Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কোনো প্রবলেম নেই, পুঁজিবাজার ঠিক আছে: অর্থমন্ত্রী

কোনো প্রবলেম নেই, পুঁজিবাজার ঠিক আছে: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা তিনমাস ধরে চলা দরপতনকে পুঁজিবাজারের জন্য খারাপ মনে করছেন না অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বরং তিনি বলছেন, ‘পুঁজিবাজারের অবস্থাকে আমি খারাপ বলবো না। এটা ঠিক আছে, ভালো আছে। পুঁজিবাজারে এখন কোনো প্রবলেম নেই।’

গত ২৭ জানুয়ারির পর থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দুই বাজারে দরপতন চলছে। এই দরপতনে সূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট। এতে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। ক্ষতি ঠেকাতে ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়ে রাস্তায় নেমেছে বিনিয়োগকারীরা। সোমবার সন্ধ্যায় (২২এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএসইসি ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তাহলে বিদেশ সফর শেষে ছুটির দিনে কেন জরুরি বৈঠকে বসেছেন এর জবাবে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন,‌‌‌ ‌‌আপনারা তো পত্রিকায় লিখছেন পুঁজিবাজার নেই, বাংলাদেশ নেই, আমরাও নেই। তাই ছুটির দিনেও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) এলাম। সব কিছু জানলাম। আমি তো পুঁজিবাজারে অবস্থা ঠিকই আছে দেখলাম।

উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, কোথায় সেই রকম ঘটনা ঘঠেছে। মার্কেট কোথায় ফল (ধস) করছে? মার্কেটের সূচক কত ছিলো আগে, সূচক ছিলো সাড়ে ৪ হাজার পয়েন্ট, সেটা বেড়ে হয়েছিলো ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্ট। এখন সেটা কমে ৫ হাজার ৩০০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। তাতে এমন কি হয়েছে?

তাহলে মার্কেটে কোনো প্রবলেম নেই বলে মনে করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে উঠা-নামা করতেই পারে। গত ২০ বছর ধরে এতো লম্বা সময় ধরে মার্কেটে দরপতন হয়নি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এটা ঠিক না। আপনি জানেন না। আগে জেনে আসুন। আর দরপতন হতেই পারে। জাপানে তো ১৯৮৯ সালে ৩৯ হাজার ছিলো সেখান থেকে কমে ২০০৭ সালে সূচক নেমে এসেছে ৭ হাজার পয়েন্টে। আমেরিকায় ১৭ হাজার থেকে ৭ হাজার ও ভারতে ২১ হাজার থেকে ৭ হাজার এ এসেছিল। তবে ভারতে সেই সূচক এখন ২২ হাজার, ২৩ হাজার উঠে গেছে। সব জায়গাতেই এমন হয়।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে কাউকে জোর করে আনতে পারবেন না। কেউ আসতে চাইলে আসবে। না আসলে নেই। মার্কেট খারাপ আমরা দেখি না। এখানে মার্কেট চলে আপনাদের দ্বারা। আপনারাই চালাচ্ছেন। আপনারা যেভাবে চালান মনে হয় যেনো বাজারই নেই। যেভাবে আঁকে (অংঙ্কন করে) দেখান তাতে মনে হয় বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেটেই নেই। কি যে একে দেখান তার অমি বুঝিনা।

আমার কথা বলো, আপনারা যেভাবে দেখান, সেটা হলো ভয় দেখাচ্ছেন, ভয় দেখালে তো হবে না। কারণ আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীরা তো অনান্য দেশের মতো নয়। অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীরা লেখাপড়া জানেন,পুঁজিবাজার বুঝেন,জেনে বুঝে বিনিয়োগ করেন। আর এখানে এই সংখ্যাটা খুবই কম। সবাই যদি বুঝতেন তাহলে বাজার নিয়ে এত শক্তিশালী কমশনের দরকার ছিলো না। অনেক আইন কানুন করা হচ্ছে। শুধুমাত্র বাজারে যারা আসে তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কয়দিন পরপর পুঁজিবাজারে পতন হয়। এরইমধ্যে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে দুটি বড় ধস হয়েছে। এর পেছনে নিশ্চয় কেউ না কেউ আছে। এদেরকে খুঁজে বের করতে হবে। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে বাজারে কারসাজিকারীদের আইনের আওতায় আনা হয়। জেল জরিমানা করা হয়। সুন্দরভাবে আইন করা আছে। এমনটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশে খুবই কম।

একসময় বাজারে মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ৮০-৯০ ছিল বলে জানান আহ ম মুস্তফা কামাল। এখন সেটা ১৫-২০ এর ঘরে রয়েছে। এ থেকেই বোঝা যায় বাজার ভালো অবস্থানে রয়েছে। পিই কম থাকা বাজারের জন্য ভালো। এখন শেয়ার দর অতিমূল্যায়িত অবস্থায় নেই।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র