Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেটে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা চায় বিজিএমইএ

বাজেটে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা চায় বিজিএমইএ
বিজিএমইএ এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বক্তব্য রাখছেন, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তায় দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্ততকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ'র নবনির্মিত কমপ্লেক্সে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অর্থনৈতিক রিপোর্টারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানা‌নো হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘আপদকালীন সহায়তা হি‌সে‌বে আগামী অর্থবছরের বাজেট পোশাক শিল্প রক্ষায় ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দাবি করছি। এ সহায়তা দিলে সরকারের ব্যয় হবে ১৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এর বিপরীতে সরকার এ শিল্প থেকে চার গুণ বেশি রাজস্ব পাবে।’

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হ‌লো বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই নগদ সহায়তা পেলে অনেক কারখানা বন্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।’

ভ্যা‌টের (মূল্য সং‌যোজন কর) নামে পোশাক ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ ক‌রে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘পোশাক শিল্প ভ্যা‌টের আওতামুক্ত থাকলেও আমরা এর হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছি না। তাই এন‌বিআরকে বল‌বো ভ্যা‌টের না‌মে পোশাক ব্যবসায়ী‌দের হয়রা‌নি বন্ধ করুন।’

বন্ড সুবিধার অপব্যবহারকারীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে এ ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘কিছু ব্যবসায়ী বন্ডের সুবিধার অপব্যবহার করছে। কিন্তু ঢালাওভাবে শিল্পকে দোষারোপ করা হচ্ছে, যা বিজিএমইএ সমর্থন করে না। তাই যারা বন্ডের অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

এখনো ডাবল ডিজিটে ব্যাংক ঋণের সুদহার আদায় করছে অভিযোগ করে বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ‘২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে আমানতের সর্বোচ্চ সুদহার ৬ শতাংশ এবং ঋণের ৯ শতাংশ পরিষ্কার হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত উদ্যোক্তারা বাস্তবে এর কোন সুফল পাচ্ছে না।’

সভায় বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সহ-সভাপতি এস.এস. মান্নান (কচি), সহ-সভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র