Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমল আরও সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমল আরও সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পুঁজিবাজারে তফসিলি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সক্ষমতা বৃদ্ধির সপ্তাহেও সূচক, লেনদেন ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। এর ফলে আলোচিত বিনিয়োগকারীদের মূলধন অর্থাৎ পুঁজি কমেছে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে পুঁজি অর্থাৎ বাজার মূলধন কমেছে ৩ হাজার ৮৫৮ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার টাকা। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে ৩ হাজার ৭১৩ কোটি ৯৪ লাখ ২৬ হাজার ৭৩২ টাকা। এর আগের সপ্তাহে কমেছিল ১ হাজার কোটি টাকার বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার স্বার্থে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, সরকারের বিভিন্ন অংশীজনের মতামত এবং পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তালিকাভুক্ত নয় এমন সিকিউরিটিজে ইকুইটি শেয়ার, নন-কনভারটেবল কিউমিলেটিভ প্রেফারেন্স শেয়ার, বন্ড, ডিবেঞ্চার, বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি ব্যাংকের বিনিয়োগ পুঁজিবাজারে ব্যাংকের মোট বিনিয়োগ হিসাবায়নের অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। যা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। ফলে সমপরিমাণ টাকা তারা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। ব্যাংকগুলো এখন থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বেশি করতে পারবে। তাতে বাজারে তারল্য সংকট দূর হবে।

দু’দিন উত্থান আর তিনদিন দরপতনের মধ্য দিয়ে বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৭ মে) মোট পাঁচ কার্যদিবস ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৪৪ কোটি ৮১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮০ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ১৪৪ কোটি ৮১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮০ টাকা। যা শতাংশ হিসেবে ৩১ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম। তার আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ২৯ হাজার ২১৫ টাকা।

এই সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২২টির, কমেছে ১৯৫টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এর আগের সপ্তাহে দাম বেড়েছিল ১২৫টির, কমেছিল ১৭৯টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ২০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় তিন সূচকের মধ্যে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ২৩০ পয়েন্টে।

একই অবস্থায় লেনদেন হয়েছে অপর পুঁজিবাজার সিএসইতে। বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৯ কোটি ৯১ লাখ ৬৪ হাজার ৪০২টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১১১ কোটি ৪১ লাখ ৬ হাজার ৪৭৮ টাকা।

এ সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ১৬৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ফলে আগের সপ্তাহের চেয়ে গত সপ্তাহে সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ১৮৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার পয়েন্টে।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার মেয়ে নাফিসা কামাল, ছবি: সংগৃহীত

মেয়ে নাফিসা কামালকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, অর্থমন্ত্রীর কাছে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সের ৮ লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার ছিল। তিনি গত ১৯ জুন সেই শেয়ার থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যার বাজারমূল্য ১ কোটি ৪ লাখ ৫২ হাজার টাকার বেশি। বুধবার কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল ২৬ টাকা ৬০ পয়সা।

সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় কিংবা হস্তান্তর করতে চাইলে ঘোষণা দিতে হয়। ঘোষণার পর মেয়ে নাফিসা কামালকে শেয়ার উপহার দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সে নাফিসা কামালের ধারণ করা শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০টি।

বেসরকারি খাতের এই সাধারণ বিমা কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রী ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি একাধারে ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন।

বর্তমানে মুস্তফা কামালের স্ত্রী কাসমিরী কামাল এ কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তার দুই মেয়ে কাসফি কামাল ও নাফিসা কামাল এ কোম্পানির পরিচালক পদে রয়েছেন।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের তথ্যানুযায়ী, এ কোম্পানির ৪০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে অর্থমন্ত্রীর পরিবারের হাতে, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

বর্তমানে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে মোট ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার।

২০১৮ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে এশিয়া প্যাসিফিক। সে সময় এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। চলতি হিসাব অনুযায়ী বছরের প্রথম প্রান্তিকে এই কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮১ পয়সা।

বাস-প্রাইভেট কারে ২৫ শতাংশ কর

বাস-প্রাইভেট কারে ২৫ শতাংশ কর
ছবি: সংগৃহীত

বাস, মিনিবাস, কোস্টার, ট্যাক্সিক্যাব, প্রাইমমুভার, ট্রাক, ট্যাংক-লরি, পিকআপ, হিউম্যান হলার, ম্যাক্সি বা মাল বহনকারী অটোরিকশার মালিকদের ওপর ২৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে।

গত রোববার (২৩ জুন) এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব র্বোড (এনবিআর)। আগামী ১ জুলাই থেকে এই গেজেট কার্যকর হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়, ৫২ সিটের অধিক বাস মালিককে বছরের ১৬ হাজার টাকা এবং ৫২ সিটের কম যাত্রীবাহী বাসকে বছরের ১১ হাজার ৫০০ টাকা আয়কর দিতে হবে।

তাপানুকূল লাক্সারি বাস প্রতিটির জন্য ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা, দোতলা বাস ও তাপানুকূল মিনিবাস/কোস্টার প্রতি ১৬ হাজার টাকা এবং অনান্য মিনিবাস ও কোস্টার প্রতিটির জন্য সাড়ে ৬ হাজার টাকা বছরের আয়কর দিতে হবে।

এছাড়াও কনটেইনার পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত প্রাইমমুভার প্রতিটির জন্য ২৪ হাজার, ৫ টনের অধিক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রাক বা ট্যাংক-লরি প্রতিটির জন্য ১৬ হাজার, দেড় টন থেকে ৫ টনের মধ্যে ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্র্যাক বা ট্রাংক-লরি প্রতিটির জন্য ৯ হাজার ৫০০ টাকা, দেড় টনের কম ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্র্যাক, পিক-আপ সব ধরনের হিউম্যান হলার, ম্যাক্স বা মালবহনকারী বা যাত্রীবহণকারী অটোরিকশা প্রতি ৪ হাজার টাকা হারে আয়কর নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্যাক্সক্যাবের জন্য ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নয় এমন ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র