Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভ্যাট নিয়ে দূরত্ব ঘোচাল অর্থ মন্ত্রণালয় ও এফবিসিসিআই

ভ্যাট নিয়ে দূরত্ব ঘোচাল অর্থ মন্ত্রণালয় ও এফবিসিসিআই
ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে ভ্যাট আইন। এই আইন কার্যকরের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) মধ্যে যে দূরত্ব ছিল, তা ঘুচে গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় পণ্যে ভ্যাট আরোপ করলেও দাম না বাড়াতে রাজি হয়েছে এফবিসিসিআই।

মঙ্গলবার (১৪ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কার্যালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের বৈঠক হয়। দুপুরে দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠক শেষে তারা জানান, ভ্যাট নিয়ে উভয় পক্ষের দূরুত্ব আলোচনার মাধ্যমে দূর হয়েছে।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো পণ্যে ভ্যাট বাড়ছে না, বরং কমতে পারে। এর বাইরে অর্থ মন্ত্রণালয় ভ্যাটের এলাকা বাড়াবে। এক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের সহযোগিতা করবে এফবিসিসিআই।

কোন পণ্যে কত ভ্যাট বসছে, সেটা দেখার দাবি এতদিন জানিয়ে আসছিল এফবিসিসিআই। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘যেভাবে গণমাধ্যমে খবর আসছে, বিষয়টা সেরকম না। ফেডারেশনের সঙ্গে আমরা বসেছি, কথা বলছি, বুঝতে পারলাম ভুল বোঝাবুঝি কোথাও একটা হয়েছে। আমরা লেখালেখি করছি, তারাও লেখালেখি করছে। আমরা যেখানে যেভাবে শুরু করেছিলাম, আমরা সেভাবেই করব। তারা আশ্বস্ত করেছেন, তাদের কোনো আপত্তি নেই।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের একটি কথা ছিল, আমরা চূড়ান্ত করার পর তাদের একটা সুযোগ দেব দেখানোর জন্য। কিন্তু ভ্যাট আইনটি এমন একটি আইন, যেটি বাজেটে পাশ না করা পর্যন্ত, আমরা যা করলাম এটা নিয়ে আলোচনা করা যায় না। টেকনিক্যালি ডিফিক্যাল্টির কারণে আমরা সেটা করতে পারিনি।’

ভ্যাট নিয়ে দূরত্ব ঘোচাল অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীরা

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন বলেন, ‘মন্ত্রী আমাদের যে আশ্বাস দিয়েছেন, আমরা সেটার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে চাই। আমাদের যিনি ট্যাক্স দিচ্ছেন তিনি কোনো অবস্থাতেই ব্যথা পাবেন না, কিন্তু ট্যাক্স দেবেন। আমরা সিস্টেমটাই ওভাবে ডেভেলপ করছি। আমাদের আস্থার জায়গাটা, তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলেছেন, কোনো জায়গায় ট্যাক্স বৃদ্ধি পাবে না। বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কমবে। সুতরাং এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু নেট (এলাকা) তিনি বাড়াবেন। এটার জন্য যা যা করণীয় তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করব।’

তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত কোনো সেক্টরে বা কোনো পণ্যে কোনো অসুবিধা হয়, সেটি নিশ্চয়ই তারা বিবেচনায় নেবেন। ওটার ওপর আমরা যথেষ্ট আস্থা রেখেছি।’

এর আগে প্রধান উদ্বেগের জায়গা ছিল- কোন পণ্যে কত রেট হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা মন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন, ওটা বাজেটের আগে যদি বলে দেন তাহলে অসুবিধা হবে। আপনাদের এটা বিবেচনায় নিতে হবে।’

এ সময় এক সংবাদকর্মী প্রশ্ন করেন, এফসিসিআই তো দীর্ঘদিন ধরে বাজেট প্রণয়ের সঙ্গে জড়িত। তাহলে আপনারা এমন দাবি কেন জানিয়েছিলেন যে, আপনাদের সব দেখিয়েই করতে হবে?

এর জবাবে এফসিসিআইয়ের এক প্রতিনিধি ওই সংবাদকর্মীর পরিচয় জানতে চান। তখন পরিচয় দিলে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আপনাকে তো এর উত্তর মন্ত্রী মহোদয় বলেই দিয়েছেন। আপনি এভাবে বলতে পারেন না।’

তখন ওই সংবাদকর্মী বলেন, আমরা তো প্রশ্ন করতেই পারি। এ নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলে অর্থমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র