Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে

সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে
সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে। ছবি: প্রতীকী
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১ এপ্রিল) সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট। এছাড়া সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট। ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি টাকা। যা গত কার্যদিবসের চেয়ে বেশি।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে, প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ৭ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ১১ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৫১০ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে এক হাজার ৯৭১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করেছে এক হাজার ২৮০ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে ৬৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। গত কার্যদিবসে একই সময়ে ৫৬ কোটি ৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৫টির, কমেছে ৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, গ্রামীণ ফোন, মুন্নু সিরামিকস, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সিঙ্গার বিডি এবং জেএমআই সিরিঞ্জ।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ১৯৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৮৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। গত কার্যদিবসে একই সময়ে ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ইউনাইটেড এয়ার, বিডি ওয়েল্ডিং, মারিকো, অ্যামবি ফার্মা, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু সিরামিকস, আইবিপি, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, জেনারেশন নেক্সট এবং তাল্লু স্পিনিং।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের
ছবি: সংগৃহীত

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বিডিংয়ে অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে। একই সঙ্গে যে পরিমাণ শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করবে, সেই পরিমাণ কিনতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) এবং ডিএসই ব্রোকাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার সম্পূর্ণ বিক্রি না হলে, সেই ইস্যু বাতিল করা হবে। এই পদ্ধতিতে বিডারদের নাম ও তাদের প্রস্তাবিত দর প্রদর্শন করানো যাবে না। আর বিডিংয়ের জন্য নিলামকারীদেরকে শতভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে শেয়ার সর্বোচ্চ দর প্রস্তাবকারী থেকে বিতরণ শুরু হবে, যা ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামবে। যে মূল্যে বিতরণ শেষ হবে, সেটাই কাট-অব প্রাইস হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন। আর কাট-অব প্রাইসে যদি একাধিক বিডার থাকেন, তাহলে যে বিডার আগে বিড করবেন তাকে আগে শেয়ার দেওয়া হবে।

বিডিংয়ের চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেয়ার পেয়েছেন, তাদের ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেবে স্টক এক্সচেঞ্জ। আর কৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ারের ব্যাংক হিসাবে জমা দেবে।

কমিশন বুক বিল্ডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে।

অন্যদিকে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে কোটা সুবিধা পেতে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে। এই বিনিয়োগের পরিমাণ কি হবে, কমিশন তা প্রত্যেক পাবলিক ইস্যুর সম্মতিপত্রে উল্লেখ করবে। অন্যথায় সংরক্ষিত শেয়ারের কোটা সুবিধা পাবেন না। পূর্বের ইস্যুকৃত মূলধনের ৮০ শতাংশ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না। আইপিওতের ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে।
যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ তুলতে হবে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৭৫ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে। এক্ষেত্রেও যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ উত্তোলন করতে হবে।

ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সম্মিলিতভাবে আবেদন ৬৫ শতাংশের কম হলে ইস্যু বাতিল করা হবে। আর ৬৫ শতাংশের বেশি এবং ১০০ শতাংশের কম হলে, বাকি শেয়ার অবলেখক (আন্ডাররাইটার) গ্রহণ করবে।

এদিকে আইপিও’র আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অথবা অডিটরের সার্টিফিকেট এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দাখিল করতে হবে। আর নগদ ব্যতিত উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানির রেজিস্টারের সার্টিফাইড ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট এবং সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত টাইটেল ডকুমেন্ট কমিশনে জমা দিতে হবে।

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কমিশনের ৬৯৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত বছর মেয়াদী এই বন্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড, ফুল্লি রিডেম্বল, ফ্লাটিং রেটেড এবং সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে। যা শুধুমাত্র স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি এবং যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংক এশিয়ার টায়ার-টু মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এই বন্ডের প্রতিটি ইউনিটির অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। এই বন্ডের ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার এবং ট্রাস্টি হিসাবে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র