Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসইতে প্রধান সূচক ২১, সিএসইতে কমেছে ৩২ পয়েন্ট

ডিএসইতে প্রধান সূচক ২১, সিএসইতে কমেছে ৩২ পয়েন্ট
শেয়ার বাজার, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৫ মে) সূচককমে দিনের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২১ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধানসূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩২ পয়েন্ট।

অন্যদিকে, বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৫১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই

বুধবার ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেন শুরু হয় ১০টায়, এরপর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকেই সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। তবে বেলা ১০টা ৩০ মিনিটের পর থেকে সূচক আবারও বাড়তে থাকে। এ সময় সূচক বাড়ে মাত্র ৮ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ২১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। এরপর থেকে সূচক আবারও কমতে থাকে। বেলা ১১টায় সূচক মাত্র ১১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। আর বেলা সাড়ে ১১টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট কমে। বেলা ২টায় লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৯৬ পয়েন্ট।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩ টি কোম্পানির। দাম কমেছে ১৭৩ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ব্র্যাক ব্যাংক, ফরচুন সু, স্কয়ার ফার্মা, প্রিমিয়ার ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ফাস ফাইন্যান্স, মুন্নু সিরামিকস, ওআইমেক্স, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং এসএস স্টিল।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৩২ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৩২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৯০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৫০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯১২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

দিন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন, দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ফনিক্স ইনস্যুরেন্স, মাইডাস ফাইন্যান্স, ইটিএল, প্রিমিয়ার লিজিং, পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল ফিড মিল, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রফতানি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার ৫.৩৯ শতাংশ বেশি: বাণিজ্যমন্ত্রী

রফতানি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার ৫.৩৯ শতাংশ বেশি: বাণিজ্যমন্ত্রী
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত অর্জন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭-১৮ অর্থবছরে রফতানি (পণ্য ও সেবা খাত) আয়ের পরিমাণ ছিল ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট রফতানির ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিপরীতে রফতানি আয়ের পরিমাণ ৪৬ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জন হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় রাফতানি বৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

তিনি আরও বলেন, ‘সেবা খাতে এ বছর রফতানির পরিমাণ ৫ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার প্রবৃদ্ধির হার ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর তৈরি পোশাক খাতে রফতানির পরিমাণ ৩৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা মোট রফতানির ৮৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়ানোর বিষয়ে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে না বলে দাম কিছুটা বেড়েছে। আমরা সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’

কোরবানিতে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টিসিবির মাধ্যমে ভারত ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। কোরবানির আগে পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ থাকবে। ফলে ঈদে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।’

‘সব সেক্টর রফতানি পণ্যে সমান সুবিধা পাবে’

‘সব সেক্টর রফতানি পণ্যে সমান সুবিধা পাবে’
সালমান এফ রহমান

সব ধরনের পণ্য বিদেশে রফতানিতে উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক খাতের মতই সব খাতের পণ্য রফতানিতে সমান সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশি রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ শীর্ষক ওয়ার্কশপে এ কথা বলেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএসসি) ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

সালমান এফ রহমান বলেন, রফতানি পণ্য বহুমুখী করতে হবে, তবে সেটা পোশাককে বাদ দিয়ে নয়। পোশাকে আমরা দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছি। আরো উন্নতির সুযোগ আছে। পাশাপাশি অন্য খাতের রফতানি বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, পোশাকের মত সব রফতানি খাত সমান সুযোগ পাবে। অতীতে আমরা সেই সুযোগ দিতাম না। এবার সে সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের গার্মেন্টসের পণ্যের বহুমুখীকরণ হয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস পণ্যের বাজারেরও বহুমুখীকরণ হয়েছে। আগে আমরা আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে রফতানি করতাম, এখন বিশ্বের অনেক দেশে গার্মেন্টস পণ্য রফতানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তবে শিল্পের এক খাত থেকে যখন আমরা অন্য খাতে যাচ্ছি, তখনই আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের শ্রমিক সংকট না হলেও ম্যানেজারের সংকট হয়। সেই অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বাইরে থেকে ম্যানেজার আনি। আশা করি, ভবিষ্যতে এ সংকট থাকবে না।

দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষক বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই উদ্যোক্তাদের ৬৪ জেলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। উদ্যোক্তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘চাকরি চাই না, চাকরি দিতে চাই’, বলেন সালমান এফ রহমান।

ইআরএফ’র নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্কশপে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সিনিয়র ইকোনমিস্ট মাশরুর রিয়াজ ও বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ হোসনা ফেরদৌস।

সালমান এফ রহমান জানান, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যখন ইজ অব ডুইং বিজনেসের র্যাং কিং ঘোষণা করবে, আশা করছি বাংলাদেশের র্যাং কিং ডাবল ডিজিটে থাকবে। যদি আমাদের আশা পূর্ণ হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা), বেপজা ও হাইটেক পার্ক এসব জায়গায় যারা বিনিয়োগ করবে, তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সুবিধা পাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র