Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

উভয় পুঁজিবাজারে সূচক-লেনদেন বেড়েছে

উভয় পুঁজিবাজারে সূচক-লেনদেন বেড়েছে
ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন ও সূচক দুটিই বেড়েছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ ও শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সূচক ও লেনদেন বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৬১ পয়েন্ট।

অন্যদিকে, এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৩২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি এক লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় ১০টা ৩০ মিনিটে, এরপর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ৩২ পয়েন্ট বাড়ে। তবে এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। আর বেলা সাড়ে ১১টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৯ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর সূচক ওঠানামা করলেও বেলা ২টায় সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ২৭ পয়েন্ট বাড়ে। আর বেলা আড়াইটায় লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২১৩ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৩২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০২টির, কমেছে ১০২ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বৃহস্পতিবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, ন্যাশনাল টিউবস, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, ব্র্যাক ব্যাংক, ফাইন ফুড, ইউনাইটেড পাওয়অর, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যাল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং যমুনা ব্যাংক।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৬১ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৩০৫ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১০২ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ১৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি এক লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- জেনেক্সিল, আজিজ পাইপ, এনভয় টেক্সটাইল, এএফসি অ্যাগ্রো, বঙ্গজ, স্টান্ডার্ড সিরামিকস, ইমাম বাটন, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিল, শাশা ডেনিমস এবং পিএলএফএসএল।

আপনার মতামত লিখুন :

সূচক বেড়েছে উভয় পুঁজিবাজারে

সূচক বেড়েছে উভয় পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৯ আগস্ট) সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে লেনদেন কার্যক্রম। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৫ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১২ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২৩ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ২২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ২৩ পয়েন্ট বাড়ে। দুপুর ১২টায় সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। দুপুর ১টায় সূচক ১২ পয়েন্ট বাড়ে। দুপুর ২টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২২৭ পয়েন্টেই অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২০২ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সোমবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেপিসিএল, ওরিয়ন ফার্মা, জেএমআই সিরিঞ্জ, মুন্নু সিরামিকস, কপারটেক, সিনোবাংলা, সিলকো ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বঙ্গজ এবং স্কয়ার ফার্মা।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৭১৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৯৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৯৯৮ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- তাল্লু স্পিনিং, মেঘনা সিমেন্ট, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সমরিতা হাসপাতাল, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ইস্টার্ন টেক্সটাইল এবং কেয়া কসমেটিকস।

বিনিয়োগকারী শূন্যে নিষ্প্রাণ পুঁজিবাজার

বিনিয়োগকারী শূন্যে নিষ্প্রাণ পুঁজিবাজার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট ও বাংলাদেশে ব্যাংকের মুদ্রানীতি ঘোষণাসহ একের পর এক ইস্যুতে ভয়াবহ আস্থা সংকটে পড়েছে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। ফলে নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে আসার পরিবর্তে গত মাসে প্রায় ৩ লাখ বিনিয়োগকারী বাজার ছেড়েছে। আর তাতে বিনিয়োগকারী শূন্য হয়ে পড়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারেজ হাউজগুলো।

সোমবার (১৯ আগস্ট) মতিঝিলের ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে গিয়ে দেখো গেছে, অধিকাংশ হাউজগুলোতে বিনিয়োগাকারী শূন্য। হাতেগোনা হাউজে ট্রেডারের সঙ্গে দু-চারজন বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কম্পিউটারে স্ক্রিনের সামনে বসে রয়েছেন। তার মধ্যে দু-একজন শেয়ার কেনা-বেচা করছেন। বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীই হতাশা প্রকাশ করছেন। বাজার ভালো হবে কি না জানতে চাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: চামড়া খাতের শেয়ারের দাম অর্ধেক কমেছে

বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভে পুঁজিবাজারের ভাবমূর্তি..

ডিএসই এনেক্স ভবনের ব্রাক ইপিএলের বিনিয়োগকারী রিপন সাহা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে মাঠে মারা। তিনি বলেন, বাজার এতো খারাপ হবে ভাবতেও পারিনি। বাজার ভালো হওয়ার নতুন কোনো লক্ষণও দেখছি না।

রিপন বলেন, এখন শেয়ারের দাম কম বলে গত ৬ মাসে ৭ লাখ টাকা নতুন করে বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু সেই শেয়ারগুলোর দাম কমে এখন ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ঠেকেছে। ১৫ বছর বিনিয়োগের সময়ে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছি।

নাম না প্রকাশের শর্তে লঙ্কা বাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী বলেন, এটা কি কোনো বাজার হলো। ভালো কোম্পানি দেখে বিনিয়োগ করলেও লস হয়। আসলে বাজারটা গোটা কয়েক সিন্ডিকেটের দখলে। সরকারের উচিত বাজারটাকে বাঁচানো। কারণ পুঁজিবাজার ভালো না থাকলে দেশের অর্থনীতিও ভালো থাকবে না।

ডিএসইর একজন পরিচালক বলেন, বিনিয়োগকারী নেই, লেনদেনেও নেই। সুতরাং আমাদের ব্যবসাও নেই। বেশিরভাগ ব্রোকারেজ হাউজগুলো শূন্য। বাটি চালান দিয়েও বিনিয়োগাকরী খুঁজে পাওয়া যায় না। এভাবে কি ব্যবসা টিকে রাখা সম্ভব?- উল্টো প্রশ্ন করেন তিনি।

তিনি বলেন, ডিএসইর খরচ মেটাতে প্রতিদিন ৫০০ কোটি টাকা লেনদেন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু গত ৭ মাস ধসে ডিএসইর গড় লেনদেন হচ্ছে ৩-৪শ কোটি টাকা। ফলে মুনাফা তো দূরের কথা ডিএসইর ব্যবস্থাপনা ব্যয় মেটাতে রিজার্ভ ভেঙে খেতে হবে ডিএসইকে। আর মুনাফায় আসতে হলে প্রতিদিন এক হাজার কোটি টাকা লেনদেন হতে হবে।

আরও পড়ুন:পুঁজিবাজার ছেড়েছেন ৩ লাখ বিনিয়োগকারী

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কোরবানি ঈদ পরবর্তী প্রথম কার্যাদিবস রোববার (১৮ আগস্ট) ডিএসইতে ৩২৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। তার আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিলো ৪১০ কোটি টাকা, তার আগের দিন হয়েছিলো ৪৪৯ কোটি টাকা।

একই অবস্থা দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতে সোমবার ১৫কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে । এর আগের দিন রোববার লেনেদেন হয়েছিলো ১৬কোটি, তার আগের কার্যদিবসেও হয়েছিলো ১৫কোটি টাকা লেনদেন।

উল্লেখ্য,পুঁজিবাজার ভাল হওয়ার প্রত্যাশায় বছর শুরু হলেও মাত্র ২৭ দিন পর পুঁজিবাজারে শুরু হয় দরপতন। বাংলাদেশের ব্যাংকের মুদ্রানীতি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় দরপতন। এরপর অনৈতিক প্রাইভেট প্লেসমেন্ট, উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রিসহ নানা ইস্যু যোগ হয়। ফলে পুঁজিবাজারে দরপতন লেগেই আছে। আর তাতে অতিষ্ঠ হয়ে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র