Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভেজাল ৫২ পণ্য

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির
তীর, এসিআই, প্রাণ ও ড্যানিশের লোগো, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আদালত কর্তৃক ঘোষিত ৫২ ভেজাল পণ্যের মধ্যে আরও দুই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করেছে জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)।

প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- এস এস কনজ্যুমার প্রোডাক্টস, চট্টগ্রাম এবং কিরণ ট্রেডার, নওগাঁ। এছাড়াও ২৫টি কোম্পানির লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসটিআই।

আরও পড়ুন: ৭ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, ১৮ পণ্যের উৎপাদন স্থগিত

এর আগে বুধবার সাতটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল ও ১৮টি ব্রান্ডের পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে ৫২ কোম্পানির মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল আর ৪৩ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে।

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির

একই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব কোম্পানির পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পণ্যগুলোর উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের উক্ত পণ্যসমূহ বিক্রি-বিতরণ, সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তা সাধারণকে পণ্যগুলো কেনা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআই সম্প্রতি কোম্পানিগুলোর ২৭ ধরনের ৪০৬টি খাদ্য পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ৩১৩টি পণ্যের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি নিম্নমানের ও ভেজাল পণ্য রয়েছে। গত ২ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিএসটিআই।

লাইসেন্স বাতিল হওয়া ৯টি প্রতিষ্ঠান হলো...

আল-সাফি, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স (নারজান ড্রিংকিং ওয়াটার), মর্ন ডিউ পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, আর আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, শান্তা ফুড প্রোডাক্টস অব কেরানিগঞ্জ, জাহাঙ্গীর ফুড প্রোডাক্টস অব কামরাঙ্গীচর (প্রিয়া সফট ড্রিংক পাউডার), বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারি, মিরপুর, এস এস কনজ্যুমার প্রোডাক্টস, চট্টগ্রাম এবং কিরণ টেডার্স, নওগাঁ।

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির

উৎপাদন স্থগিত হওয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে...

তীর ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, জিবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, পুষ্টির সরিষার তেল,রূপচান্দার সরিষার তেল, সান ব্র্যান্ডের চিপস, আরা ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার, মিজান ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার, ডানকানের ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার, দিঘী ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, ডুডলি ব্র্যান্ডের নুডলস, টেস্টি তানি তাসকিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার, ড্যানিশ ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া, প্রাণের হলুদের গুড়া, ফ্রেস ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া, এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুড়া, প্রাণ ব্র্যান্ডের কারী পাউডার, ড্যানিস ব্র্যান্ডের কারী পাউডার, পিওর হাটহাজারির মরিচের গুড়া।

আরও ২ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, উৎপাদন স্থগিত ২৫টির

মিষ্টিমেলার লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মিঠাই এর লাচ্ছা সেমাই, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ, মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ,কিং ব্র্যান্ডের ময়দা, রূপসা ব্র্যান্ডের দই, মক্কা ব্র্যান্ডের চানাচুর, মেহেদি ব্র্যান্ডের বিস্কুট, বাঘাবাড়ী স্পেশালের ঘি, নিশিতা ফুডসের সুজি, মধুযুলের লাচ্ছা সেমাই, মঞ্জিল ফুডের হুলুদের গুড়া, মধুমতি ব্র্যান্ডের আয়োডিন যুক্ত লবণ, সান ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া, গ্রীনলেনের মধু, ডলফিন ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া, ডলফিন ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া, সূর্য ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া, জেদ্দা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, অমৃত ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপারের আয়োডিন যুক্ত লবণ, তিনতীরের আয়োডিনযুক্ত লবণ, মদিনা, স্টারশীপের আয়োডিনযুক্ত লবণ, তাজ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং নূর স্পেশালের আয়োডিন যুক্ত লবণ।

আপনার মতামত লিখুন :

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব
বক্তব্য রাখছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম, ছবি: সংগৃহীত

চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার ফলে কিছুকিছু স্থানে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়া নষ্ট করে ফেলেছেন বলে স্বীকার করেছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম। তবে এটি সমগ্র দেশের চিত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য স্থানের চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

শনিবার (১৭ আগস্ট) সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে চামড়া শিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

শিল্প সচিব বলেন, 'লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ডে মোট ১ হাজার ৩৬২টি পয়েন্ট রয়েছে। এরমধ্যে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্টের জন্য ২০০ পয়েন্ট। লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সার্টিফিকেট অর্জনে অবশিষ্ট পয়েন্টগুলোর প্রতি মনোযোগী হবার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।’

আব্দুল হালিম বলেছেন, ‘সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীর সিইটিপি সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। কোরবানির সময় ট্যানারিগুলো সারা বছরের সরবরাহের অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করে। তাই আগামী দু'-তিন মাস এই শিল্প নগরী ট্যানারিগুলো পূর্ণ গতিতে চলবে। পিক সিজনে উৎপাদিত চামড়ার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার স্বার্থে সব ট্যানারিকে একসঙ্গে কাজ না করে নিজেদের মধ্যে সময় নির্ধারণ করে কাজ করার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।'

সভায় বিসিকের চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জিতেন্দ্রনাথ পাল, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ, বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলজাহান ভূঁইয়া এবং সাভারের উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজুর রহমান, সাভারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম সায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সাভার ট্যানারি শিল্প নগরী ভালোভাবে কাজ করছে। শিল্প নগরীর সিইটিপি'র চারটি ইউনিটই যথাযথভাবে কাজ করছে। শিগগিরি লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ড অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চামড়ার গুণগত মান ভালো থাকলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া ক্রয় করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুয়েটের অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, ‘কিছু কিছু ট্যানারি ক্রোম বর্জ্য আলাদাভাবে না ফেলায় ক্রোমের সাথে অন্যান্য জিনিস চলে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি মেট্রিকটন চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ট্যানারিগুলো ২৫ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমানে সাভার ট্যানারি শিল্প নগরীর ট্যানারিগুলো একই পরিমাণ চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৪০ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করছে। এতে করে সিইটিপি'র ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। ডিপ টিউবওয়েলে মিটার লাগানো হলে পানির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ/ ছবি: সংগৃহীত

তৈরি পোশাক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রকৌশল ও ওষুদ খাতের কোম্পানিকে পেছনে ফেলে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বিমা কোম্পানির শেয়ার।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে আট হাজার ৯৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ২৯৪ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বিমা খাতের ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৮৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ২৭০ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিমা খাতের উপর বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে, তাতে দরপতনের মাসেও এ খাতের শেয়ার কিনেছে বেশি বিনিয়গকারীরা। ফলে জুন মাসে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা বিমা খাত জুলাই মাসে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বাজেটে শস্য, বিমা, গবাদিপশু বিমা করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৫ শতাংশের উপরে এজেন্ট কমিশন দেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের ফলে অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বিমা কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।

ডিএসইতে বিদায়ী অর্থবছরে শেষ মাস জুনে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল পোশাক খাতের শেয়ার। সে মাসে পোশাক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ এক হাজার ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আর জুলাই মাসে লেনদেন হয়েছে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৪ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে তিন ধাপ নিচে নেমে চতুর্থ স্থানে নেমেছে।

ডিএসইর মোট ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হওয়া ওষুধ খাত লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এ খাতের কোম্পানির ২২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩১টি শেয়ার বিক্রি বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯৪ টাকা।

ফলে জুন মাসে দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রকৌশল খাত এক ধাপ নিচে নেমে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে জুলাই মাসে লেনদেনে হয়েছে ৯৯৪ কোটি সাত লাখ ৫৮ হাজার ৪৭ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

আর পুঁজিবাজারের ‘প্রাণ’ বলে খ্যাত ব্যাংকের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় ৬ষ্ঠ পর্যায়ে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার। ফলে এ খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৭৮১ কোটি ৪১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৮ টাকা। যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আর জুলাই মাসে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৬৪৯ কোটি ২৩ লাখ তিন হাজার ৩৫৪ টাকা। যা সাত দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিনিয়াগকারীরা বলছেন, যতক্ষণ ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম বাড়বে না, ততক্ষণ পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে না।

এছাড়াও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৫৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৫২ হাজার ১৮৯ টাকা। ট্যানারি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ আট হাজার ৩১৭ টাকা।

খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ ডিএসইর তিন দশমিক ২০ শতাংশ, ভ্রমণ ২ দশমিক ৬১শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিরামিক ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, আইটির ২ দশমিক ১৭ শতাংশ,টেলিকমিউনিকেশন ১ দশমিক ২৮ শতাংশ, সিমেন্ট ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, এবং কাগজ-প্রকাশনা খাতের দশমিক ৬৮দশমিক শতাংশ টাকার লেনদেনে হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র