Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নগদ টাকার সংকট ষোল ব্যাংকে

নগদ টাকার সংকট ষোল ব্যাংকে
ছবি: সংগৃহীত
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নগদ অর্থ সংকটে পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬টি ব্যাংক। আর তাতে ২০১৮ সালে ব্যাংকগুলোর সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রকৃত মুনাফা হওয়ার পর শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দেয়নি।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, মুনাফার টাকায়, মূলধন ঘাটতি মেটানো হচ্ছে, প্রভিশনিং কিংবা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর তার বদলে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার দিয়েছে।

তাতে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে শেয়ারহোল্ডার তথা পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। যার প্রভাব পড়ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দামে। শেয়ারহোল্ডার ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা এমনই অভিযোগ করেছে।

ব্যাংকগুলো হচ্ছে- ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক ও আরব বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংক লিমিটেড।

শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, ব্যাংকগুলো কাগজে-কলমে মুনাফা দেখিছে। তাই নগদ লভ্যাংশ দিতে পারছে না। বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিচ্ছে।

এবি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার রোকন উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘তিন বছর আগে এবি ব্যাংকের ১০ হাজার শেয়ার কিনেছি। গত বছর লভ্যাংশ দেয়নি। এবছরও মুনাফা হয়েছে। কিন্তু ক্যাশ অর্থাৎ নগদ লভ্যাংশ দেয়নি।’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই ) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বার্তা২৪.কমকে জানান, ব্যাংকগুলো এখন তারল্য সংকটে চলছে এটা ঠিক। তার একটি প্রমাণ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়া। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারী উভয়ের জন্য ক্ষতিকর।

তার কারণ হিসেবে তিনি জানান, বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিলে কোম্পানির মূলধন বাড়ে। কোম্পানির আর্নিং পার শেয়ারে (ইপিএস) নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা এটা প্রত্যাশা করে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বার্তা২৪কমকে জানান, ব্যাংকগুলো ২০১৮ সালে অতিমূল্যায়িত মুনাফা দেখিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে প্রদত্ত ঋণের বিপরীতে সঠিকভাবে সঞ্চিতি গঠন করা হলে, ব্যাংকগুলো লোকসানে পতিত হবে। আর এই দুরবস্থা আড়াল করতেই কৃত্রিম মুনাফা দেখিয়েছে। আর দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ব্যাংকগুলো অতিরঞ্জিত মুনাফা দেখালেও বাংলাদেশ ব্যাংক এক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখে না।

২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে মুনাফার এই টাকার নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ১৩টি ব্যাংক। আর ১৭টি ব্যাংক নগদ অর্থ সংকটের কারণে শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। যার মুনাফার অর্থের পরিমাণ ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকার বেশি। তার মধ্যে ১৬টি ব্যাংকের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এগুলোর বেশির ভাগই গত ২-৩ বছর ধরে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557284585109.gif

প্রতিবেদন অনুসারে, ১৬টি ব্যাংকের মধ্যে বিদায়ী বছর সবচেয়ে বেশি ৫৫৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের। ফলে কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৭ টাকা।

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগের বছর ২০১৭ সালেও ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল। তবে তার আগের বছর ২০১৬ এবং ২০১৫ সালে যথাক্রমে ১০ ও ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557284647719.gif

এরপরের তালিকায় থাকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৪২০ কোটি ২০ লাখ টাকা। তাতে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ০১ টাকা। কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। এর আগের তিন বছর ২০১৭ সালে ৩০ শতাংশ ক্যাশ (নগদ) লভ্যাংশ, ২০১৬ সালে ৩০ এবং ২০১৫ সালে ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557284710769.gif

অন্যদিকে, সবচেয়ে কম মুনাফা হওয়ার তালিকায় থাকা এবি ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। শেয়ারের ইপিএস দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ০৬ টাকা। অর্থ সংকটে থাকা ব্যাংকটি গত বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এর আগের ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে সাড়ে ১২ শতাংশ করে লভ্যাংশ দিয়েছে। ব্যাংকটিতে দীর্ঘদিন ধরে নগদ অর্থ সংকট রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557285728593.gif

সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ২৪৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গত বছরও ব্যাংকটি ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। তবে তার আগের দুই বছর ২০১৬ এবং ২০১৫ সালে যথাক্রমে ২০ এবং ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557284823206.gif

রূপালী ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৪১ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে নগদ অর্থ সংকটে রয়েছে। ফলে ২০১০ সাল থেকে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়ে আসছে। ২০১৭ সালে ২৪ এবং ২০১৬ সালে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ এগুলো কাগজে কলমে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557285024150.gif

২০১৮ সালে মুনাফা বাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রিমিয়ার ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ২২৭ কোটি ২২ লাখ টাকা। ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৪ টাকায়। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ২৯২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ওয়ান ব্যাংকের ১৪১ কোটি ০৪ লাখ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ৩৮৪ কোটি ৯৬ লাখ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১২৪ কোটি ৭৪ লাখ এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের ১৮৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557284999075.gif

এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ১২৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আইএফআইসি ব্যাংকের ১৬৪ কোটি ৬৬ লাখ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ২৬৫ কোটি ৬৪ লাখ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ১৫৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে। আর সেই টাকার বিপরীতে ব্যাংকগুলো শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি), রুপালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক এবং আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। একাধিকবার ফোন দিলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

তবে সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি মো. কামাল হোসাইন মোবাইল ফোনে বার্তা২৪.কমকে জানান, ক্লাসিফাইড লোনের প্রভিশনিং করতে গিয়ে বোনাস শেয়ার দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদও জানান, মুনাফার টাকায় ব্যাংকগুলো মূলধন ঘাটতি মেটাচ্ছে। আবার কেউ কেউ ক্যাপিটাল বাড়াচ্ছে। ফলে কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

সোনা বৈধ বাবদ মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার কর আদায়

সোনা বৈধ বাবদ মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার কর আদায়
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তা২৪.কম

 

দেশে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ ঢাকা বিভাগে অবৈধ রুপা, সোনা এবং ডায়মন্ড বৈধ করতে ১৭৫ কোটি টাকার কর দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল। তবে কত কোটি টাকার সোনা, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করা হয়েছে তার দেননি তিনি।

তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

দিলীপ কুমার আগারওয়াল বলেন, স্বর্ণ মেলায় এখন ( সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা ) পর্যন্ত এক হাজার ২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করান। মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার কর দিয়ে সোনা বৈধ করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর (এনবিআরের) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

গত ২৩ জুন সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। মেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এনবিআরের সদস্য (কর ও প্রশাসন) কানন কুমার রায়।

মেলায় ব্যবসায়ীরা ভরিপ্রতি রুপা ৫০ টাকা, স্বর্ণ ভরপ্রতি ১ হাজার এবং ডায়মন্ড ভরিপ্রতি ৬ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন। ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মেলার আয়োজন করে এনবিআর ও বাজুস।

তিন দিনব্যাপী ‘স্বর্ণ মেলা-২০১৯'র প্রথম দুদিনে মোট ৫১ কোটি টাকার দিয়ে সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ২১০ জন ব্যবসায়ী।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র