Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'নিষিদ্ধ' ৫২ পণ্য বিক্রি করবে না স্বপ্ন

'নিষিদ্ধ' ৫২ পণ্য বিক্রি করবে না স্বপ্ন
'নিষিদ্ধ' ৫২ পণ্য বিক্রি করবে না স্বপ্ন, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি ব্র্যান্ডের পণ্য জব্দ, ধ্বংস ও উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট কিংবা যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ওইসব পণ্য সুপারশপ স্বপ্ন-এর সব আউটলেটে বিক্রি করা বন্ধ রাখছে।

আরও পড়ুন: প্রাণ-এসিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২ ভেজাল পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

স্বপ্ন-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব সাব্বির হাসান নাসির এ ব্যাপারে বলেন, 'বিএসটিআই পরীক্ষায় ৫২টি ব্রান্ডের পণ্য অকৃতকার্য হওয়ায় মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশ জারি এবং বিএসটিআই এর প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, 'নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য যেকোনো পণ্যের গুণগত মানের ব্যাপারে স্বপ্ন কোনোরকম ঝুঁকি আগেও নেয়নি আর আসছে দিনগুলিতেও নেবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই ৫২টি ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি বন্ধ রাখব। একই সাথে সম্মানিত ক্রেতাসাধারণকে অনুরোধ করব বিকল্প ব্রান্ডের পণ্য কেনার জন্য।'

উল্লেখ্য, গত ১২ মে বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের ৫২ ভেজাল পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১০ দিনের মধ্যে এসব পণ্য প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। আদালত বলছেন, এসব পণ্য নষ্ট করে ফেলতে হবে যাতে তৃতীয় কারও হাতে না যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

রফতানি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার ৫.৩৯ শতাংশ বেশি: বাণিজ্যমন্ত্রী

রফতানি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার ৫.৩৯ শতাংশ বেশি: বাণিজ্যমন্ত্রী
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত অর্জন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭-১৮ অর্থবছরে রফতানি (পণ্য ও সেবা খাত) আয়ের পরিমাণ ছিল ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট রফতানির ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিপরীতে রফতানি আয়ের পরিমাণ ৪৬ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জন হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় রাফতানি বৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

তিনি আরও বলেন, ‘সেবা খাতে এ বছর রফতানির পরিমাণ ৫ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার প্রবৃদ্ধির হার ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর তৈরি পোশাক খাতে রফতানির পরিমাণ ৩৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা মোট রফতানির ৮৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়ানোর বিষয়ে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে না বলে দাম কিছুটা বেড়েছে। আমরা সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’

কোরবানিতে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টিসিবির মাধ্যমে ভারত ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। কোরবানির আগে পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ থাকবে। ফলে ঈদে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।’

‘সব সেক্টর রফতানি পণ্যে সমান সুবিধা পাবে’

‘সব সেক্টর রফতানি পণ্যে সমান সুবিধা পাবে’
সালমান এফ রহমান

সব ধরনের পণ্য বিদেশে রফতানিতে উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক খাতের মতই সব খাতের পণ্য রফতানিতে সমান সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশি রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ শীর্ষক ওয়ার্কশপে এ কথা বলেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএসসি) ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

সালমান এফ রহমান বলেন, রফতানি পণ্য বহুমুখী করতে হবে, তবে সেটা পোশাককে বাদ দিয়ে নয়। পোশাকে আমরা দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছি। আরো উন্নতির সুযোগ আছে। পাশাপাশি অন্য খাতের রফতানি বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, পোশাকের মত সব রফতানি খাত সমান সুযোগ পাবে। অতীতে আমরা সেই সুযোগ দিতাম না। এবার সে সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের গার্মেন্টসের পণ্যের বহুমুখীকরণ হয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস পণ্যের বাজারেরও বহুমুখীকরণ হয়েছে। আগে আমরা আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে রফতানি করতাম, এখন বিশ্বের অনেক দেশে গার্মেন্টস পণ্য রফতানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তবে শিল্পের এক খাত থেকে যখন আমরা অন্য খাতে যাচ্ছি, তখনই আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের শ্রমিক সংকট না হলেও ম্যানেজারের সংকট হয়। সেই অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বাইরে থেকে ম্যানেজার আনি। আশা করি, ভবিষ্যতে এ সংকট থাকবে না।

দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষক বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই উদ্যোক্তাদের ৬৪ জেলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। উদ্যোক্তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘চাকরি চাই না, চাকরি দিতে চাই’, বলেন সালমান এফ রহমান।

ইআরএফ’র নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্কশপে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সিনিয়র ইকোনমিস্ট মাশরুর রিয়াজ ও বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ হোসনা ফেরদৌস।

সালমান এফ রহমান জানান, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যখন ইজ অব ডুইং বিজনেসের র্যাং কিং ঘোষণা করবে, আশা করছি বাংলাদেশের র্যাং কিং ডাবল ডিজিটে থাকবে। যদি আমাদের আশা পূর্ণ হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা), বেপজা ও হাইটেক পার্ক এসব জায়গায় যারা বিনিয়োগ করবে, তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সুবিধা পাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র