Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছিনতাই নস্যাৎকারী বিমানের ক্রুদের সাহসিকতার পুরস্কার

ছিনতাই নস্যাৎকারী বিমানের ক্রুদের সাহসিকতার পুরস্কার
বিমান কার্যালয়ে ক্রুদের সম্মারননা প্রদান অনুষ্ঠানে/ ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাইগামী ফ্লাইট বিজি-১৪৭ এয়ারক্রাফ্টের ছিনতাই চেষ্টা নস্যাতে সংশ্লিষ্ট ককপিট ও কেবিন ক্রুদের সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য সম্মাননা দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৬ মে) বিমানের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল প্রধান পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রুদের হাতে প্রসংশা পত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে বিমানের প্রধান কার্যালয়ের ডাটা সেন্টারে অগ্নি নির্বাপণে সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য বিমানের দুই আইটি কর্মীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- ক্যাপ্টেন মোঃ গোলাম শাফি, ফাস্ট অফিসার মুনতাসির মাহবুব, পার্সার শাফিকা নাসিম নিম্মি, জুনিয়র পার্সার হোসনেয়ারা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস শরিফা বেগম রুমা, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড সাহেদুজ্জামান সাগর, ফ্লাইট স্টুয়ার্ড মোঃ আব্দুস সাকুর মোজাহিদ, অ্যাসিটেন্ট সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রাক্টর তপু বডুয়া ও সিনিয়র ডাটা প্রসেসিং অ্যাসিটেন্ট জহিরুল আলম চৌধুরী।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তার বক্তব্যে ঐ দিনের ফ্লাইটের ক্রুদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন ও তাদের এই দক্ষতা ও সাহসিকতা ধরে রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ক্রুদের এই ত্যাগ ও দক্ষতা ক্রু-সহ বিমানের সকলকে অনুপ্রাণিত করবে।’

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমানের পরিচালক প্রশাসন জিয়াউদ্দীন আহমেদ, পরিচালক প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিক সাপোর্ট মোঃ মমিনুল ইসলাম, পরিচালক পরিকল্পনা, বিক্রয় ও বিপণন কমোডর মাহবুব জাহান খাঁন, পরিচালক গ্রাহক সেবা আতিক সোবহান, চিফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার বিনিত সুদ, মহা-ব্যবস্থাপক জনসংযোগ শাকিল মেরাজ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে একজন দুষ্কৃতিকারী। বিমানের পাইলট ও ক্রুদের বিচক্ষণতায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করেন পাইলট। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আট মিনিটের কমান্ডো অভিযানে ঐ দুষ্কৃতিকারী নিহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :

৩৪৭০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন

৩৪৭০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি তথ্য ভান্ডার রক্ষায় বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি (কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম) এবং জিএনএস করস-এর নেটওয়ার্ক পরিধি সম্প্রসারণ প্রকল্পসহ মোট ১২ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। টাকার অংকে প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ কোটি ২০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ কোটি ২০ লাখ টাকা।এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ১৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৩০৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ করা হবে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে সাইবার আক্রমণ থেকে সরকারি তথ্য ভান্ডার রক্ষা ‘বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি’ নামক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে আইসিটি বিভাগ ও বিসিসি’র অধীনে।

প্রকল্পের প্রধান কাজগুলো হচ্ছে- বিভিন্ন ধরনের ৩৮টি সফটওয়্যার সংগ্রহ, ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগ, কম্পিউটার এক্সেসরিজ সংগ্রহ, অফিস ইক্যুপমেন্ট ও ফার্নিচার, বৈদেশিক ও স্থানীয় প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রকল্পটির বিষয়ে বলা হয়েছে, সিআইআরটি’র কার্যক্রমকে পূর্ণাঙ্গ রুপ দিতে এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ ন্যাশনাল ডাটা সেন্টারকে নিরাপত্তা দিতে এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাকি প্রকল্পগুলোর মধ্যে- জিএনএস করস’র নেটওয়ার্ক পরিধি সম্প্রসারণ এবং টাইডাল স্টেশন আধুনিকীকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১১৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। থানচি-রিমকীর-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৫৩ কোটি টাকা। সুনামগঞ্জ-মদনপুর-দিরাই-শাল্লা-জলসুখা-আজমিরিগঞ্জ-হবিগঞ্জ মহাসড়কের শাল্লা-জলসুখা সড়কাংশ নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৬৯ কোটি টাকা। রাঙ্গামাটি সড়ক বিভাগের অধীন পাহাড়/ভূমি ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিভিন্ন কিলোমিটারে ড্রেনসহ স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

খুলনা কর ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মধুমতি-নবগঙ্গা উপ-প্রকল্প পুনর্বাসন ও নবগঙ্গা নদী পুনঃখনন/ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

মেঘনা নদীর ভাঙন হতে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি হতে ধরাভাঙ্গা এমপি বাঁধ পর্যন্ত মেঘনা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭১ কোটি টাকা। ভূ উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নাটোর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৭৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। কৃষি বিপণন অধিদফতর জোরদারকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর, বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততা মোকাবিলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৭৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

পদ্মা ব্যাংকের নতুন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাদাৎ হোসেন

পদ্মা ব্যাংকের নতুন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাদাৎ হোসেন
মো. সাহাদাৎ হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের নতুন উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন মো. সাহাদাৎ হোসেন।

পদ্মা ব্যাংকে যোগদানের আগে মো. সাহাদাৎ হোসেন প্রাইম ব্যাংকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আইটি সার্ভিস অ্যান্ড সাপোর্ট ও বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-সহ অন্যান্য তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

মো. সাহাদাৎ হোসেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) থেকে এমবিএম সম্পন্ন করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র