Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেথানল ফুয়েল সেল নিয়ে আসছে ইডটকো ও জাস টেলিকম

মেথানল ফুয়েল সেল নিয়ে আসছে ইডটকো ও জাস টেলিকম
ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেথানল নির্ভর ফুয়েল সেল নিয়ে আসার ঘোষণা দিল ইডটকো ও জাস টেলিকম লিমিটেড। এটি সবুজ জ্বালানি ব্যবহার করে এবং আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়ে শব্দ দূষণ ও পরিবেশ দূষণ হ্রাস করবে।

এছাড়া এই সমাধান ডিজেল জেনারেটরের জন্য একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে নির্ভরযোগ্য শক্তি হিসেবে কাজ করে। নতুন সমাধানের এই সুবিধাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ কম কার্বন নির্গমন নিশ্চিত, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কিছু নেই এবং মাসিক খরচ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ডিজির তুলনায় কম, নির্ভরযোগ্য ও প্রাপ্যতার পরিমাণ বেশি এবং ফুয়েল সেল হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ খুব সহজ এবং সাধারণ উল্লেখযোগ্য।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাস টেলিকম লিমিটেড বাংলাদেশের প্রথম কোম্পানি যেটি মিথানল ফুয়েল সেল ভিত্তিক পাওয়ার সিস্টেমগুলো বাণিজ্যিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এই সিস্টেমগুলো ৬ মাসের ট্রায়ালের জন্য ইডটকো বাংলাদেশের সাইটগুলোতে অংশীদারিত্বে স্থাপন করা হয়েছে।

ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাহুল চৌধুরী বলেছেন, ‘ডিজেল জেনারেটর কার্বন নির্গমন এবং শব্দ দূষণ তৈরি করে। কিন্তু ইডটকো তার ক্রমাগত উদ্ভাবন এবং ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে কম কার্বন নির্গমন নিশ্চিত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। যা উন্নত সেবার মান নিশ্চিত করার সাথে পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করবে।

জাসের সিইও তৌফিক মালেক বলেন, ‘মেথানল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়-এটি সবুজ এবং ডিজেল ও অকটেনের মত জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানির মূল্যের ঊর্ধ্বগতির তুলনায় স্বাধীন।’

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইডটকো গ্রুপ এশিয়াতে প্রথম আঞ্চলিক ও সমন্বিত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো পরিষেবা সংস্থা।

জাস টেলিকম বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে সংযুক্ত টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম বিক্রেতা।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র