Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেটে সিম কার্ডের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবি

বাজেটে সিম কার্ডের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবি
সিম কার্ড থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয় এনবিআরের কনফারেন্স কক্ষে, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসছে বাজেটে মোবাইলফোনের সিম ও রিমের ওপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক ও মূল্যসংযোজন কর প্রত্যাহারসহ ৭দফা দাবি জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস বাংলাদেশ (এমটব)। বর্তমানে সিম ও রিম সরবরাহ করতে ৩৬ দশমিক ৬৫ টাকা মূল্যসংযোজন কর এবং ৬৩ দশমিক ৩৫ টাকা সম্পূরক শুল্ক দিতে হয়।

রোববার (২১ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কনফারেন্স কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এমটবের প্রতিনিধি ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেন।

এনবিআরের চেয়ারম্যানের মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এ সময় বাংলাদেশ সিগারেট ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

সংগঠনের প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে- ট্যাক্স আপিলের জন্য অমীমাংসিত করের হার কমানো, ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সরকারের লেভি অর্থাৎ ভ্যাট এসডি এবং সারচার্জ অব্যাহতি, সকল অস্পর্শনীয় সম্পদের ওপর অবলোপন সুবিধা এবং সর্বনিম্ন কর প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।

প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান মামলা মোকাদ্দমা করে কর দিতে দেরি করে। এক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ বছরও লেগে যায়। সরকার যেন তার রেভিনিউ পায় এজন্য এটি করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সব প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মামলা মোকাদ্দমা না করে সরাসরি আসুন বসুন, আমরা সমাধানে চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবার প্রস্তাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আগামী বাজেটে সেগুলো অন্তর্ভুক্তকরা হবে।’

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘রেভিনিউ আদায় এনবিআর এর কাছে মুখ্য নয়। আমরা চাই দেশে ইনভেস্টমেন্ট আসুক। শুধু গার্মেন্টস নয় অন্যান্য কোম্পানিগুলো এক্সপোর্ট করুক। এক্ষেত্রে প্রচলিত ও অপ্রচলিত সব পণ্যই এক্সপোর্ট হোক।’

বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত সব কোমলপানীয়র উপর থেকে সম্পূরক শুল্ক হার কমানোর দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোতে কোমল পানীয়ের স্থানীয়কর হার অনেক কম। ভারতে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ২৯ দশমিক ২ শতাংশ, নেপালে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ, ভুটানে ৩০ শতাংশ, আর বাংলাদেশে তা ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশে এটি সর্বোচ্চ। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখানে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন বলেই আমি মনে করি।’

তাদের দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা এনার্জি ড্রিংকস তৈরির জন্য বিএসটিআইয়ে আবেদন করুন। আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সঙ্গে কথা বলে তার ব্যবস্থা করব।’

আপনার মতামত লিখুন :

দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার!

দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার!
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দরপতন পিছু ছাড়ছে না দেশের শেয়ারবাজারের। টানা পতনে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। নতুন অর্থবছরের বাজেটে প্রণোদনার পাশাপাশি নানামুখী পদক্ষেপ ও আশ্বাসের পরও দরপতন থামছে না।

নতুন এই দরপতনে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। আর তাতে লাভের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছেন ৪১ হাজার কোটি টাকার। চরম হতাশায় গত ১১ কার্যদিবসে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন প্রায় ১ লাখ বিনিয়োগকারী।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিওর) ও রাইট শেয়ার ছেড়ে টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগসাজশে শেয়ার কারসাজি করায় ব্যাংক খাতের মতই পচে গেছে পুঁজিবাজার।

পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজার নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু লোকের হাতে জিন্মি হয়ে আছে। এখানে কোনো সুশাসন নেই। এখানে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। এটা আর ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।

ইবিএল সিকিউরটিজের বিনিয়োগকারী সজল সাইদ রিপন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে অভিযোগ করে বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউজ এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার লোকেরাই দুর্নীতি অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তারা পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে চায় না। বরং ইউনাইটেড এয়ার, কপারটেক, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজসহ যেসব কোম্পানির কোনো অস্তিত্ব নেই, সেসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে উৎসাহিত করছে। এসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হাওয়ার ২-৩ বছর পর থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে চলে যাচ্ছে। লাভের আশায় বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

লঙ্কা বাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মুনশি আহাদ আলী বলেন, পুঁজিবাজার পচে গেছে। এটা আর ভালো হবে না। তার কারণ এখানে গত ৮-৯ বছরে যেসব কোম্পানি লিস্টেড হচ্ছে, সবগুলো খারাপ। এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের চরম দুরাবস্থার পাশাপাশি পিপল লিজিং কোম্পানির অবসায়নের ঘোষণার পর আর্থিক খাতের প্রতিও বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার মত কোম্পানি খুঁজে পাচ্ছেন না তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারে উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বাজারে আস্থা ও তারল্য সংকট দূর করা। কারণ, এখন খারাপ কোম্পানির শেয়ারের কারণে ভালো কোম্পানির শেয়ারের দামও পাল্লা দিয়ে কমছে। দেশীয় বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি বিদেশিরাও পুঁজিবাজার ছেড়ে পালাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে পুঁজিবাজারই ধ্বংস হয়ে যাবে।

বাজারের সার্বিক চিত্র:
চলতি অর্থবছরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১১ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কার্যদিবস সূচক কমেছে আর ৩ কার্যনদিবস সূচক বেড়েছে। ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৩০ পয়েন্ট কমে ৫ হজার ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা গত আড়াই বছর আগের অবস্থানে ফিরেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২১ হাজার ৭৫ কোটি টাকার বেশি।

চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে ১ হাজার পয়েন্ট। বিনিয়োগকারীদের মূলধন কমেছে ২০ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজার ছেড়েছেন দেড় লাখ বিনিয়োগকারী:
শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য মতে, লাভের পরিবর্তে নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবশেষ ১৫ দিনে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন প্রায় দেড় লাখ বিনিয়োগকারী। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা ছিলো ২৮ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি। কিন্তু সেখান থেকে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বিও হিসাব কমে ১৫ জুলাই দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৭ হাজারে।

দরপতনের প্রতিবাদে এবং বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে মতিঝিলের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি ১০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন ও নতুন করে কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রাখার দাবি জানাচ্ছেন তারা।

বিনিয়োগকারী ঐক্য পষিদ নেতা আতাউল্লাহ নাইম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পুঁজিবাজার এখন মুমুর্ষু অবস্থায় রয়েছে। পুঁজি হারিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন দোলাচলে রয়েছেন। প্রত্যক দিন পতন হচ্ছে, আমরা চেয়ে চেয়ে দেখছি।

আইসিবি এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো আস্থা ও তারল্য সংকট দূরের লক্ষ্যে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেদের সুবিধাগুলো আদায়ে ব্যস্ত তারা, বাজারকে সাপোর্ট দিচ্ছে না।

ডিএসই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজারের প্রতি এমনিতেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। তারপরও ব্যাংক খাতের নানা অনিয়মের পর এবার আর্থিক খাতের পিপল লিজিংয়ের অনিয়ম ধরা পড়েছে। ফলে এই সেক্টরের কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও কমেছে। এছাড়াও প্লেসমেন্ট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিগুলোর কারণে দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার।

পিপলস লিজিংয়ের সঙ্গে ব্যাংকের লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা

পিপলস লিজিংয়ের সঙ্গে ব্যাংকের লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা
পিপলস লিজিং

পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেন বন্ধের একদিন পর পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) সঙ্গে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে কোন ধরনের লেনদেন না করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে ‘গো এএমএল’ সফটওয়ারের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বিএফআইইউ’র ‘গো এএমএল’ সফটওয়ারের মাধ্যমে পিপলস লিজিংয়ের সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ বিষয়ক সব ধরনের সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।

পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের অবসায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কত দিন সময় লাগতে পারে সে বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

পিপলস লিজিংয়ে ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে খেলাপি ৭৪৮ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৬৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। ধারাবাহিক লোকসানের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের পর থেকে কোন লভ্যাংশ দিতে পারেনি।

গত ২১ মে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থমন্ত্রণালয়ে পিপলস লিজিংয়ের অবসায়নের আবেদন করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৬ জুন অর্থমন্ত্রণালয় তা অনুমোদন দেয়। গত ১০ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক অবসায়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক আদালতে অবসায়ক নিয়োগ দেওয়ার জন্য আবেদন করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যাবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান খানকে সাময়িকভাবে অবসায়ক নিয়োগ দেন আদালত।

পিপলস লিজিংয়ের অবসায়নে দায়ের করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ৯ পরিচালকসহ ১১ জনের হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকার।

যেসব ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তারা হলেন- পিপলস লিজিংয়ের সাবেক পরিচালক এম মোয়াজ্জেম হোসেইন, নারগিস আলামিন, হোমাইরা আলামিন, আরেফিন সামসুল আলামিন, মোহাম্মদ ইউসুফ ইসমাইল, মতিউর রহমান, বিশ্বজিৎ কুমার রায়, খবিরুদ্দিন মিয়া, মোহাম্মদ সহিদুল হক এবং পিপলস লিজিংয়ের শীর্ষ দুই কর্মকর্তা কবির মুস্তাক আহমেদ ও নৃপেন্দ্র চন্দ্র পণ্ডিত। এ ১১ ব্যক্তির সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবের ওপর কেন অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না, তা-ও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র