সিগারেট রফতানির পরামর্শ এনবিআর চেয়ারম্যানের

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম
বক্তব্য রাখছেন এনবিআর চেয়ারম্যান, ছবি: বার্তা২৪

বক্তব্য রাখছেন এনবিআর চেয়ারম্যান, ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সিগারেট কোম্পানিগুলোকে দেশে ব্যবসা কমিয়ে বিদেশে রফতানির পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

রোববার (২১ এপ্রিল) এনবিআরের কনফারেন্স কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এই পরামর্শ দিয়েছেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান  বলেন, ‘সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়া। আমরা সেই আলোকে বাজেট তৈরি করেছি। আর তাই গত বাজেটে কর বাড়িয়েছি। আগামী বাজেটেও সিগারেটের ব্যবহারের পরিমাণ কমানোর বিষয় বিবেচনায় রেখে এবারের বাজেটে দাম নির্ধারণ করা হবে।’

বাংলাদেশ সিগারেট ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েন অব মোবাইল অপারেটরস বাংলাদেশ (এমটব), বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

সংগঠনের প্রতিনিধি জাকির ইবনে হাই বলেন, ‘কর ফাঁকি দিয়ে বাজারে সস্তা সিগারেটে সয়লাব। এখন রাইস মিলের ভেতরে সিগারেট বানাচ্ছে। রাজস্ব আদায়ের অন্যতম প্রধান সেক্টর যদি এই অবস্থা হয়। তাহলে কোথায় যাবো? খাত টিকে না থাকলে সরকারই রাজস্ব বঞ্চিত হবে।

তিনি বলেন, ‘গত বছর আমাদের ওপর নতুন করে করারোপ করেছে। ব্যবসা টিকিয়ে রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। আমাদের দাবি এক তরফা সিগারেটের দাম বাড়াবেন না। পলিসিতে বৈষম্য করবেন না। অন্যান্য সেক্টরের মতোই সমান সুযোগ দেবেন। কারণ আমরাই সরকারকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব দিয়ে থাকি।’

এছাড়াও নতুন ভ্যাট আইনেও তারা ১৫ শতাংশ ভ্যাট রাখার পক্ষে প্রস্তাব দিয়েছে।

তার প্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা এমন কর ব্যবস্থা ধরে দিতে চাই। যাতে দেশের ভেতরে সিগারেট ধূমপায়ীদের সংখ্যা কমে আসে। এক্ষেত্রে আমরা রফতানিতে উৎসাহ দিতে চাই। গত বাজেটেও রফতানিতে শূন্য শতাংশ কর দিয়েছি।’

আপনারা এই সুযোগটা কাজে লাগান।

আপনার মতামত লিখুন :