Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

২০ রমজানের মধ্যে বেতন বোনাস পরিশোধের দাবি শ্রমিকদের

২০ রমজানের মধ্যে বেতন বোনাস পরিশোধের দাবি শ্রমিকদের
দুপুরে আশুলিয়া প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে ১০টি শ্রমিক সংগঠন, ছবি: বার্তা২৪.কম
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
আশুলিয়া(ঢাকা)


  • Font increase
  • Font Decrease

আশুলিয়ায় ২০ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের চাকরিতে পুনর্বহাল চেয়েছে শ্রমিকরা। প্রায় ১০টি শ্রমিক সংগঠনে এসব দাবিতে যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। শুক্রবার (১৭ মে) দুপুরে আশুলিয়া প্রেসক্লাবের হলরুমে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আশুলিয়ার কিছু কিছু পোশাক কারখানায় কৌশলে শ্রমিক ছাঁটাই করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ছাঁটাই করেছে বিভিন্ন পোশাক কারখানা। ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়েছে। ঈদের পূর্বে কারখানার শ্রমিক ছাঁটাই ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে। যে সকল কারখানা শ্রমিকদের বেতন বোনাস না দিয়ে অনির্দিষ্ট কালের বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হবে।

এসময় চলতি মাসের পুরো বেতন ঈদের আগে পরিশোধের দাবি জানিয়ে শ্রমিক পরিবার ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, ২০ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের বোনাস পরিশোধ করতে হবে। এ মাসের মধ্যে ছুটি ও ওভারটাইমের টাকা পরিশোধ করারও দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সিদ্ধান্ত মোতাবেক শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধে কোনো কারখানা ব্যর্থ হলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনে লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর শেখ লালন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ঠান্ডু ও গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের আশুলিয়া থানা সভাপতি রাকিব হাসান সোহাগসহ ১০টি শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র