ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন মাশরাফি

সেন্ট্রাল ডেস্ক
জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা/ছবি: বার্তা২৪.কম

জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এরফলে আগামী ২ বছর বাংলাদেশি মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ড ওয়ালটনের বিভিন্ন প্রমোশনে অংশ নেবেন জনপ্রিয় এই ক্রিকেট অলরাউন্ডার।

মঙ্গলবার (২১ মে ২০১৯) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরে এ উপলক্ষ্যে মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়েছে। ওয়ালটনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও রেফ্রিজারেটর বিভাগের সিইও গোলাম মুর্শেদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক উদয় হাকিম ও আমিন খান, উপ-নির্বাহী পরিচালক ফিরোজ আলম, অতিরিক্ত পরিচালক মিলটন আহমেদ এবং পাওয়ার প্লে কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামুর রহমান পলাশ।

এ বিষয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড। ক্রিকেটের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে তারা কাজ করছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে। ওয়ালটনের ব্র্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চেষ্টা করবো দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠানটিকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে। ওয়ালটনের জন্য শুভকামনা। সবাই ওয়ালটনের সঙ্গে থাকবেন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

উল্লেখ্য, ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, আইওটি, হোম অ্যান্ড কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের রয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজ সমৃদ্ধ কারখানা। যেখানে তৈরি হচ্ছে ফ্রিজ, টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার, কম্প্রেসর, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, হোম-কিচেন ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন্স, ডাই অ্যান্ড মোল্ড, জেনারেটর, লিফটসহ বিভিন্ন উচ্চমানের প্রযুক্তিপণ্য।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে ওয়ালটন তাদের উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছে। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত এসব পণ্য ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। যা উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করছে। আসছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও।

এবার বাংলাদেশে তৈরি পণ্য দিয়ে বিশ্বজয়ের লক্ষ্য ওয়ালটনের। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫ ব্র্যান্ডের মধ্যে নিজেদের স্থান করে নিতে কাজ করছে ওয়ালটন।

আপনার মতামত লিখুন :