Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিদেশি কোম্পানি একক ব্যবসা করতে পারবে না: অর্থমন্ত্রী

বিদেশি কোম্পানি একক ব্যবসা করতে পারবে না: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল / ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘ট্রান্সফার প্রাইসিং হোক আর যাই হোক, এ দেশে বিদেশি বেশকিছু কোম্পানি কাজ করে। বিদেশি কোম্পানি এককভাবে ব্যবসা করতে পারবে না। কারণ এককভাবে বিদেশি কোম্পানি কাজ করে এমন কোম্পানি থেকে আমরা রাজস্ব পাই না। তাই বিদেশি কোনো কোম্পানি বাংলাদেশে কাজ করতে হলে তাদেরকে বাংলাদেশের কোনো কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। অন্তত আমরা যেন অর্ধেক রাজস্ব পাই।’

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সচিবালয়ে মানি লন্ডারিং সম্পর্কিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ব্যাংক ব্যবস্থা এবং আমদানি-রফতানির আড়ালেই অর্থপাচার হয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘অর্থপাচার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অর্থপাচার রোধে সকল আমদানি-রফতানিকৃত পণ্য যথাযথভাবে স্ক্যানিং করা হবে। পাশাপাশি ওভার অ্যান্ড আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের জরিমানার পাশাপাশি মামালা করা হবে। মামলার রায় অনুযায়ী তাদেরকে কঠোর শ্বাস্তির দেওয়া হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের অর্থ পাচার মূলত ব্যাংক ও এনবিআর এই দুই জায়গার মাধ্যমে হয়। এর বাইরে বড় আকারে মানি লন্ডারিংয়ের ব্যবস্থা নেই। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি-রফতানির মাধ্যমে এবং ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খোলার মধ্য দিয়ে অর্থ পাচার হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া ওভার প্রাইসিং আর আন্ডার প্রাইসিং রোধে পিএসআই'র আদলে এনবিআরে একটি সেল খোলা হবে। তারা নেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে পণ্যের দাম জানবে। তারপর তারা রিপোর্ট করবে। ওই দামের চেয়ে ঊনিশ-বিশ হলে সমস্যা থাকবে না। তবে বেশি পার্থক্য থাকলে সেসব পণ্য বাজেয়াপ্ত করা হবে। এখানেই শেষ নয়, এটা পাথর, বালি, ইট-বালু হতে পারে। সেক্ষেত্রে যারা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে এখন তাদেরকে একটা শুধুমাত্র জারিমানা করা হয়। আগামীতে জারিমানা করার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী মামলা করা হবে। মামলার রায় অনুযায়ী তারদেরক কঠোর শ্বাস্তির মুখোমুখি করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন এ দুটোই রোধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেই দিয়েছেন, আমরা আর দুর্নীতি চাই না। মানি লন্ডারিংও একটা দুর্নীতি। আর দুর্নীতির অর্থই সন্ত্রাসে অর্থায়ন হয়। সুতরাং এ দু ক্ষেত্রকেই না করতে হবে। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য যেখানে মানি লন্ডারিংয়ের কিছু হয় এমন তথ্য থাকলেই বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে এ সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক বছরে তিনটা হতো। এখন থেকে চারটা বৈঠক হবে। বৈঠকে পর্যালোচনা হবে বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো কতটা বাস্তবায়ন হলো।’

আপনার মতামত লিখুন :

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক
বিকাশ, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবারের মত এবারও ঈদের উৎসবকে আরো রাঙিয়ে দিতে প্রায় সব ধরনের কেনাকাটায় গ্রাহকদের জন্য ২০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। লাইফস্টাইল অনুষঙ্গ, ই-কর্মাস, সুপার স্টোর, ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্ট, রেস্টুরেন্ট ক্যাফেতেই শুধু নয়, ঈদযাত্রাকে আরো আনন্দময় করতে এবারই প্রথম বাস, ট্রেন, লঞ্চের টিকেটেও ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ।

১৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই অফারগুলো চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের ক্ষেত্রে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। অ্যাপ এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করেই ক্যাশব্যাক অফার নেয়া যাবে।

লাইফস্টাইল ও ই-কর্মাস:

ঈদকে সামনে রেখে ৭০০টি’র বেশি ব্র্যান্ডের ৩ হাজার ৮০০ টির বেশি আউটলেটে ২০ শতাংশ পর্যন্ত এই ক্যাশব্যাক সুবিধা মিলছে । পোশাক, অন্যান্য অনুষঙ্গ, ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আউটলেট রয়েছে এই তালিকায়। দারাজ, অথবা, রবিশপ, রকমারি, সেবা, বাগডুম, বইবাজার, ইভ্যালি, প্রিয়শপসহ জনপ্রিয়  ইকর্মাস সাইটগুলো রয়েছে এই ক্যাশব্যাক অফারের তালিকায়।

লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে একজন ক্রেতা একদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ এবং ই কর্মাসের ক্ষেত্রে একদিনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং অফার চলাকালীন দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুবিধা পেতে পারেন।

বড় দোকান ও ব্র্যান্ড এর পাশাপাশি সারা দেশে ৬ হাজারের বেশি ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্টের জন্য ক্যাশব্যাক অফার দিচ্ছে বিকাশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে লাইফস্টাইল অনুষঙ্গসহ নানান পণ্যের বিক্রেতারা আছেন এই তালিকায়। ২৭ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট এসব মার্চেন্ট পয়েন্টে এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে মিলবে ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ২০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন এই ক্যাটাগরিতে।

সুপারশপ:

কোরবানির এই ঈদকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনেও গ্রাহক পেতে পারেন বিকাশের ক্যাশব্যাক। স্বপ্ন, ডেইলি শপিং, অ্যাগোরা, মীনা বাজার, ডেইলি সুপার স্টোর, প্রিন্স বাজার, ওয়ানস্টপ সুপার শপ, কৃষিবিদ বাজার, আমানা বিগ বাজার, ট্রাস্ট ফ্যামিলি নিড শপ, নন্দন মেগা শপ এবং এমআর এন্টারপ্রাইজে  এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা এই ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ ৩০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন।

রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে:

১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট  বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট-এ বিকাশ ক্যাশব্যাক অফারের আওতায় একদিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ এবং ক্যাম্পেইন চলাকালীন সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুযোগ নিতে পারছেন একজন গ্রাহক।

টিকিট কেনা:

প্রথমবারের মত লঞ্চ, বাস ও ট্রেনের টিকিটে ৫ শতাংশ ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। ১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট অ্যাপ অথবা পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে টিকেট কেটে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫০টাকা ক্যাশব্যাক পেতে পারেন।

বিকাশ অ্যাপে পেমেন্ট করতে অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে মেক পেমেন্ট নির্বাচন করে মার্চেন্ট এর নম্বর দিয়ে পেমেন্ট করা যাবে অথবা খুব সহজে ছজ কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা যাবে।

এই অফারের আওতাভুক্ত ব্র্যান্ড এবং আউটলেটের বিস্তারিত তালিকা পাওয়া যাবে: www.bkash.com/payment এবং Facebook page:  www.facebook.com/bkashlimited।

ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানি ইন মোশন, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অর্ন্তগত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল/ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে।

অভিভাবকহীন পুঁজিবাজার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যস্ত আইনের ফুলঝুড়িতে

অভিভাবকহীন পুঁজিবাজার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যস্ত আইনের ফুলঝুড়িতে
ছবি: সংগৃহীত

ডিমিউচ্যুলাইজড পরবর্তী পুঁজিবাজারের অভিভাবক বলা হয় স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি)। পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে দেশের দুই বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জই (সিএসই) এখন সেই অভিভাবক শূন্য। কোনোটিতেই এমডি নেই। দু’টোই চলছে ভারপ্রাপ্ত এমডি দিয়ে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তোলনসহ পুঁজিবাজারের প্রাথমিক কাজ করার দায়িত্ব স্টক এক্সচেঞ্জের। আর এ দায়িত্বটি সম্পূর্ণ পালন করেন এমডি। কিন্তু বাজারের ক্রান্তিকালে গত ১২ দিন ধরে ডিএসইতে এমডি নেই। অপর বাজার সিএসইতে নেই দেড় মাস ধরে। ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিয়েই চলছে স্টক এক্সচেঞ্জ দু’টির কার্যক্রম। পূর্ণকালীন এমডি না থাকায় স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন তারা।

এমডি নিয়োগ নিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থারও কোনো মাথা ব্যথা নেই। বরং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বসে আছে লোক দেখানো আইন সংস্কারের ফুলঝুরি নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার কিংবা বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ ডিএসইর সদস্যদের।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মির্জা এবি আজিজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘স্টক এক্সচেঞ্জকে সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য একজন এমডি অব্যশক। আর তাকে অব্যশই নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি হতে হবে। তাহলে তার পরিকল্পনার আলোকেই স্টক এক্সচেঞ্জের কাজ এগিয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে কমিশনেরও তাকে সহযোগিতা করা উচিত।’

প্রায় একই কথা বলেন বিএসইসির আরেক সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত এমডি দিয়ে তো স্টক এক্সচেঞ্জ চলতে পারে না। এটি হওয়াও উচিত নয়। এমডির প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমানে বাজারের যে পরিস্থিতি, তাতে তো একজন পূর্ণকালীন এমডি থাকা আরো বেশি প্রয়োজন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডিএসইর পর্ষদ এমডির মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করে থাকলে বিএসইসির সেটি অনুমোদন করা উচিত। যদি যুক্তিসংগত কোনো কারণে তার মেয়াদ বাড়ানো না যায়, তাহলে সেটিও দ্রুত জানানো উচিত। যাতে করে ডিএসইর পর্ষদ নতুন এমডি নিয়োগে কার্যক্রম শুরু করতে পারে। আর সিএসইকেও দ্রুত একজন যোগ্য এমডি খুঁজে বের করতে হবে।’

ডিএসইর তথ্য মতে, ডিএসইর এমডি হিসেবে কেএএম মাজেদুর রহমানের মেয়াদ শেষ হয় গত ১১ জুলাই। তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে এমডি হিসেবে নিয়োগের জন্য গত ২৮ মে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) সুপারিশ করে অনুমোদনের জন্য পাঠায় ডিএসইর পর্ষদ। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এমডি নিয়োগের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি কমিশন। ফলে ডিএসইর সব ধরনের কার্যক্রম আটকে আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অপর পুঁজিবাজার সিএসইর এমডি হিসেবে এম সাইফুর রহমান মজুমদারের মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩১ মে। এরপর থেকে এক্সচেঞ্জটির মহাব্যবস্থাপক মো. গোলাম ফারুক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু নতুন এমডি নিয়োগ হয়নি প্রতিষ্ঠানটিতেও।

নাম না প্রকাশের শর্তে সিএসইর এক পরিচালক বলেন, ‘সিএসইর পর্ষদ সাইফুর রহমানকে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য সুপারিশ করেনি। এরপর এক্সচেঞ্জটি এ পর্যন্ত দুই দফা এমডি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। কিন্তু যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। আশা করি, পেয়ে যাব।’

এদিকে অভিভাবকহীন পুঁজিবাজারে ২০১০ সালের পর আরেক দফা ধস নামছে। নতুন এ ধসে ডিএসইর প্রধান সূচক আবার ৫ হাজার পয়েন্টের নিচে অবস্থান করছে। আর তাতে সর্বশেষ ১৫ কার্যদিবসে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি হারিয়েছে সাড়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র