Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঋণখেলাপিদের ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ

ঋণখেলাপিদের ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণ দেখিয়ে ঋণখেলাপিদের গণহারে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছোট, মাঝারি বা বড় সব ঋণখেলাপিই পুনঃতফসিলের সুযোগ পাবেন।

খেলাপিরা শুধু, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, তার ঋণের স্থিতি ধরে পুনঃতফসিলের সুবিধার জন্য সার্কুলার জারির ৯০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি এবং নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে সার্কুলার জারি করেছে। কেদ্রীয় ব্যাংকের মহা ব্যবস্থাপক এ কে এম আমজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত তিন পৃষ্ঠায় একগুচ্ছ সুবিধা দেওয়ার কথা বলেও বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু ঋণখেলাপিদের একবারই এ সুবিধা দেবে।

আবার আরোপিত সুদের ক্ষেত্রেও খেলাপিরা বিশেষ ছাড় পাচ্ছেন। খেলাপি ঋণের ওপর আরোপিত সুদের স্থগিত অংশ (সাসপেন্ডেড) মাফ পাবেন খেলাপিরা। এতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমলেও ব্যাংকের তহবিল ব্যয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ ঋণের সুদের মাধ্যমে তহবিল ব্যয় নির্বাহ করা হয়। আর এ আশঙ্কা দূর করতে ব্যাংকগুলোর কস্ট অব ফান্ডে (তহবিল ব্যয়) রিলিফ বা ছাড় দেওয়া হবে। তবে খেলাপিদের ঋণের কস্ট অব ফান্ডের ওপর নির্ধারণ ১ জানুয়ারি হবে।

সার্কুলারে ঋণখেলাপিদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, ঋণখেলাপিদের ওপর অনারোপিত সুদ সম্পূর্ণ মাফ করে দেওয়া হবে। এই বিষয়টি হচ্ছে, ঋণখেলাপি হওয়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ব্যাংক হিসাব করেছে ঠিকই, কিন্তু তার সুদের হিসাব এখনো ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে তোলা হয়নি, এমন সুদ সম্পূর্ণ মাফ করে দেওয়া হবে।

খাতগুলোর খেলাপি ঋণ বিবেচনায় নেওয়া হবে তা হলো- ট্রেডিং খাত, খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্য তেল, জাহাজ শিল্প, অকৃষি খাতের খেলাপি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি।

খেলাপিদের ঋণের সুদ হার গণনা হবে ৯ শতাংশ সরল সুদে। ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিলেই ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য আবেদন করতে পারবে খেলাপিরা। ঋণ পরিশোধে এক বছর গ্রস পিরিয়ডসহ মোট ১০ বছর সময় পাবে তারা। এই এক বছরে কোনো ঋণ পরিশোধ করতে হবে না।

ছোট, মাঝারি ও বড় ঋণ খেলাপির ধরন যা-ই থাকুক না কেন, সবাই এসব সুবিধা নিতে পারবেন। স্বাধীনতার পর থেকে যারা ঋণখেলাপি তারাও এ সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের খেলাপি ঋণের হিসাব হবে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের এককালীন হিসাবায়ন ভিত্তিতে।

কোনো ঋণখেলাপি যদি মনে করে এককালীন ঋণ পরিশোধ করে খেলাপির তালিকা থেকে বেরিয়ে যাবে, তাহলে সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সার্কুলারে। বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে ঋণখেলাপিরা ঋণ পরিশোধের জন্য এক বছর পর্যন্ত সময় পাবে। এককালীন পরিশোধের জন্য ৯ শতাংশ হারে সুদ আরোপ করা হবে। সময় দেওয়া হবে ছয় মাস। এর মধ্যে পরিশোধ করতে না পারলে আরো ছয় মাস অতিরিক্ত সময় পাবে ঋণখেলাপিরা। যদি কোনো ঋণখেলাপি অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেও পরিশোধ করতে না পারে তাহলে ৯ শতাংশ সুদের সঙ্গে আরো ২ শতাংশ সুদ আরোপ করা হবে।

সার্কুলার জারির পর থেকেই ঋণখেলাপিরা এতে উল্লেখ করা বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে এজন্য সার্কুলার জারির ৯০ দিনের মধ্যে তাদের আবেদন করতে হবে। যে ব্যাংকে গ্রাহক খেলাপি হয়েছে সে ব্যাংকে তাদের আবেদন করতে হবে। আবেদনে গ্রাহককে কেন তার ঋণ খেলাপি হয়েছে, তা উল্লেখ করতে হবে। কারণ ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিরা এ সুবিধার বাইরে থাকবেন। ৯০ দিন পর সার্কুলারের মেয়াদ শেষ বলে গণ্য হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব

কিছু কিছু স্থানে চামড়া নষ্ট হয়েছে: শিল্প সচিব
বক্তব্য রাখছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম, ছবি: সংগৃহীত

চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার ফলে কিছুকিছু স্থানে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়া নষ্ট করে ফেলেছেন বলে স্বীকার করেছেন শিল্প সচিব মো.আব্দুল হালিম। তবে এটি সমগ্র দেশের চিত্র নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য স্থানের চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

শনিবার (১৭ আগস্ট) সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে চামড়া শিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

শিল্প সচিব বলেন, 'লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ডে মোট ১ হাজার ৩৬২টি পয়েন্ট রয়েছে। এরমধ্যে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্টের জন্য ২০০ পয়েন্ট। লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সার্টিফিকেট অর্জনে অবশিষ্ট পয়েন্টগুলোর প্রতি মনোযোগী হবার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।’

আব্দুল হালিম বলেছেন, ‘সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীর সিইটিপি সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। কোরবানির সময় ট্যানারিগুলো সারা বছরের সরবরাহের অর্ধেক চামড়া সংগ্রহ করে। তাই আগামী দু'-তিন মাস এই শিল্প নগরী ট্যানারিগুলো পূর্ণ গতিতে চলবে। পিক সিজনে উৎপাদিত চামড়ার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার স্বার্থে সব ট্যানারিকে একসঙ্গে কাজ না করে নিজেদের মধ্যে সময় নির্ধারণ করে কাজ করার আহ্বান জানান শিল্প সচিব।'

সভায় বিসিকের চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জিতেন্দ্রনাথ পাল, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ, বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলজাহান ভূঁইয়া এবং সাভারের উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজুর রহমান, সাভারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এফ এম সায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সাভার ট্যানারি শিল্প নগরী ভালোভাবে কাজ করছে। শিল্প নগরীর সিইটিপি'র চারটি ইউনিটই যথাযথভাবে কাজ করছে। শিগগিরি লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদণ্ড অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চামড়ার গুণগত মান ভালো থাকলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ট্যানারিগুলো চামড়া ক্রয় করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুয়েটের অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, ‘কিছু কিছু ট্যানারি ক্রোম বর্জ্য আলাদাভাবে না ফেলায় ক্রোমের সাথে অন্যান্য জিনিস চলে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি মেট্রিকটন চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ট্যানারিগুলো ২৫ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমানে সাভার ট্যানারি শিল্প নগরীর ট্যানারিগুলো একই পরিমাণ চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৪০ হাজার লিটার পানি ব্যবহার করছে। এতে করে সিইটিপি'র ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। ডিপ টিউবওয়েলে মিটার লাগানো হলে পানির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের

বিমা কোম্পানির শেয়ারে নজর বিনিয়োগকারীদের
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ/ ছবি: সংগৃহীত

তৈরি পোশাক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রকৌশল ও ওষুদ খাতের কোম্পানিকে পেছনে ফেলে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বিমা কোম্পানির শেয়ার।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে আট হাজার ৯৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ২৯৪ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বিমা খাতের ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৮৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ২৭০ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিমা খাতের উপর বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে, তাতে দরপতনের মাসেও এ খাতের শেয়ার কিনেছে বেশি বিনিয়গকারীরা। ফলে জুন মাসে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা বিমা খাত জুলাই মাসে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বাজেটে শস্য, বিমা, গবাদিপশু বিমা করাসহ একগুচ্ছ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৫ শতাংশের উপরে এজেন্ট কমিশন দেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসবের ফলে অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বিমা কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।

ডিএসইতে বিদায়ী অর্থবছরে শেষ মাস জুনে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল পোশাক খাতের শেয়ার। সে মাসে পোশাক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ এক হাজার ৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আর জুলাই মাসে লেনদেন হয়েছে ৯৬৭ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৪ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। ফলে জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে তিন ধাপ নিচে নেমে চতুর্থ স্থানে নেমেছে।

ডিএসইর মোট ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হওয়া ওষুধ খাত লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এ খাতের কোম্পানির ২২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৩১টি শেয়ার বিক্রি বাবদ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯৪ টাকা।

ফলে জুন মাসে দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রকৌশল খাত এক ধাপ নিচে নেমে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে জুলাই মাসে লেনদেনে হয়েছে ৯৯৪ কোটি সাত লাখ ৫৮ হাজার ৪৭ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

আর পুঁজিবাজারের ‘প্রাণ’ বলে খ্যাত ব্যাংকের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় ৬ষ্ঠ পর্যায়ে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার। ফলে এ খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৭৮১ কোটি ৪১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৮ টাকা। যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আর জুলাই মাসে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৬৪৯ কোটি ২৩ লাখ তিন হাজার ৩৫৪ টাকা। যা সাত দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিনিয়াগকারীরা বলছেন, যতক্ষণ ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম বাড়বে না, ততক্ষণ পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে না।

এছাড়াও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৫৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৫২ হাজার ১৮৯ টাকা। ট্যানারি খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ আট হাজার ৩১৭ টাকা।

খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাতের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ ডিএসইর তিন দশমিক ২০ শতাংশ, ভ্রমণ ২ দশমিক ৬১শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিরামিক ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, আইটির ২ দশমিক ১৭ শতাংশ,টেলিকমিউনিকেশন ১ দশমিক ২৮ শতাংশ, সিমেন্ট ২ দশমিক ২৩ শতাংশ, এবং কাগজ-প্রকাশনা খাতের দশমিক ৬৮দশমিক শতাংশ টাকার লেনদেনে হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র