও যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ উত্তোলন করতে হবে।

ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সম্মিলিতভাবে আবেদন ৬৫ শতাংশের কম হলে ইস্যু বাতিল করা হবে। আর ৬৫ শতাংশের বেশি এবং ১০০ শতাংশের কম হলে, বাকি শেয়ার অবলেখক (আন্ডাররাইটার) গ্রহণ করবে।

এদিকে আইপিও’র আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অথবা অডিটরের সার্টিফিকেট এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দাখিল করতে হবে। আর নগদ ব্যতিত উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানির রেজিস্টারের সার্টিফাইড ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট এবং সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত টাইটেল ডকুমেন্ট কমিশনে জমা দিতে হবে।

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কমিশনের ৬৯৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত বছর মেয়াদী এই বন্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড, ফুল্লি রিডেম্বল, ফ্লাটিং রেটেড এবং সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে। যা শুধুমাত্র স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি এবং যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংক এশিয়ার টায়ার-টু মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এই বন্ডের প্রতিটি ইউনিটির অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। এই বন্ডের ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার এবং ট্রাস্টি হিসাবে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র