Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

গরিবের ওপর বড় ট্যাক্স পড়ছে না: এনবিআর চেয়ারম্যান

গরিবের ওপর বড় ট্যাক্স পড়ছে না: এনবিআর চেয়ারম্যান
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ফাইল ছবি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান করপোরেট ট্যাক্স ব্যবস্থার কারণে গরিব মানুষদের ওপর বড় ট্যাক্স পড়ছে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) এনবিআর সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি এ কথা জানান। এ আলোচনায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে গঠিত সংস্থা বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, 'প্রগ্রেসিভ করপোরেট করের রেট সব দেশে জনপ্রিয়। এটাকে বাদ দেওয়া যাবে না। অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে অনেকে বলেন, করপোরেট ট্যাক্স ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ কিংবা তার চেয়ে কমাতে। তা ঠিক নয়। কারণ আমরা দেখেছি ঐসব দেশেও করেপোরেট ট্যাক্সের হার বেশি। বর্তমান করপোরেট ট্যাক্সের কারণে গরিবের ওপর বড় ট্যাক্স পড়ছে না।'

তিনি বলেন, 'করপরোটে করের হার কমালে আমাদের রাজস্ব ঘাটতি বাড়বে, সেই বিষয়টি সবার মাথায় রাখতে হবে। কারণ দেশের জাতীয় বাজেটের আকার দিন দিন বড় হচ্ছে। সেই অনুসারে আমাদের রাজস্ব যাতে বাড়ে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।'

ব্যক্তি কর মুক্ত সীমা আড়াই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখের ওপরে করার দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, 'আয়করমুক্ত সীমা বাড়াবো না, আমরা এটা বলছি না, তবে এতে আমাদের রাজস্ব আদায় কমে আসবে। রাজস্ব কমবে এমন কোন কাজ করা যাবে না। তবে আয়করের আওতা বাড়ানো গেলে আপনাদের দাবি রাখা যেতে পারে। তবে আমরা কাজ করছি, কিভাবে আপনাদের দাবি রাখা যায়। সেই জন্য আমরা আয়করের আওতা বাড়াতে চাচ্ছি। আশা করছি, এটা বাড়ানো গেলে আপনাদের দাবি পূরণ করা যাবে।'

রাজস্ব আদায়ই প্রধান লক্ষ নয় বিনিয়োগ বাড়াতে পলিসি তৈরি করছে এনিবআর, উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এনবিআরের পলিসি নিয়ে আপনারা আলোচনা করেছেন। আপনাদের জন্য বলছি, আমরা আপনাদের সব সময় অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছি। আমাদের পলিসির কারণে আজ গার্মেন্টস রফতানিতে এতো বৃদ্ধি পেয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তা২৪.কম

দেশে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ অবৈধ ১৭৫ কোটি টাকার রুপা, সোনা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল।

তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, স্বর্ণ মেলায় এখন পর্যন্ত  এক হাজার ২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করান।  মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর (এনবিআরের) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

গত ২৩ জুন সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। মেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এনবিআরের সদস্য (কর ও প্রশাসন) কানন কুমার রায়।

মেলায় ব্যবসায়ীরা ভরিপ্রতি রুপা ৫০ টাকা, স্বর্ণ ভরপ্রতি ১ হাজার এবং ডায়মন্ড ভরিপ্রতি ৬ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন। ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মেলার আয়োজন করে এনবিআর ও বাজুস।

তিন দিনব্যাপী ‘স্বর্ণ মেলা-২০১৯'র প্রথম দুদিনে মোট ৫১ কোটি টাকার সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র