Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া / ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উৎপাদনশীল শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী বাজেটে উৎপাদক ও সংযোজন শিল্পের জন্য কর কাঠামো আলাদা আলাদা থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

বুধবার (১৭এপ্রিল) এনবিআর সম্মেলন কক্ষে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা দেশীয় শিল্প প্রসারের উদ্দেশ্যে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি। তবে সম্প্রতি আমাদের নজরে এসেছে অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড সংযোজন কারখানা স্থাপন করে উৎপাদকের যে সব সুবিধা রয়েছে সেগুলো নিচ্ছে। এতে উৎপাদনমুখী শিল্প বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলাই আমরা আগামী বাজেটে সংযোজন শিল্পকে আলাদা করে তাদের জন্য নতুন কর কাঠামো চালু করব। অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড রয়েছে যারা বাংলাদেশে সংযোজন কারখানা স্থাপন করেছে। আমি তাদেরকে ম্যানুফেকচারিং কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নানা সুবিধা দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিল্পের ব্যপক উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষ করে হালকা প্রকৌশল শিল্পে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আমরা রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছি। তৈরি পোশাক শিল্পের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকা যাবে না। এ খাতে কোনো প্রতিযোগী আসলে বা এ শিল্পের কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের রফতানি বাণিজ্যে ধ্বস নামবে। ফলে আমরা চাচ্ছি রফতানি পণ্যের ঝুড়িতে আরও নতুন নতুন পণ্য যুক্ত করতে। এ ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য গুরুত্ব পেতে পারে। টিভি, ফ্রিজ, মোবাইলের ব্যপক চাহিদা রয়েছ। যারা এসব পণ্য রফতানি করতে চাই তাদের জন্য আমরা বন্ড সুবিধা এবং কর ছাড়সহ সব ধরনের সুবিধার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করব।’

এনবিআর শুধু রাজস্ব সংগ্রহের কাজ করে না, শিল্পায়নের জন্যও কাজ করে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারে আবারো পতন

পুঁজিবাজারে আবারো পতন
ছবি: প্রতীকী

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২৪ জুলাই) সূচক কমে লেনদেন চলছে। তবে গত কার্যদিবসে উভয় পুঁজিবাজারে সূচকে বড় উত্থান হয়। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১১ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট ৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে এবং সিএসইতে এক কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৯ পয়েন্ট। ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক কমে ২২ পয়েন্ট। ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৫ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা কমতে থাকে। ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৯ পয়েন্ট কমে যায়। আর বেলা ১১টায় সূচক মাত্র ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে এক হাজার ৮১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে এক হাজার ১৬০ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৭টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিএপিএম আইবিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এটিসিএসএলজিএফ, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং ফাস ফাইন্যান্স।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৪২২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭৪৯ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এইএমএল আইবিবিএল সভরেন ফান্ড, স্কয়ার টেক্সটাইল, এসইএমএলএলইসিএমএফ, ব্যাংক এশিয়া, এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সামিট পাওয়ার এবং ফারইস্ট নিটিং।

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র