Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান
দেশের দুই পুঁজিবাজার/ ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিস রোববার (১৯ মে) সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ১৮৪ পয়েন্ট।

অন্যদিকে, এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৯০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় ১০টায়, এরপর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ৫৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। তবে বেলা ১০টা ৩০ মিনিটের পর সূচক বাড়ে ৭৪ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ৯৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এর পর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কিছুটা কমতে থাকে। বেলা ১১টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৯০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ২টায় লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১০৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৩৫ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২১৫ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৪৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৭১টির, কমেছে ৪৫ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

রোববার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, আইএফআইসি ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, এসকে ট্রিমার, উত্তরা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, পাওয়ার গ্রিড, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং আইবিপি।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৮৭১ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২১৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২২২ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩০৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৩০৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এসকে ট্রিমার, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, এমারেল্ড অয়েল, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, বে লিজিং, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ও প্রিমিয়ার লিজিং।

আপনার মতামত লিখুন :

জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের এমডি

জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের এমডি
বাঁ থেকে ড. জামালউদ্দিন আহমেদ ও আতাউর রহমান প্রধান, ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ এফসিএ।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রুপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও আতাউর রহমান প্রধান।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে দেওয়া দুই চিঠিতে তাদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মো. আতাউর রহমান প্রধানকে অগামী তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

অন্যদিকে, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ড. জামালউদ্দিন আহমেদকেও আগামী তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তৎকালীন কর্মসংস্থান ব্যাংকের এমডি উবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে সোনালী ব্যাংকে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এমডি আতাউর রহমান প্রধানকে রূপালী ব্যাংকে এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ সামস-উল ইসলামকে অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

৩৪৭০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন

৩৪৭০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি তথ্য ভান্ডার রক্ষায় বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি (কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম) এবং জিএনএস করস-এর নেটওয়ার্ক পরিধি সম্প্রসারণ প্রকল্পসহ মোট ১২ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। টাকার অংকে প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ কোটি ২০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ কোটি ২০ লাখ টাকা।এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ১৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৩০৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ করা হবে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে সাইবার আক্রমণ থেকে সরকারি তথ্য ভান্ডার রক্ষা ‘বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি’ নামক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে আইসিটি বিভাগ ও বিসিসি’র অধীনে।

প্রকল্পের প্রধান কাজগুলো হচ্ছে- বিভিন্ন ধরনের ৩৮টি সফটওয়্যার সংগ্রহ, ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগ, কম্পিউটার এক্সেসরিজ সংগ্রহ, অফিস ইক্যুপমেন্ট ও ফার্নিচার, বৈদেশিক ও স্থানীয় প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রকল্পটির বিষয়ে বলা হয়েছে, সিআইআরটি’র কার্যক্রমকে পূর্ণাঙ্গ রুপ দিতে এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ ন্যাশনাল ডাটা সেন্টারকে নিরাপত্তা দিতে এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাকি প্রকল্পগুলোর মধ্যে- জিএনএস করস’র নেটওয়ার্ক পরিধি সম্প্রসারণ এবং টাইডাল স্টেশন আধুনিকীকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১১৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। থানচি-রিমকীর-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৫৩ কোটি টাকা। সুনামগঞ্জ-মদনপুর-দিরাই-শাল্লা-জলসুখা-আজমিরিগঞ্জ-হবিগঞ্জ মহাসড়কের শাল্লা-জলসুখা সড়কাংশ নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৬৯ কোটি টাকা। রাঙ্গামাটি সড়ক বিভাগের অধীন পাহাড়/ভূমি ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিভিন্ন কিলোমিটারে ড্রেনসহ স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

খুলনা কর ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মধুমতি-নবগঙ্গা উপ-প্রকল্প পুনর্বাসন ও নবগঙ্গা নদী পুনঃখনন/ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

মেঘনা নদীর ভাঙন হতে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি হতে ধরাভাঙ্গা এমপি বাঁধ পর্যন্ত মেঘনা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি টাকা। ভূ উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নাটোর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৭৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। কৃষি বিপণন অধিদফতর জোরদারকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর, বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততা মোকাবিলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৭৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র