Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি শ্রমিকদের

বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি শ্রমিকদের
আগামী বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন/ ছবি: সৈয়দ মেহেদী
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী জুন মাসে ঘোষিত হতে যাওয়া ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে বিড়িতে কর না বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

রোববার (২৬ মে) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার জাতীয় রাজস্ব র্বোড (এনবিআর) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালীর নেতৃত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, কার্যকরি সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেন প্রমুখ।

সংগঠনের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে- বিড়ি শিল্পকে ভারতের মতোই কুটির শিল্প ঘোষণা করা। ভারতের ন্যায় প্রতি হাজারে শুল্ক ১৪ টাকা করা। চর, নদীভাঙন ও মঙ্গা অঞ্চলের বেকার মানুষের কর্মসংস্থানকে সহজ করার জন্য উক্ত অঞ্চলের বিড়িকে করমুক্ত ঘোষণা করা। বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে বিড়ির উপর করের বোঝা চাপানো বন্ধ করা। শ্রমিক সুরক্ষা আইন তৈরি করে কর্মসংস্থান রোধ বন্ধ করা ও নিম্ন ও উচ্চ স্তর সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/26/1558845780167.jpg

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালী বলেন, ‘দেশে ধুমপান বৈধ্য থাকলে বিড়ি শিল্প থাকবে। তামাক থাকলে বিড়ি থাকবে। সরকার সিগারেটের উপর কর না বাড়িয়ে বিড়িতে কর বাড়াচ্ছে। এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। বাজেটে যদি বিড়িতে কর বাড়ানো হয়, তবে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

প্রাধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এম কে বাঙ্গালী বলেন, ‘আসছে বাজেটে বিড়ির উপর শুল্ক কমিয়ে গরিব মানুষের কর্মসংস্থান টিকে থাকতে তার জন্য সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখেন। বহুজাতিক কোম্পানির অজানা কারসাজিতে প্রত্যক বছরে নিম্ন ও উচ্চ স্তরের মূল্য বৃদ্ধি পায় না।

‘আর তাতে ক্রমাগতভাবে বিড়ির বাজার দলখ করে নিচ্ছে কম দামি সিগারেট। ফলে প্রতিনিয়তই শ্রমিক কর্মহীন হচ্ছে। লাখ লাথ বিড়ি শ্রমিক বেকার হয়ে যাচ্ছে। আমরা এ থেকে পরিত্রাণ চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :

প্রাইম ব্যাংক-উত্তরা মোটরস-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রাইম ব্যাংক-উত্তরা মোটরস-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ছবি: সংগৃহীত

মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং ও কার লোনে ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিতে উত্তরা মোটরস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক।

সম্প্রতি, প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রাহেল আহমেদ এবং উত্তরা মোটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে প্রাইম ব্যাংকের কনজিউমার ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এএনএম মাহফুজ এবং উত্তরা মোটরস-এর পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এবিএম হুমায়ুন কবির, এফসিএমএ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির ফলে প্রাইম ব্যাংক ও উত্তরা মোটরস যৌথভাবে মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং ও কার লোনে ক্রেতাদের বিশেষ সেবা ও সুবিধা প্রদান করবে। উত্তরা মোটরস বাংলাদেশে ভারতের বাজাজ অটো লিমিটেড-এর একমাত্র পরিবেশক।

৭ দিনের মধ্যে ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ

৭ দিনের মধ্যে ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ
চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর সভা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। আগামী দিনে নতুন নেতৃত্ব কিভাবে ব্যাংক পরিচালনা করবে, তার একটি পরিকল্পনা পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরে ই বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন অর্থমন্ত্রী। সভা শেষে বিকালে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘দুই সপ্তাহ পর তাদের দেওয়া কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আবার বসে বিস্তারিত আলোচনা করব। যদিও সংখ্যা চারটি কিন্তু ব্যাংকিং সেক্টরে তাদের অবস্থান বড়। যেমন আমানত খাতে প্রায় ২৫ শতাংশ এ চারটি ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চার ব্যাংকের কাছে সরকারের চাহিদা হলো খেলাপি ঋণ বাড়াতে পারবে না। ন্যূনতম ১৫ শতাংশ মুনাফা করতে হবে। তারা যে ঋণ দেবে, তার জামানতগুলো যেন এনক্যাশেবল হয় দায়িত্ব নিয়ে সেই কাজটি করবে।’

তিনি জানান, এবার বাজেটে ব্যাংকগুলোর জন্য বরাদ্দ আছে। তবে সামনে আর বরাদ্দ রাখা হবে না। জনগণকে সেবা দিয়ে আয় করেই ব্যাংকগুলোকে চলতে হবে।

ব্যাংকের তারল্য সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এক্সচেঞ্জ খাতে আজ পর্যন্ত আমাদের তারল্য প্রায় ৯২ হাজার কোটি টাকা।’

খেলাপি ঋণের বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘নন-পারফর্মিং লোন কমার কোনো সুযোগ নেই। কারণ নন-পারফর্মিং লোনের জন্য যে এক্সিট প্লানটা দিয়েছিলাম সেটি এখনো কার্যকর করতে পারিনি। কিছুটা জটিলতা আছে।’

আগামীতে রফতানি কমার শঙ্কার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতিতে যদি কোনো সংকট আসে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আপার এন্ডগুলো। মিড ও লোয়ার এন্ড ততটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। আমাদের অর্থনীতিকে মিড ও লোয়ার এন্ডে দেখি। এজন্য এখানে ক্ষতি হওয়ার কারণ নেই। আমাদের পুঁজি বাজারেও বাইরের কোনো পুঁজি নেই। সুতরাং আমাদের ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা নেই।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, অর্থ-সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধান, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র