Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২৯ ব্যাংকের মুনাফা ১৪‘শ কোটি টাকা!

২৯ ব্যাংকের মুনাফা ১৪‘শ কোটি টাকা!
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিকে ১ হাজার ৪০৫ কোটি টাকার মুনাফা দেখিয়েছে। তারল্য সংকেট থাকা ব্যাংকের জানুয়ারি-মার্চ মাস পর্যন্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই মুনাফা দেখিয়েছে। ২০১৮ সালের একই সময়ে মুনাফা দেখিয়েছিল ১ হাজার ১৪ কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায়  ৪০০ কোটি টাকা বেশি।

অর্থনীতিবদরা বলছেন, মন্দ ঋণের ভারে ডুবন্ত ব্যাংকগুলো প্রথম প্রান্তিকে যে মুনাফা দেখিয়েছে সেগুলো অনেক টাই কাগজে-কলমে।

সূত্র মতে, পুঁজিবাজারে এখন ত্রিশটি ব্যাংক তালিকাভুক্ত রয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ছাড়া বাকি ২৯টি ব্যাংকেরই মুনাফা হয়েছে। আর এই ২৯টি ব্যাংকের মধ্যে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে মুনাফা কম হয়েছে আটটি ব্যাংকের। ফলে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। আর বাকি ২১টি ব্যাংকের মুনাফা ও ইপিএস বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২৯টির ব্যাংকের মধ্যে ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি মুনাফা হয়েছে উত্তরা ব্যাংকের। নতুন প্রান্তিকে ব্যাংকটির প্রকৃত অর্থাৎ নিট মুনাফা ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ব্যাংকটি ইপিএস দেখিয়েছে ৯৪ পয়সা। 

দি সিটি ব্যাংক মুনাফা দেখিয়েছে সাড়ে ৭৬ কোটি টাকা আর ইপিএস দেখিয়েছে ৭৯ পয়সা। যমুনা ব্যাংক মুনাফা দেখিয়েছে সাড়ে ৫৫ কোটি টাকা আর ইপিএস দেখিয়েছে ৬৪ পয়সা।

একইভাবে আইএফআইসি ব্যাংকের ইপিএস দেখিয়েছে ৭৪ পয়সা। ইস্টার্ন ব্যাংকের ইপিএস ৬৯ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ১৭ পয়সায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস ৫০ শতাংশ বেড়ে ১২ পয়সায়, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ইপিএসও ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬০ পয়সায় দেখিয়েছে।

মুনাফায় থাকা শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস ৩৭ পয়সা থেকে ৫৫ পয়সা, প্রিমিয়ারের ইপিএস ৩৯ পয়সা থেকে ৫৭ পয়সা, ন্যাশনাল ব্যাংকের  ইপিএস ১১ পয়সা থেকে ১৬ পয়সা, ইউনাইটেড কমার্শিয়ালের ইপিএস ৩১ পয়সা থেকে ৪৪ পয়সা, পূবালী ব্যাংকের ৭০ পয়সা থেকে ৮৪ পয়সা,প্রাইমের ইপিএস ৩১ পয়সা থেকে ৩৭ পয়সা,

ব্যাংক এশিয়ার ৫৩ পয়সা থেকে ৬২ পয়সা, আল-আরাফার ইপিএস ৩৯ পয়সা থেকে ৪৫ পয়সা, রূপালীর ইপিএস ২২ পয়সা থেকে ২৫ পয়সা, মিউচুয়াল ট্রাস্টের ইপিএস ৬৫ পয়সা থেকে ৭৩ পয়সা, ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস ৩৬ পয়সা থেকে ৪০ পয়সা, এনসিসির ইপিএস ৩৯ পয়সা থেকে ৪৩ পয়সা এবং ঢাকা ব্যাংকের ইপিএস ৪৯ পয়সা থেকে ৫৩ পয়সা দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে এবি ব্যাংকের ইপিএস সাড়ে ৩৭ শতাংশ কমে ১৬ পয়সা থেকে ১০ পয়সা দেখিয়েছে। এছাড়া ডাচ্‌-বাংলার ইপিএস ৩ টাকা ১৯ পয়সা থেকে ২ টাকা ৩৭ পয়সায়, মার্কেন্টাইলের ইপিএস ৮১ পয়সা থেকে ৬৩ পয়সায়, সাউথইস্টের ইপিএস ৫৯ পয়সা থেকে ৪৭ পয়সায়, ওয়ান ব্যাংকের ইপিএস ৩১ পয়সা থেকে ২৫ পয়সায়, ট্রাস্টের ইপিএস ৮৩ পয়সা থেকে ৭৬ পয়সা, ব্র্যাকের ইপিএস ১ টাকা ২৮ পয়সা থেকে ১ টাকা ২২ পয়সায় এবং স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস ৩৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৩২ পয়সা দেখানো হয়েছে। 

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার মেয়ে নাফিসা কামাল, ছবি: সংগৃহীত

মেয়ে নাফিসা কামালকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, অর্থমন্ত্রীর কাছে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সের ৮ লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার ছিল। তিনি গত ১৯ জুন সেই শেয়ার থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যার বাজারমূল্য ১ কোটি ৪ লাখ ৫২ হাজার টাকার বেশি। বুধবার কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল ২৬ টাকা ৬০ পয়সা।

সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় কিংবা হস্তান্তর করতে চাইলে ঘোষণা দিতে হয়। ঘোষণার পর মেয়ে নাফিসা কামালকে শেয়ার উপহার দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সে নাফিসা কামালের ধারণ করা শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০টি।

বেসরকারি খাতের এই সাধারণ বিমা কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রী ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি একাধারে ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন।

বর্তমানে মুস্তফা কামালের স্ত্রী কাসমিরী কামাল এ কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তার দুই মেয়ে কাসফি কামাল ও নাফিসা কামাল এ কোম্পানির পরিচালক পদে রয়েছেন।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের তথ্যানুযায়ী, এ কোম্পানির ৪০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে অর্থমন্ত্রীর পরিবারের হাতে, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

বর্তমানে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে মোট ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার।

২০১৮ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে এশিয়া প্যাসিফিক। সে সময় এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। চলতি হিসাব অনুযায়ী বছরের প্রথম প্রান্তিকে এই কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮১ পয়সা।

বাস-প্রাইভেট কারে ২৫ শতাংশ কর

বাস-প্রাইভেট কারে ২৫ শতাংশ কর
ছবি: সংগৃহীত

বাস, মিনিবাস, কোস্টার, ট্যাক্সিক্যাব, প্রাইমমুভার, ট্রাক, ট্যাংক-লরি, পিকআপ, হিউম্যান হলার, ম্যাক্সি বা মাল বহনকারী অটোরিকশার মালিকদের ওপর ২৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে।

গত রোববার (২৩ জুন) এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব র্বোড (এনবিআর)। আগামী ১ জুলাই থেকে এই গেজেট কার্যকর হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়, ৫২ সিটের অধিক বাস মালিককে বছরের ১৬ হাজার টাকা এবং ৫২ সিটের কম যাত্রীবাহী বাসকে বছরের ১১ হাজার ৫০০ টাকা আয়কর দিতে হবে।

তাপানুকূল লাক্সারি বাস প্রতিটির জন্য ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা, দোতলা বাস ও তাপানুকূল মিনিবাস/কোস্টার প্রতি ১৬ হাজার টাকা এবং অনান্য মিনিবাস ও কোস্টার প্রতিটির জন্য সাড়ে ৬ হাজার টাকা বছরের আয়কর দিতে হবে।

এছাড়াও কনটেইনার পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত প্রাইমমুভার প্রতিটির জন্য ২৪ হাজার, ৫ টনের অধিক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রাক বা ট্যাংক-লরি প্রতিটির জন্য ১৬ হাজার, দেড় টন থেকে ৫ টনের মধ্যে ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্র্যাক বা ট্রাংক-লরি প্রতিটির জন্য ৯ হাজার ৫০০ টাকা, দেড় টনের কম ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্র্যাক, পিক-আপ সব ধরনের হিউম্যান হলার, ম্যাক্স বা মালবহনকারী বা যাত্রীবহণকারী অটোরিকশা প্রতি ৪ হাজার টাকা হারে আয়কর নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্যাক্সক্যাবের জন্য ১১ হাজার ৫০০ টাকা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নয় এমন ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র