Alexa

বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি শ্রমিকদের

বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি শ্রমিকদের

আগামী বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন/ ছবি: সৈয়দ মেহেদী

আগামী জুন মাসে ঘোষিত হতে যাওয়া ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

রোববার (২৬ মে) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার জাতীয় রাজস্ব র্বোড (এনবিআর) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালীর নেতৃত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, কার্যকরি সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেন প্রমুখ।

সংগঠনের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে- বিড়ি শিল্পকে ভারতের মতোই কুটির শিল্প ঘোষণা করা। ভারতের ন্যায় প্রতি হাজারে শুল্ক ১৪ টাকা করা। চর, নদীভাঙন ও মঙ্গা অঞ্চলের বেকার মানুষের কর্মসংস্থানকে সহজ করার জন্য উক্ত অঞ্চলের বিড়িকে করমুক্ত ঘোষণা করা। বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে বিড়ির উপর করের বোঝা চাপানো বন্ধ করা। শ্রমিক সুরক্ষা আইন তৈরি করে কর্মসংস্থান রোধ বন্ধ করা ও নিম্ন ও উচ্চ স্তর সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558845780167.jpg

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালী বলেন, ‘দেশে ধুমপান বৈধ্য থাকলে বিড়ি শিল্প থাকবে। তামাক থাকলে বিড়ি থাকবে। সরকার সিগারেটের উপর কর না বাড়িয়ে বিড়িতে কর বাড়াচ্ছে। এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। বাজেটে যদি বিড়িতে কর বাড়ানো হয়, তবে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

প্রাধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এম কে বাঙ্গালী বলেন, ‘আসছে বাজেটে বিড়ির উপর শুল্ক কমিয়ে গরিব মানুষের কর্মসংস্থান টিকে থাকতে তার জন্য সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখেন। বহুজাতিক কোম্পানির অজানা কারসাজিতে প্রত্যক বছরে নিম্ন ও উচ্চ স্তরের মূল্য বৃদ্ধি পায় না।

‘আর তাতে ক্রমাগতভাবে বিড়ির বাজার দলখ করে নিচ্ছে কম দামি সিগারেট। ফলে প্রতিনিয়তই শ্রমিক কর্মহীন হচ্ছে। লাখ লাথ বিড়ি শ্রমিক বেকার হয়ে যাচ্ছে। আমরা এ থেকে পরিত্রাণ চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :